২০১২ সাল থেকে সিরিয়ার প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতে দেশটিতে এক প্রকার বিশ্ব যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইতিপূর্বে লিবিয়াতেও ন্যাটো বাহিনী যুদ্ধ করে সেদেশের প্রেসিডেন্ট গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচূত করে হত্যা করেছে। তবে রাশিয়া আর ইরানের সমর্থনের কারনে সিরিয়ায় সরাসরি যুদ্ধ করে আসাদকে সরানো যায় নাই।

তবে বার বার রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার ও প্রচারণা করে আসাদকে সরিয়ে দেওয়ায় চক্রান্ত চলছেই। সম্প্রতি আসাদের সেনারা যখন সিরিয়ায় রাজধানীর নিকটবর্তী দুমা নামক এলাকা জায়েশ আল ইসলাম নামক সৌদি পন্থি সন্ত্রাসীদের থেকে মুক্ত করতে অভিযান পরিচালনা করছে তখন আবারও আসাদের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে সেই পুরনো অভিযোগ।


সিরিয়ায় এর আগে ২০১৩ সালে সন্ত্রাসীরা রাসয়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করে প্রথম সিরিয়া সরকারকে দোষারোপ করে। তখন ওবামা সিরিয়ান সেনাদের অপর হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছিল। সিরিয়া তখন তাদের হাতে থাকা সব ধরনের রাসায়নিক অস্ত্র ধংস করেছিল। যদিও পরে প্রমান হয়েছিল যে সিরিয়াতে ওই হামলার পিছে জড়িত ছিল কথিত বিদ্রোহী গোষ্ঠী Free Syrian Army।


কিছুদিন আগে সিরিয়ার পূর্ব ঘোটা এলাকা সন্ত্রাসীদের হাত থেকে উদ্ধারের পর সেনাবাহিনি সন্ত্রাসীদের রাসায়নিক অস্ত্রের গুদাম উদ্ধার করে। সন্ত্রাসীদের হাত থেকে উদ্ধার হওয়া রাসায়নিক গুদাম
এখন দেখার বিষয় আবারো ট্রাম্প সিরিয়ায় হামলা শুরু করবে কিনা। তবে রাশিয়া এর মধ্যে অ্যামেরিকাকে সতর্ক করেছে সিরিয়ায় যেকোন ধরনের হামলার বিরুদ্ধে। তবে ব্যাক্তিটি যখন ট্রাম্প তখন তার নিজের কথার কোন ভরসা করা অসম্ভব।
সর্বশেষ সন্ত্রাসীরা গত রাত্রের সেনা অভিযানের পর এই এলাকা থেকে সরে যেতে সরকারের সাথে চুক্তি করেছে। চুক্তি অনুসারে সন্ত্রাসীরা আটক বন্দীদের মুক্তি দিতে রাজি হয়েছে।

সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


