আমি ছিলাম ব্যস্ততাহীন চৌরাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা নিমগ্ন মর্মর স্মারক
যার বিমর্ষ স্রোতহীন একাগ্রতায় রং লাগাতো
ছুটে যাওয়া ট্রাক-চালক
এবং প্রতিবেশী ভাষ্কর্যদের ধারালো ভ্রুকূটীর সাঁরি
কাঁপিয়ে দিত ভিত্তিমূল, ঘুড়িয়ে শাসনের ছড়ি
আর আমি জ্ঞানী,নির্বিকার পতিতার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অনভিজ্ঞ প্রথম তরুনের মত
পালাতে চাইতাম ত্রস্ত শঙ্কায় ছাড়িয়ে জামা-জুতো
যদিও দেহশীর্ষের একনায়ক মহারাজের ঘোলাটে সোনালী শর
গেঁথে দিত সেই চৌরাস্তায় সঙ্গে সিসিফাসের বর
অত:পর আদিম অপরাধের পরিচিত বোঝাটিকে কোমরবন্দী করে
গড়াতে থাকতাম বিপণ্ন সড়কে পাঘাতের জ্বরে
ইতমধ্যে মহাসড়কের মহাপুরোহিত বাস্তবতা এসে
অনুভূতিহীন অন্ডকোষে লাথি লাগাতো কষে
এবং আমি প্রথম জরায়ু হতে ধার করা নির্বিকারের সাথে
হাত রাখতাম পরম মমতায় অভিমানী পাঘাতের হাতে
আর ঝাকুনি খাওয়া ত্রস্ত বোঝাটিকে আরও শক্ত করে বেধে
গলায় ঢালতাম ধোঁয়াওঠা সু্যপ চাঁদের আলোয় ঁেরধে
তখনো; বুট বঠি বল্লম খোঁচানো তখনো
আমি ছিলাম ডুবে যাওয়া রণতরীর প্রায় য়ে যাওয়া নোঙ্গর
যার দূর্বোধ্য বর্ণের দুর্বল কাঠামোয় দাঁত শানাতো
পথচারী সাদা হাঙ্গর
এবং একদা সহকর্মী সবল শেকলের ভঙ্গুর অবশেষের শ্রেণী
দীতি করতো ধারক প্রবালকে শুনিয়ে অমর বাণী
তখনো; নিস্তরঙ্গ অধপতনের নিথর শান্তির তখনো
ঠিকাদারী দরজার কৃপণ ছিটকিনির মত শিউরে উঠেছি
মনোজাগতিক বিভীষিকার আগমনী পদপে শুনে
যেভাবে আতংকিত হয় মেয়াদ উত্তীর্ণ আমলার স্রীরা
শুকাতে দেয়া শার্টের অপরিচিত মিষ্টি ঘ্রাণে
এরপর তাদেরই মত পার্লারে ছুটে গেছি করতে স্তন টানটান
যেভাবেই হোক মুছে ফেলতে হবে এই অবিশ্বসী আগ্রসী ঘ্রাণ
অথচ নিখুঁত জ্যামিতির বিদ্ধংসী পিরামিডের সফল ইমপ্লান্টের জোরে
বহু আকাঙ্খিত ব্যার্থ বলয়টি পারিনি রাখতে ধরে
এখন জরায়ুজ উৎপাদনের চঞ্চল প্রাণীটির সাথে স্কুলে স্কুলে হেঁটে
পাকস্থলি পূর্ণ করি অঢেল সময়ের বিস্বাদ পনির কেটে
এবং উদ্বেগহীন নগ্ন প্রকাশের ভোঁতা অভিসারে
রাত কাটাই সুরম্য করে নিস্তেজ অন্ধকারে
তখনো; পিষ্ট,মথিত,কেদাক্ত অথর্বতার তখনো
কোন ক্রমেই বুঝে উঠতে পারিনি এই দূর্গম গরল ভাষা
হয়তো চীরকালই রয়ে যাব নিরর
হয়তো নিরর্থকতার শ্লেটে অাঁকবো প্রতিবন্ধী ছবি
হয়তো তাই প্রবল বিস্তারে টিকে থাকবে কেবল
পতাকা গাড়ার প্রাগৈতিহাসিক বুনো আশা ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

