যেসমাজে দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালন করা বন্ধ হয়ে যাবে সেখানে অপরাধের মাত্রা বাড়তে থাকবেই।
"ছোট ছোট বালু কনা, বিন্দু বিন্দু জল। গড়ে তুলে মহাদেশ, সাগর অতল।"
প্রত্যেক অপরাধীর জীবনী বিশ্লেষণ করা হলে দেখা যাবে খুব ছোট ছোট অপরাধ করে পার পেয়ে গিয়েই একসময় সে ভয়ংকর অপরাধীতে পরিণত হয়েছে।
বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক! প্রেমিক-প্রেমিকা, বয়ফ্রেন্ড- গার্লফ্রেন্ড, লিভটুকেদার কালচার আমাদের সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। সব থেকে মজার বিষয় হল আজ ক এর সাথে খ এর সম্পর্ক থাকলেও কাল দেখা যায় খ এর সাথে গ এর সম্পর্ক গড়ে উঠেছে অন্যদিকে ক এর সাথে ঘ এর সম্পর্ক চলছে।
কিছু দিন আগে হ্যাপি রুবেল সিনেমা দেখলাম! কদিন আগে নববর্ষে আবার লাইভ সিনেমার প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের টিএসসির নিকটবর্তী ফটকের কাছে ।
ইসলামে একটি শব্দ আছে ব্যাভিচার। যেখানে নর-নারীর অবৈধ সম্পর্কের বিষয়টিকে আলোকপাত করা হয়েছে। ব্যাভিচারকারী পুরুষ ও নারীর জন্য শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
নারীদের পর্দা করতে বলা হয়েছে আবার পুরুষদেরও সংযত থাকতে বলা হয়েছে।
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমাদের সোকল্ড মর্ডান সোসাইটিতে সকল ধরনের অবৈধ কাজ বৈধতা পেয়ে যাচ্ছে। হট গার্ল নামক পতিতারা আর প্লে বয় নামক লুচ্চারা আজ সমাজে যত ধরনের ভাইরাস ছড়িয়ে দিচ্ছে। আমাদের ভেতর একশ্রেণীর বুদ্ধিজীবী/ মানবাধিকারকর্মী নামক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীরা এসব কর্মকাণ্ডের সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছে। বারে মাল খেয়ে টাল হয়ে মেয়েদের নিয়ে মাস্তি করতে কোন বাঁধার সম্মুখীন হতে হয় না অথচ ভার্সিটির হলে কোরআন শরীফ পড়া, নামাজ পড়া অনেক বড় অপরাধ।
যদি চান এইধরনের ঘটনা আর না ঘটুক তবে এসব পতিতা আর লুচ্চাদের জন্য যথাউপযুক্ত শাস্তির ব্যাবস্থা করুন শৃীলতাহানী, ধর্ষণ, লুলামি সব বন্ধ হয়ে যাবে। এজন্য চাই আইনের শাসন। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে অবশ্যই আপনাকে অপরাধীকে শাস্তির আয়তায় আনতে হবে। প্রত্যেক অপরাধীর প্রতিটি অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান নিশ্চিত করুন। সমাজে অসামাজিক কর্মকাণ্ড এমনিতেই বন্ধ হয়ে যাবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


