somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সাকিব (পল্লব)
প্রথম পরিচয় আমি মানুষ nদিতীয় পরিচয় আমি মুসলিমnতৃতীয় পরিচয় আমি বাংগালীnচতুর্থ পরিচয় আমি মায়ের প্রিয় সন্তানnপঞ্চম পরিচয় আমি বাবার বিশস্ত ছেলে

সেই ৫ ঘন্টা

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


৪ মাস আগের কথা।
ক্যাম্পাস থেকে বাসায় ফিরছিলাম অধরা
(ছদ্ম নাম) , তারেক আর আমি।
বনানী থেকে ক্যান্টনমেন্ট জিয়া কলনী
হেটে আসাতে খুব ক্লান্ত ছিলাম।
সময় তখন ১.৩০ এর মত।
জিয়া কলোনী লেক এর পাশে বসলাম আম্রা।
অধরার ব্যাগে দাবার বোর্ড ছিল।
দাবা খেলার প্রিপারেসন নিচ্ছিলাম।
তারেক তখন আমাদের বসাইয়া রাইখা জুহি,
কেয়া কে বাস থেকে রিসিভ করে আনতে
গেছিল।
টিক সময়ঈ আরপির গাড়ি আইসা ওখানে যারা
ছিল সব কয়ডা রে গাড়িতে তুলল।
আমরা তো টাস্কি।
শালায় কয় কি??
যাক উটলাম আম্রা।
আমাদের সাথে রমিজ উদ্দিনের স্কুলের,
আদমজী ক্যান্ট : এর কিছু ছেলে মেয়ে ও
ছিল।
এর পর নিয়ে ইউনিট এ নিয়া গেল।
গাড়ি থেকে নামাইলো।
একটা হাজতের মত রুমে ঢুকাইলো।
ঢুইক্কা দেহি এখানে আমাগোর মত আরো
অনেক এ ছিল।
অবশেষ এ জিগাইলাম আমাদের ধরে আনার
কারন কি???
উত্তরে যা বলল তা শুনার জন্য প্রস্তুত ছিলাম
না।
অখানে বসে নাকি প্রেম করা যায় না।
আম্রা নাকি বসে প্রেম করছিলাম।
আরেকবার টাস্কি খাইলাম।
এর পর আর্মি অফিসার কে বললাম,
আম্রা জাস্ট ফ্রেন্ড।
ক্লান্ত হয়ে যাওয়াতে বসে ছিলাম।
উনি তো নাছোড় বান্দা।
অখানে অনেকে ছিল।
কারো অপরাধ ছিল স্কুল বাদ দিয়া লেকে
আইসা সিগারেট টানা।
কারো অপরাধ ছিল গার্ল ফ্রেন্ড এর সাথে
ডেটিং।
আরো অপরাধী ছিল।
কেউ ক্যান্টনমেন্ট এর ভিতর এ লাইসেন্স
ছাড়া গাড়ি ড্রাইভ করছিল,
কেউ বা স্কুল বাদ দিয়ে রেললাইনের পাশে
হাটছিল।
পুলাপাইন সবডিই অই অফিসারের উপর
ক্ষেইপ্পা রইছে।
অনেক রিকুয়েস্ট করলাম সবাই,
উনারা ছাড়বে না।
ক্যামেরা নিয়ে এল উনারা।
আইনা আমাদেরকে এক সাথে খাড়া
করাইলো।
অধরাকে বলেছিল, এই যে আম্মু ঘুমটা টা
উটাও।
অই সময় তো আমি পুরাই হাসি আটকায়ে
রাখতে পারছিলাম না।
অধরা খালি এটাই বলতেছিল, শালা কির
লাইগা যে আজকে এখানে বসছিলাম।
এভাবে ২ ঘন্টা পার হয়ে গেল।
কিন্তু ছাড়ে না কাওরেই।
ইতিমধ্যে এক পোলা বলে উটলো আংকেল
আমার কাকা কিন্তু আওমীলিগ এর নেতা।
এই কথা শুনে অখান কার গার্ড আরো ধমক।
বলে আজকে সারা রাত থাক্তে হবে।
মেলা কাহিনীর পর
৪ ঘন্টা পর লিখিত স্টেট মেন্ট নিয়ে
আমাদের কে ছেড়ে দিছিলো।
অধরার জায়গায় যদি অন্য কোন মেয়ে থাকত
আমি শিওর অইখানেঈ স্টোক করত।
মনে থাকবে এই ৫ ঘন্টা।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:৫৬

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত



সময় চলেছে তার আপন খেয়ালে,
নদীর স্রোতেরা হারায় কালের বুকে;
আমি শুধু এক অনন্তকাল ধরে,
ডুবে আছি প্রিয়, তোমার চাওয়া পাওয়ার ওই সুখে।

বাহিরের সব নিয়ম চলুক তার মতো,
মহাবিশ্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ের অবস্থা নিয়ে আলাদা গুরুত্ব দেয়া দরকার

লিখেছেন অপলক , ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫



পাহাড়ীদের হাতে এখন প্রচুর টাকা। সে টাকার যোগান প্রত্যাক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে আমরা সমতলের জনগন দিয়েছি। পাহাড়ীরা এখন জাতীয় অর্থনীতিতে বিশাল ভূমিকা রাখছে। তাদের মাঝে প্রচুর উচ্চ শিক্ষিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

চলার পথে ক্ষণিক দেখা – (১১)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০২

পূর্বের পোস্টঃ ক্ষণিকের দেখা, মায়াময় এ ভুবনে -১০


অবশেষে আমার কিছু কথা শুনে ওরা হাসিতে ফেটে পড়লো। সবার মুখে ছিল উজ্জ্বল হাসি।

আজ দুপুরে একটি এলাকার মাসজিদ সংলগ্ন পুকুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০২

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০২



আমাদের চারপাশে অনেক কিছু আছে।
যা আমরা দেখতে পাই না। ব্যাকটেরিযয়া, ভাইরাস, ডার্ক ম্যাটার, অণু ও পরমাণুর কথা বলছি না। আমি বলছি, মৃত মানুষের কথা। প্রতিদিন বিশ্বে গড়ে দেড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রধানমন্ত্রী বিদেশে, আইনও কি সঙ্গে নিয়ে গেছেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০৬


প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে গেলেই দেশ অশান্ত হয়ে ওঠে । সালাহউদ্দিন আহমেদের মতো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে কেন? প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে থাকলেই কিছু নেতাকর্মী যেন নিজেদের দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×