
সারা শরীর ঘেমে জবজব করছে। পরনের শার্টটা ঘামে ভিজে চপচপ শব্দ হচ্ছে নড়াচড়ার সাথে সাথে।অবশ্য,হওয়ার কথা ই তো।পুরো দেহটাকে টুকরো টুকরো করা কি আর যে সে কথা...(!)
স্ট্যান্ড ফ্যানের স্পিডটা ফুল করে চেয়ার নিয়ে ফ্যানের একেবারে মাঝ বরাবর বসলাম।ভেজা শার্টটা খুলে ফেলেছি।শরীরটা শুকিয়ে নেয়া দরকার।তারপর বাকি কাজটা করে ফেলতে হবে।তোষক-চাদর বিহীন খাটটাতে তিনটা ব্যাগ সাজিয়ে রাখা আছে।কল্লাটাও কাটা হয়ে গেছে।যতটা সম্ভব ছোট ছোট টুকরা করেছি দেহটা,অনেক দিনের হাতের চুল্কানি যে....(!)
.
রক্তে ভেসে আছে পুরো মেঝে...!কিছু কিছু জায়গায় রক্ত জমাট বেধে কালচে হয়ে গেছে।
.
সাথে আনা দুজনকে বাকি কাজটা করে ফেলতে বললাম।শরীরটা ইতোমধ্যে শুকিয়ে গেছে।খাটের নিচে পরে থাকা ফোনটা নিয়ে নান্নু ভাইয়ের নাম্বারে ডায়াল করলাম।
.
--ভাই,কাম শেষ..(!)
-বডিডা ঠিকমত সাইজ করছোস তো?
--হ ভাই।
-কল্লাডা কি করছোস?
--ঐডা আলাদা থুইছি।সব একলগেই পাঠামুনে।
-আইচ্ছা, পাঠাইয়া দে।
.
ফোনটা কেটেই সাথের দুইজনকে রিক্সা আনতে বললাম।ওরা দুইজন বেরিয়ে যেতেই একটা পলিথিন থেকে কিছু সরিয়ে ফেলে পলিথিনের মুখ আবার আগের মত করে বেধে দিলাম।
.
পরিশ্রমটা সার্থক হয়েছে।বাজার থেকে এখন মাংসের মশলা আর আলু কিনে নিতে হবে।অনেকদিন হলো বউয়ের হাতের গরুর মাংসের রান্না খাই না। আজ পেট ভরে তৃপ্তি সহকারে খাওয়া যাবে।
.
#লাট্টু_কসাই
#রম্য_গল্প
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৫:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



