তখনো বুঝতে পারিনি,তখন পর্যন্ত আমি ছিলাম
যুদ্ধ বিদ্ধস্ত তৈল শোধনাগার
তখনো আমার বসবাস ছিল পূর্ণ নগরে, যেখানে ধ্বণিত হতো
খসে যাওয়া ইটের দীর্ঘ ব্যবধানের শুণ্য হাহাকার
আমি সুললিত সাবধানী পদেেপ হেঁটে যেতাম
প্রতিফলক পাথরের অভিজাত মসৃণতাকে ছুঁয়ে ছুঁয়ে
আমাকে কেন্দ্রে রেখে চক্র করে ঘুরে বেড়াতো দলবদ্ধ মৌসুমী বায়ু
ইকুয়েডরের প্রান্তিক তীর্থ বেয়ে বেয়ে
এবং আমার স্থবির পোশাকে গজিয়ে উঠত ধূষর বিষণ্নতা
কখনো তাদেরই ত্রস্ত পলায়নে খসে খসে গুঁড়ো হয়ে পড়ত শুকিয়ে যাওয়া খয়েরী বটপাতা
আমি জীবন আস্বাদনে হয়ে উঠতাম দৃঢ়, একনিষ্ঠ
সুযোগ-সন্ধানী চতুর হায়েনা
এবং নিশ্চিত ,নিঃছিদ্র গাঁথুনির ইটে বাস্পীভুত হতো
প্রচ্ছন্ন সলজ্জ আয়না
কখনো সেই অস্বচ্ছ প্রতিচ্ছবির বাষ্পে ধীরে ধীরে অঙ্কুরিত হতো
ঘেমে ওঠা শিশিরের নতুন উচ্চাশা
যা মৌসুমী স্রোতের সাথে মিশে নির্ধারিত বিরতিতে দুলিয়ে দিত
ভাসমান লাইট-পোষ্ট , সিগালের খন্ডকালীন বাসা ।
তখনো বুঝতে পারিনি, তখনো নিশ্চিত হওয়া ছিল যুদ্ধ-ফেরত সৈনিকের
শুকনো ,সম্মানিত গোঙ্গানীর মত অপ্রয়োজনীয় ভার
যার সদ্য কেনা হুইল চেয়ারের প্রতিটি ঘরঘর ঘূর্ণনে বেজে ওঠে
অর্থহীনতার অসহায় চিৎকার
এই কোমল অথচ জোরালো শব্দময় তরল স্ফুরণে
ঝাঁকে ঝাঁকে ছড়িয়ে পড়তো অগি্নময় সোনালী হাঁস
সৈনিকটি বরাবরের মত প্রতীায় থাকতো; বর্ষায় কিংবা বরফে
কখন আসবে কখন থামবে উৎকর্ষ-প্রযুক্তির বাস
এভাবে প্রতীায় থেকে থেকে, নতুন প্রযুক্তিতে চেপে চেপে হুইলের কালো মসৃৃণ খসিয়ে
একসময় সেও হয়ে উঠত অগি্নময় প্রজাতির সোনালী বিদ্রোহী হাঁস
তখনো; সেই তখন পর্যন্ত আমি ছিলাম জংধরা কিপের
চামড়া ওঠানো, হার্ডবোর্ড বেরুনো মেরুন ফোল্ডার
তখনো নৈশ বিহারের নগ্ন-ব বারে ঝাঁঝালো পতিতার
প্রতিফলক কোষে জ্বলে উঠতাম বারবার
দেহের সেই সুরম্য আধারে, প্রাচুর্যতার একনিষ্ঠ সদরে, গড়াগড়ি খেত
কেলাসিত মাতাল ওয়াইন
যাকে দেখে শরতে কিংবা গ্রীষ্মে যাজকীয় নৈতকতায় কেঁপে উঠতো
সাদা কলারের পাইন
জড়াগ্রস্থ ,অবদমিত, আক্রোশী, স ্তব্ধ পাইন;
ুব্ধ ঝড় প্রতি রাতেই তাকে করতো নগ্ন
সাথে থাকতো বিনম্র সন্ত ওয়াইন
অথবা ভর দুপুরে, সবুজ শ্যাওলার পেশল ঘোড়ায় চেপে
আটপৌরে কথা হতো মগ্ন সন্ত ওয়াইনের সাথে
কিংবা দেখতাম অাঁধার লুকানো রাতে
চলেছেন তিনি নগ্নতার আরক হাতে
সেই ণভঙ্গুর সময়ের বিনয়ী দাবানল ওয়াইন
ভেঙ্গে চলেছেন ুদ্র দেবদারু অথবা নিভর্ুল নিশ্চিত পাইন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

