
***আমার ছোট ভাই ডাক্তার। ইবনে সিনা হাসপাতালের আই,সি,ইউ-এর সিনিয়র মেডিক্যাল অফিসার। করোনায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের অবস্থা যখন সঙ্গীন, বাংলাদেশের কেউ ইনফেক্টেড হয়নি তখনো! একদিন আমার কাছে এসে বললো- বাংলাদেশে করোনা রোগী আছে বলে আমার সন্দেহ হচ্ছে।
অন্যান্য হাসপাতালগুলো্র মতো তারটিতেও ডাক্তারদের দরকারী প্রটেকশন স্যুট নেই। সে খুব ভয় পাচ্ছে। তাঁর নিজের জন্যে নয়, বরং, চার বছরের ছোট মেয়েটির জন্যে তাঁর ভয় বেশি। আমার ভাইয়ের কিছু হলে, মেয়েরও হতে পারে।
***আমি ব্যবসায়ী মানুষ। তাই, তাঁকে বললাম, তোমাদের হাসপাতালের এত্তো টাকা-পয়সা, নিজেরা কিনে নিলেই পারে। সে বললো যে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই ব্যাপারে খুব একটা প্রেসার গায়ে নিচ্ছে না!
এই অবস্থাতেই, সে নিজে আমার সামনে দারাজ থেকে প্রটেকটিভ গিয়ার অর্ডার করলো। কিনে সেগুলো পড়ে হাসপাতালে গেলো। গত ১ সপ্তাহ ধরে সে বাসায় আসছে না। তাঁদের ডাক্তাররা বাসায় আসার আগে নিজেরাই সেলফ কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করেছে, বাসা ভাড়া নিয়ে।
***আমার অফিসটা খালি পড়ে রয়েছে। তাই, তাঁদেরকে অফার করলাম থাকার জন্যে। আজ তাঁরা আমার অফার ফিরিয়ে দিয়েছে। কোন এক ডাক্তারের বাসা কোয়ারেন্টাইন হিসেবে ব্যবহার করছে, ঐ ডাক্তারের বৌকে মায়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে।
***আম্মা আজ ভাইবারে আমাদের পরিবারের গ্রুপে লিখেছেন- ''ছেলেকে আল্লাহর হাতে সঁপে দিয়েছি।''
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৮:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




