[সুরা আল-মুমিনুন, ১১৫]
বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা তো শেষ। এবার আসুন একটু দৃষ্টি ঘুরিয়ে যেখানে নিষ্পাপ মানুষের জীবন নিয়ে খেলা হচ্ছে- সেদিকে তাকাই। এখানে আমি ফিলিস্তিনের কট্টর সাপোর্টার। আপনি??
আসুন, সবাই ছবি, স্ট্যাটাস শুধু শেয়ার না দিয়ে এই রমযান মাসে তাদের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করি। because, after all, it matters…
“যদি তোমরা কোন অন্যায় করতে দেখ, তবে হাত [শক্তি] দিয়ে তা প্রতিহত কর।
যদি শক্তি দিয়ে প্রতিহত সম্ভবপর না হয়, তবে মৌখিক ভাবে প্রতিবাদ কর।
যদি মৌখিকভাবে প্রতিবাদ করা সম্ভবপর না হয়, তবে অন্তর দিয়ে সেটাকে ঘৃণা কর।” (আল হাদীস)
আমরা সত্যিকার অর্থে কাপুরুষ। এজন্য, প্রতিবাদ করতে পারিনা। তবে, আর কিছু না পারি আর না পারি, মনে মনে তো ঘৃণা করি। কিন্তু তবুও তো ঘৃণা করা উচিত। নাকি?
মূলত এ উদ্দেশ্যেই ফেসবুকে, ইভেন্ট, পেজ, ছবি, স্ট্যাটাস, প্রপিক, কভার ইত্যাদি করা। আর কিছু নয়।
তবে, আমরা কাপুরুষের চেয়েও আরো এক ধাপ নিচে। কেননা, অন্যায়কে ঘৃণা করলেও আমাদের সেখানে লাভ-লোকসান খুঁজতে হয়। আহ! আফসোস!! হয়তো অনেকেই এটা অহেতুক অসার ভাবছেন। জানি, এতে ফিলিস্তানি ভাই-বোনদের হয়তো বা কোন লাভ হবে না। কিন্তু, অন্তত, আমি-আপনি তো জানলাম, আমরা ইসারাইলি হামলার বিমূর্ত প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমাদের ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা আমাদের বিদেশি ফ্রেন্ডরা বিষয়টা নিয়ে দেখছে, ভাবছে। আমরা জানছি, ভাবছি। ভেবে দেখুন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে যদি কোনভাবে আমরা জানতে পারতাম, কোন এক বিদেশি বন্ধুরাষ্ট্রের অধিবাসীরা আমাদের সংগ্রামের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে, আমাদের কতটা ভাল লাগত! যেহেতু ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া বিষয়গুলো সেভাবে প্রচার করছে না, মাধ্যম নিজেদের হাতে তুলে নিলে দোষের কি তাতে? সোশ্যাল মিডিয়া যদি এই কাজে না হয় তবে কোন কাজে শুনি??
ওয়ার্ল্ড কাপ উপলক্ষে আমরা ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা-জার্মানি-স্পেন-ইতালি সাপোর্ট করেছি। তাদের ছবি, গুণগান শেয়ার দিয়েছি। তাতে কি ওই দলগুলার কোন লাভ হয়েছে? প্রতি ম্যাচে একটা করে পয়েন্ট বেড়েছে? নাকি খেলোয়াড়দের দুই টাকা কামাই হয়েছে? নাকি আমরা দুই টাকা লাভ করেছি? কিছুই হয়নি। কিন্তু, তবুও আমরা করেছি। সাপোর্ট করেছি। খেলা দেখে কেঁদেছি, তর্ক করেছি, মজা পেয়েছি। তখন কোথায় ছিল আপনাদের লাভ-লোকসানের হিসাব?
এজন্য সব জায়গাতে কন্সিকিউয়েন্স-প্রফিট-গেইন বিচার করলে চলে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আবেগ দিয়ে চলতে হয়। হাজার হোক, যে যত যাই বলুক, মানুষ ইমোশনাল প্রাণী। মনে মনে একটা বিষয় আপনি ঘৃণা করলেন। আপনার ফ্রেন্ডকে জানালে তাতে কী ক্ষতি?
তবুও, যদি অনেকের খাউযানি উঠে তাদের বলব, গোপনে চুলকান। অন্যকে জানাতে হবে না। কেননা, আপনার ফ্রেন্ডলিস্টে সবাই একরকম হবে না। সেজন্য, অনেকের মত শুনেই আপনাকে বাচতে হবে। হয়তো, আপনার ওটা পছন্দ হতে হবে এমন কোন কথা নাই। কিন্তু, অন্যদের তো মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে, নাকি??
“I disapprove of what you say, but I will defend to the death your right to say it. Think for yourselves and let others enjoy the privilege to do so too” (ভলতেয়ার)
পুনশ্চঃ শুনলাম, সরকার ও প্রাক্তন বিরোধীদল নাকি ফিলিস্তানিদের উপর ইসরাইলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ করেছে। বিষয়টি যদি সত্যি হয় সাধুবাদ জানালাম...
#SavePalestine
#Stop_Genocide_in_GAZA
ফেসবুক লিঙ্কঃ
Click This Link
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুলাই, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




