লেখাটি এখান থেকে সংগ্রীহিত
যারা মেসে বা কোন কারনে বাড়ির বাহিরে আছেন । যারা একাই রাতের খাবার এবং শাহারী রান্না করতে বাধ্য হচ্ছেন । তারদের কাজকে একটু সহজ করতে চাই । কারন আমি নিজের রান্না নিজেই করে খাচ্ছি ৫ মাসের মতন ।
মুরগী + আলু পটল কারী
আজকে আমি রান্না করছি ব্রয়রার মুরগী ও আলু পটলে ঝোল, ২ জনের জন্যে ।
উপকরন :
১. মুরগীর মাংস ৮ টুকরা । (এই রাতে ৪ সকালে ৪)
২. আলু ২০০ গ্রাম
৩. পটল ৪টা
৪. চাউল ৪৫০-৫০০ গ্রাম
৫. তেল ১ কাপ
৬. পেয়াজ কুচি ১ কাপ
৭. গরম মসলা ৫-৭ টুকরা
৮. এলাচ ১-২ টা
৯. কাচা মরিচ ৪-৫ টা ঝালের উপরে নির্ভর করে কম বেশি হতে পারে । রাজশাহীর মানুষ ঝাল একটু বেশিই খায় ।
১০. দেশী রসুন ৩-৪ টা
১১. জিরা ১ চা চামচ
১২. আদা ছোট এক টুকরা
১৩. হলুদ ১/২ চা চামচ
১৪. লবন সাদ মত
যেহেতু নিজে বানাবেন তাই প্রনালী বিস্তারিত দিলাম
প্রনালী :
১. প্রথম কাজ আপনার রসুন গুলোর খোসা ছাড়িয়ে নিন । এরপরে নিচের সামান্য রসুন সহ গোড়া কেটে ফেলুন । এর পরে একটি বাটিতে ভিজিয়ে রাখুন ।
২. মরিচ ধুয়ে চিরে রাকুন ।
৩. পেয়াজ নিচের অংশ কেটে খাসা ছাড়িয়ে একটি বাটিতে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ।
৪. (রাইস কুকার থাকলে) চাল ধুয়ে আলু ও পটল ছিলে এক সাথে সেদ্ধ করতে দিন ।
ভাত হয়ে গেলে আলু পটল আলাদা করুন ।
৫. গ্যাসে বা স্টোভে কড়াই গরম করতে দিন ।
৬. এই ফাকে আপনি পেয়াজ কাটুন । পানিতে রাখার কারনে পেয়াজ আর চোখে ধরবে না । সাথে আদাও কুচি করুন ।
৭. ভিজিয়া রাখা রসুন হাত দিয়ে ঘসে ঘসে খোসা তুলে ফেলুন । খোসা খুব সহজেই উঠে আসবে ।
৮. কড়াই গরম হলে তেল দিন । তেল গরম হলেই রসুন, পেয়াজ,আদা, জিরা, ও অন্যান্য মসলা লবন দিয়ে দিন এভাবেই কিছুক্ষন রান্না করুন । কিছুক্ষন পরে মসলা তেল ছেড়ে দিলে মুরগীর মাংস দিয়ে কসিয়ে রান্না করুন ।
৯. মুরগীর মাংসে কিছুটা পানি বের হবে । তাই পানি দেবার দরকার নাই তবে কিছুটা কম জালে রান্না না করলে পুড়ে যেতে পারে ।
১০. কিছুক্ষন পর পর মাংস নেড়ে দিন যাতে সব মাংসে তেল মসলা ভাল ভাবে মেশে ।
১১. পানি প্রায়শেষের দিকে আসলে পটল আলু দিয়ে দিন । এরপর ভাল ভাবে নাড়ুন, সব আলু পটলে ভাল ভাবে মসলা মিশলে পানি দিন । (বেশি ঝোল চাইলে বেশি ও কম চাইলে কম) খুব বেশি পানির দরকার নাই ।
১২. পানি ভাল ভাবে ফুটলেই নামিয়ে ফেলুন ।
এর পরে আর বলার অবকাস নাই, নিজের রান্না খাবারে ঝাপিয়ে পড়ুন ।
ওয়াও অসাম ........

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



