* কাটা ঘায়ে আয়োডিনযুক্ত নুনের ছিটাঃ অবশেষে শুরু হল ভয়াবহ সেকেন্ড প্রফ। তাঁর উপর আবার একদিন পর পর পরীক্ষা। কোন বোর্ডের পরীক্ষা যে একদিন পর পর হয়, মেডিকেলে না আসলে জানতামই না। আসল বইয়ের কথা তো বাদই দিলাম। যে গাইড পড়ে এক্সাম দিচ্ছি, ওগুলাই ৭০০-৭৫০ পেজের। একদিনের মাঝে পুরাটা রিভাইস কেমনে দিব- এই চিন্তা কইরা পড়া দিসি কমাইয়া! এখানে ডাক্তারি পড়তে আসছি, সাঁতার না জেনে সমুদ্রে ডুব দিতে না। : /
* তার উপর মরিচ বাটাঃ বিশ্বকাপের খেলা মজারগুলা শুরু হল এখন। অদ্ভুত! যে খেলাগুলা বোরিং হবে ভাবসিলাম, ওগুলাই দেখি কাঁপায়া মজা দিতেসে। আকাশে-বাতাসে খালি বিশ্বকাপ নিয়ে আলোচনা।(লিটারেলি, ঘরে ঘরে আকাশে টাঙ্গানো –বাতাসে ওড়ানো পতাকা) এর মাঝে এক্সামে মন বসে?
* এর উপর লেবুর রসের ফোঁটাঃ শতাব্দীর সেরা রোমান্টিক ওয়েদার দেখতেসি কয়েকদিন ধরে। সারাদিন আকাশ ধূসর হয়ে থাকে। থেমে থেমে ড্রিযলিং। ঘরের ভিতর ভর দুপুরেও লাইট জ্বালিয়ে রাখতে হয়। এর মাঝে পড়তে কার ভাল্লাগে রে ভাই!!
* তার মধ্যে গরম পানির ছ্যাঁকাঃ কয়েকদিন ধরে মাথা বন বন করে ঘুরতেছে ক্যান জানি। এক্সামের টেনশনে নাকি উইকনেসের কারণে কে জানে! সেহেরি-ইফতারির টাইমে দুই বেলা স্টেমেটিল-সিনারন খেয়েও লাটিমের মত চক্কর দিতেছি। ফার্মাকোলজি এক্সাম দিয়ে আসলাম একগাদা ওষুধ খেয়ে! আহ! কী আইরনি! তার উপর রোযা রেখে ইফতারির পর তো নিজেকে পেপারওয়েট মনে হয়। কোন মতে পড়া বন্ধ করে বালিশের উপর মাথা এলাইয়া দিতে পারলে বাচি!
লাইফের সবচেয়ে ভয়াবহ দিন কতগুলা পার করতেছি!
ডাক্তার হওয়ার জন্য সব কিছু সয়ে যাচ্ছি।
মানুষের মুখে ‘কসাই’ ডাক শোনার জন্য সব কিছু সয়ে যাচ্ছি।
‘আর কত দূর, আর কত দূর, বল মা!!’
ফেসবুক লিঙ্কঃ Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





