সম্প্রতি ট্রাম্পের সৌদি আরব সফরের পর সৌদি আরবের নেতৃত্বে কয়েকটি আরব দেশ কাতারের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং স্থল, নৌ ও বিমান অবরোধ দেয়।

কাতারকে অবরোধ দেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয় দেশটি সন্ত্রাসীদের লালন-পালন করছে। কাতারের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের এই অবরোধকে ট্র্যাম্প নিজের সফলতা বলে দাবি করে টুইটে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্র্যাম্পের টুইটের পর সব কিছুই ওলট-পালট হয়ে যায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে। সেখানে কাতারের সাথে সৌদি দন্দ নিরাসনে মার্কিন প্রশাসন সহযোগিতার প্রস্তাব দেয়!! মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয় সন্ত্রাসবাদ দমনে কাতার তাদের অন্যতম সহযোগী।
সর্বশেষ মার্কিন প্রশাসনই তিনটি চপেটাঘাত দেয় সৌদি আরব ও তাদের উপসাগরীয় মিত্রদের গালে।
১ম চপেটাঘাত ছিল কাতারের কাছে ১২ বিলিয়ন ডলারের অত্যাধুনিক এফ-১৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির চুক্তি !

২য় চপেটাঘাতটি হল, আমেরিকা ও কাতারের নৌবাহিনীর অংশগ্রহণে তিনদিনের সামরিক নৌ মহড়া!!

তৃতীয় চপেটাঘাত , মার্কিণ পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন মুসলিম ব্রাদারহুড এর পুরো সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী বলে চিন্নিহিত করাকে আদৌ সঠিক নয় বলে মনে করেন। তার মতে, বাহরাইনসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশে বর্তমানে এবং অতীতে গণতান্ত্রিক সরকারের অংশ ছিল ব্রাদারহুড। ফলে এই সরকারগুলোকে সন্ত্রাসবাদী বলার কোনো সুযোগ নেই!!!
এখন একটি বিষয় পরিষ্কার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যত উল্টাপাল্টা বলুন না কেন, মার্কিন সামরিক গোষ্টি ও প্রশাসনে কাতারকে সমর্থন করা লোকের সরব উপস্থিতি রয়েছে এবং তাদের ক্ষমতা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ক্ষমতার থেকে কম নয় যা পৃথক তিনটি ঘটনায় দৃশ্যমান!!
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুন, ২০১৭ দুপুর ২:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




