৪ মাস আগের কথা।
ক্যাম্পাস থেকে বাসায় ফিরছিলাম অধরা
(ছদ্ম নাম) , তারেক আর আমি।
বনানী থেকে ক্যান্টনমেন্ট জিয়া কলনী
হেটে আসাতে খুব ক্লান্ত ছিলাম।
সময় তখন ১.৩০ এর মত।
জিয়া কলোনী লেক এর পাশে বসলাম আম্রা।
অধরার ব্যাগে দাবার বোর্ড ছিল।
দাবা খেলার প্রিপারেসন নিচ্ছিলাম।
তারেক তখন আমাদের বসাইয়া রাইখা জুহি,
কেয়া কে বাস থেকে রিসিভ করে আনতে
গেছিল।
টিক সময়ঈ আরপির গাড়ি আইসা ওখানে যারা
ছিল সব কয়ডা রে গাড়িতে তুলল।
আমরা তো টাস্কি।
শালায় কয় কি??
যাক উটলাম আম্রা।
আমাদের সাথে রমিজ উদ্দিনের স্কুলের,
আদমজী ক্যান্ট : এর কিছু ছেলে মেয়ে ও
ছিল।
এর পর নিয়ে ইউনিট এ নিয়া গেল।
গাড়ি থেকে নামাইলো।
একটা হাজতের মত রুমে ঢুকাইলো।
ঢুইক্কা দেহি এখানে আমাগোর মত আরো
অনেক এ ছিল।
অবশেষ এ জিগাইলাম আমাদের ধরে আনার
কারন কি???
উত্তরে যা বলল তা শুনার জন্য প্রস্তুত ছিলাম
না।
অখানে বসে নাকি প্রেম করা যায় না।
আম্রা নাকি বসে প্রেম করছিলাম।
আরেকবার টাস্কি খাইলাম।
এর পর আর্মি অফিসার কে বললাম,
আম্রা জাস্ট ফ্রেন্ড।
ক্লান্ত হয়ে যাওয়াতে বসে ছিলাম।
উনি তো নাছোড় বান্দা।
অখানে অনেকে ছিল।
কারো অপরাধ ছিল স্কুল বাদ দিয়া লেকে
আইসা সিগারেট টানা।
কারো অপরাধ ছিল গার্ল ফ্রেন্ড এর সাথে
ডেটিং।
আরো অপরাধী ছিল।
কেউ ক্যান্টনমেন্ট এর ভিতর এ লাইসেন্স
ছাড়া গাড়ি ড্রাইভ করছিল,
কেউ বা স্কুল বাদ দিয়ে রেললাইনের পাশে
হাটছিল।
পুলাপাইন সবডিই অই অফিসারের উপর
ক্ষেইপ্পা রইছে।
অনেক রিকুয়েস্ট করলাম সবাই,
উনারা ছাড়বে না।
ক্যামেরা নিয়ে এল উনারা।
আইনা আমাদেরকে এক সাথে খাড়া
করাইলো।
অধরাকে বলেছিল, এই যে আম্মু ঘুমটা টা
উটাও।
অই সময় তো আমি পুরাই হাসি আটকায়ে
রাখতে পারছিলাম না।
অধরা খালি এটাই বলতেছিল, শালা কির
লাইগা যে আজকে এখানে বসছিলাম।
এভাবে ২ ঘন্টা পার হয়ে গেল।
কিন্তু ছাড়ে না কাওরেই।
ইতিমধ্যে এক পোলা বলে উটলো আংকেল
আমার কাকা কিন্তু আওমীলিগ এর নেতা।
এই কথা শুনে অখান কার গার্ড আরো ধমক।
বলে আজকে সারা রাত থাক্তে হবে।
মেলা কাহিনীর পর
৪ ঘন্টা পর লিখিত স্টেট মেন্ট নিয়ে
আমাদের কে ছেড়ে দিছিলো।
অধরার জায়গায় যদি অন্য কোন মেয়ে থাকত
আমি শিওর অইখানেঈ স্টোক করত।
মনে থাকবে এই ৫ ঘন্টা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


