অধ্যাপক এম শাহীদুজ্জামান এবং সাবেক বনমন্ত্রী হাসান মাহমুদের মধ্যকার আজকের টকশো ঝগড়া অনলাইন পত্রিকার বরাতে এখন অনেকেই জেনে গেছেন। কিন্তু একটু খেয়াল করলেই দেখবেন এতে একাত্তরের অপসাংবাদিকতা জড়িত।
টকশোতে ঝগড়া লাগাতে পারলে টকশোর ভিডিও ক্লিপ ভাইরাল হয় সাথে সাথে অনুষ্ঠানের প্রচারও বাড়ে। তাই সাম্প্রতিক কালে এর কিছুটা প্রবনতা দেখা গেছে কিছু টিভি চ্যানেলে। মোজাম্মেল বাবুর ৭১ টিভির সাংবাদিকতার ধরণ টিভি চ্যানেলটির জন্ম কাহিনীর মতই। টিভি চ্যানেলটির বিরুদ্ধে এর আগে বেশ কিছু ঘটনায় প্রযোজক রুম থেকে বা পর্দার পিছনে থেকে লাইভ অনুষ্ঠানে বিরোধী আলোচকদের হেনস্তার কিছু ঘটনার স্বপ্রমান অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছিল।
আজকের এই ঝগড়াটি শুরু হয় মূলত হাসান মাহমুদ কর্ত্বক অধ্যাপক এম শাহীদুজ্জামানকে আলোচনার ক্ষেত্রে বাধা দান এবং ব্যক্তিগত আক্রোমনের কারণে। অধ্যাপক এম শাহীদুজ্জামান বাংলাদেশে অল্প কয়েকজন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একাডেমিক বিশ্লেষকদের একজন, যিনি খুব সহজে রাগেননা। আর হাসান মাহমুদের ব্যাপারে নাইবা বললাম। বন ডাকাতির সব ঘটনাই প্রকাশিত। এ বিষয়ে লিখা আমার উদ্দেশ্য নয়। বরং ৭১ টিভির অপসাংবিদিকতার দিকটি তুলে ধরাই এখানে উদ্দেশ্য।
আপনারা ভিডিওটি শুনে দেখুন - দেখবেন হাসান মাহমুদের জন্যে সাউন্ড সিষ্টেম কতটা পরিষ্কার এবং উচু ভলিউম, অন্যদিকে অধ্যাপক এম শাহীদুজ্জামানের জন্যে সাউন্ড সিষ্টেম দুর্বল এবং কিছুটা নীচু ভলিউমের। ফলে হাসান মাহমুদের আক্রমনাত্নক কথাগুলোই ফুটে উঠেছে বেশী।
ভিডিওর লিংকঃ Click This Link
গৌরবের একাত্তরের আর কত বানিজ্যিক এবং রাজনৈতিক অপব্যবহার দেখব?
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুন, ২০১৪ রাত ১১:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



