যে সব বিষয় সামনে আসছে --------------------------------------

১। তুরস্কের সামরিক হেলিকপ্টার আশ্রয় নিয়েছে গ্রিসে। আর ওই হেলিকপ্টারে ৭ জন সামরিক কর্মকর্তা ও এক জন বেসামরিক ব্যাক্তি ছিল। যারা গ্রিসে আশ্রয় প্রার্থনা করেছে! অথচ এই গ্রিসের বিরোধিতার কারনেই এখন পর্যন্ত ইউরোপিও ইউনিয়নের সদস্য পদ লাভ করতে পারেনাই তুরস্ক।

২। মাত্র কিছু দিন আগেই তুরস্ক ক্ষমা চেয়ে রাশিয়ার সাথে তুরস্কের সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে। এর আগে রুশ সামরিক বিমান ভূপাতিত করবার কারনে রাশিয়ার সাথে তুরস্কের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছেদ হয়ে গিয়েছিল।

৩। ব্যর্থ অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার পর তুরস্কের একটি মার্কিন ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেয়া হচ্ছে না। এমনকি সেটিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে!

৪। তুরস্কের ব্যর্থ অভ্যুত্থানের মূল পরিকল্পনাকারী সন্দেহভাজন জেনারেল আকিন ওজতুর্ক ইহুদিবাদী ইসরাইলে সামরিক অ্যাটাচি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

৫। আইএস দমনে তুরস্কের সাম্প্রতিক অবস্থান পরিবর্তন। শুরু থেকেই আইএস সহ বাসার আল আসাদ বিরোধীদের পক্ষ নিয়ে এত দিন ধরে তাদের সহযোগিতা করে আসছিল তুর্কি সরকার। কিন্তু মাত্র কয়েক দিন আগে রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে এরদোগান সরকার তার আগের অবস্থান থেকে অনেকটা সরে এসেছে।

৬। কমপক্ষে ৬ জন জেনারেল ও ২৯ জন কর্নেল সেনাবাহিনীর ২ ও ৩ নং ডিভিশন এই সামরিক ক্যুয়ে সরাসরি জড়িত ছিল। বোঝাই যায় বেসকিছু দিন আগ থেকেই পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং এসব সেনাদের প্রতি নিশ্চয় বাইরের কোন বড় শক্তির সমর্থন ছিল।

৭। সামরিক ক্যু'য়ের প্রতি শূন্য শতাংশ জনসমর্থন! রাত্রের অন্ধকার ভেঙ্গে মাত্র ঘণ্টা খানেকের মধ্যে লাখো জনতার ক্যু বিরোধী প্রতিরোধ প্রমান করে সেনাবাহিনীর এই ক্যু'য়ের পক্ষে তাদের বিন্দুমাত্র সমর্থন ছিল না।


৮। তুরস্কে গত শুক্রবার রাতের সেনা অভ্যুত্থানের পেছনে যে ধর্মীয় নেতা ফেতুল্লা গুলেনকে দায়ী করা হয়েছে তিনি থাকেন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের পোকোনো পার্বত্য এলাকার একটি শহরে।
৯। অভ্যুত্থান ব্যার্থ হবার পর তুরস্কের বন্ধু দেশ আমেরিকা এরদোগান সরকারের প্রতি তাদের সমর্থন ব্যাক্ত করলেও যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ফেতুল্লা গুলেনকে তুরস্ক সরকারের কাছে ফিরিয়ে দেবার দাবি উপেক্ষা করছে!!


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

