কানাডিয়ান সাংবাদিকের কাছে শার্ট তৈরি নিয়ে প্রতারণা করে ধরা খেয়ে দেশের নাম উজ্জ্বল করলেন ঢাকার নতুন মেয়র।
ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলামের ফ্যাক্টরিতে কানাডিয়ান একটা ব্র্যান্ডের শার্ট অর্ডার করা হয়। আতিকুল সাহেব সে শার্ট নিজ মালিকানাধীন ফ্যাক্টরীতে না তৈরি করে সাবকন্টাক্টে ননকম্পলায়ান্স এবং শ্রমিক শোষণ হয় এমন একটি গার্মেন্ট কে দিয়ে সে শার্ট প্রস্তুত করান। এ ঘটনা তৈরি পোশাক খাতে শ্রমিক ইন্টারেস্ট নিয়ে কাজ করে এমন এক কানাডিয়ান সাংবাদিকের দৃষ্টিগোচরে আসে। সে সাংবাদিক প্রথমে সাব কন্টাক্টে কাজ করা ফ্যাক্টরি থেকে হ্যাং ট্যাগ, লাবেল সহ একটি শার্ট কালেক্ট করেন। এরপর তারা আতিকুল ইসলামের কাছে যায়। উল্লেখ্য প্রত্যেকটি বিশ্ববিখ্যাত ব্রান্ড প্রোডাক্টের ট্যাগ ও লেভেলে যে বারকোড নাম্বার দেয়া থাকে সে বারকোড নাম্বার বায়ারের নিজস্ব লজিস্টিক সার্ভারে গিয়ে সার্চ করলেই সে প্রোডাক্টটি কোন ভেনডর প্রস্তুত করেছে তার বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়। সাংবাদিক আতিকুল কে প্রশ্ন করে শার্টটি আপনার ফ্যাক্টরিতে প্রস্তুত হয়েছে কিনা? আতিকুল বলেন: আসলে একটি শার্ট কোথায় তৈরি হয়েছে এটা খুঁজে বের করা খুব কঠিন এবং এটা তার ফ্যাক্টরিতে তৈরি শার্ট নয়। বিদায় পর্বে আতিকুল সাহেব সে ভিনদেশী সাংবাদিকের কাছ থেকে শার্টটি কিছুক্ষণের জন্য নিয়ে নিজের চেয়ারে গিয়ে বসেন। তারপর তিনি নিজ হাতে শার্টের ট্যাগে থাকা বারকোড নাম্বারটি কলমের কালি দিয়ে লেপ্টে দেন। কিন্তু এতে কি তার সন্মান রক্ষা পেয়েছে নাকি বিদেশী সাংবাদিকের কাছে তিনি একজন প্রতারক বলে ধরা পড়েছেন! চিন্তা করুন সারা বিশ্বের মানুষ যখন এই ঘটনা জানবে আমাদের দেশ সম্পর্কে কি ধারনা পাবে?
জনাব আতিক সাহেব মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনই কাগজ রাস্তায় ছড়িয়ে পরিষ্কারের নাটক করে ধরা খেয়েছিলেন। তবে আমরা ভেবেছিলাম হয়ত প্রথমবার একটি ভুল করলেন কিন্তু এখন আর বুঝতে বাকি নেই এসব প্রতারণা তার নিয়মিত ব্যাপার। এই মেয়র নাকি আনিসুল হক হবেন শুনলে হাসি পায়। আমার জানামতে আনিসুল হক এমন প্রতারক ছিলেন না। আনিসুল হকের মৃত্যুর পর আমিও কেঁদেছিলাম অবশ্যই তার কাজের জন্য।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১২:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




