somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভালোবাসার শেষের শুরু

১৩ ই জুন, ২০১৬ রাত ২:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



তুমার আমার সম্পর্কে ভালোবাসাবাসি বলবো কি না ঠিক বুজতেছি না।সম্পর্ক যে একটা আছে তাহা নিয়ে সন্ধেহ নাই। সেটাকেই ভালোবাসা ধরে সম্বন্ধ করলাম............
প্রিয়া,
এখন রাত বাজে ২ টা ৩৭, তোমার ঘড়িতে কত বাজবে? মিনিট চারেক বেশি কিংবা কম? আমার জানামতে বেশি হওয়ার কথা। সময় জ্ঞান আমার চেয়ে ঢের বেশি তোমার। শেষ যেই দিন কথা হয়েছিল তুমি বারবার ঘড়ির দিকে তাকাচ্ছিলে যেন একটা সেকেন্ড এদিক ওদিক হওয়া মানে সমুদ্রের পানির উচ্চতা মিটার পাঁচেক বেড়ে যাওয়া, আর সেই পানিতে তোমার কোন শখের কিছু তলিয়ে যাবে। আচ্ছা জীবনে কি সমুদ্রের পানির উচ্চতা বাড়ার প্রভাব অনেক বেশি? তাইতো এই ব-দ্বীপটা তলিয়ে গেলে কিইবা হবে?
শেষ কয়েকটা দিনে আমি বেশ বুড়ীয়ে গেছি। আমার মনের উঠানের প্রতিটা জায়গা এখন পতিত জমিতে পরিনত হয়েছে। ভয় পেয়না তুমাকে আজ দোষী করার জন্য লিখতেছি না। আমি বিশ্বাস করি তুমি আমাকে অনেক ভালোবাসো কিন্তু সত্য বলতে তা আজ আমি আর অনুভব করতে পারি না। বিশ্বাস কর আজকাল নিজের ভিতরে থাকা মিকায়িলের জারজ সন্তানের উপর খুব ঘৃণা হয়,কারন আমার ভিতরে থাকা মাংসশাসি পশুর স্বভাবকে আমি সেদিন কেন পরিবর্তন করতে পারি নাই?? আর আমার ভালোবাসা-- আমি তুমাকে তা অনুভব করাতে ব্যার্থ হয়েছি।তুমার অনুযোগ বা অভিযোগ ছিল আমি অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছি। বিশ্বাস করো আমি আজো কাঁদতে জানি!!! আমি জানি না ভালোবাসার জন্য কি কি যোগ্যতা থাকতে হয়!! জানি না এর বর্ণমালা কি হয়!! শুধু জানি ভালোবাসি। কেন জানি আজকাল তোমার সাথে কথা বলার পর নিজেকে খুব ঋণী মনে হয়,আসলেই আমি ঋণী তোমার কাছে।একজন অমানুষকে যে কিভাবে ভালবাসতে হয় তা তুমি আমায় ভালোবেসে প্রমাণ করেছো!!!!

একবার তুমি খুব কান্না করেছিলে আমার সামনে, মনে হয়তো নেই তোমার। তোমার অদ্ভুত সুন্দর চোখ দুটো যখন লাল টকটকে হয়ে ছিল, কতটা অসহায় কিন্তু অদ্ভুত রকমের সুন্দর দেখাচ্ছিল তোমায় তুমি কল্পনাও করতে পারবে না। ঐদিনই একটা মোহে পরে গিয়েছিলাম। আমার এই ছোট্ট জীবনে আমি তোমার চোখের প্রেমে যতবার পরেছি তার অর্ধেকবারও যদি আমার অনার্স জীবনের একটা পাঠ্য বইয়ের প্রেমে পরতাম তাহলে নির্ঘাত এত দিনে ঐ বিষয়ে আমার একটা বই বের হয়ে যেত। হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ......
খুব ইচ্ছে হয় তুমার আধো আধো কথা গুলা আর একবার শুনি কিন্তু.........বিধি বাম। তোমার ভালোবাসার কষ্টগুলো এখন আর আমায় হাঁসায় না।
হয়তোবা অনুভূতিগুলো ভোঁতা হয়ে গেছে।আর তোমার প্রতি আমার অভিমানগুলো,তা আমি কত আগেই তুলো বানিয়ে উড়িয়ে দিয়েছি দূর আকাশে। তবে আমার প্রতি তোমার মায়াটা রয়ে গেছে এখনও,যা উইপোকার মত কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে আমাকে।
জানো আমি না আজ মারা গিয়েছি। ভয় পেয়ো না, মৃত্যুটা আমার অনুভবের, আমার ভালবাসার, মৃত্যুটা তোমাকে কাছে না পাওয়ার। তবে এর জন্য আমি তোমাকে দায়ী করব না ভালবাসার মানুষদের অপরাধী করতে নেই। তাদের শুধু ভালবাসতে হয় মন ও আত্মার সবটুকু দিয়ে। আজ অনেক কিছু বলে ফেললাম। মনটা আবার খারাপ হয়ে যাচ্ছে। চোখের কোণে কিছু লোনা পানির অস্তিত্ব টের পাচ্ছি। তোমার প্রতি আমার অনুরোধ কখনও মন
খারাপ করো না কেমন..! আর অন্তত আমার জন্য তোমার চোখের জল ব্যয় করো না।হয়তো তোমার চোখের জল পাওয়ার যোগ্যতাটুকুও আমার নেই।
আমি জানি না এই গল্পের শেষটা কেমন হবে তবে একটা কথা বলি নিজেকে খুব পাপি মনে হয়,মনে হয় আমি নিজের হাতে নিজের ভাগ্যকে হত্যা করেছি । একটা অনুরোধ প্লিজ তোমার ঐ চোখে হাসি রেখ যেন আমি দূরে বসে দেখতে পারি !!!!!!!!!!!!!!
ইতি
*অমানুষ*
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুন, ২০১৬ রাত ২:৩৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জন্মগ্রহণ কি আজন্ম পাপ?

লিখেছেন এম ডি মুসা, ২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬



রাষ্ট্রের নিরাপত্তা আছে, জনগণের নিরাপত্তা কোথায়?

বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কি নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকারটুকুও আমাদের নেই? সরকার ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তায় গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকে। কিন্তু সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনেকটা পথ হেঁটে এসেছি

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:০৫




১৯৯৭ সাল।

আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়ি।

স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মামুন ভাইয়ের একটা অডিও ক্যাসেটের দোকান ছিল। পাশেই মির্জা ভাইয়ের কনফেকশনারি। টিফিনের সময় ওখানে প্যাটিস খেতাম।

সেই সময় অডিও ক্যাসেটের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশটাতো এখন রাজাকারদের....

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৮




একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বাদী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী (৮৭)। মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়ার প্রস্তুতি চলার সময় জামাতের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝর্ণা জল

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:২১


আমি ব্যস্তবতা দেখি
পানকৌড়ির সাঁতার-
কল্পনায় শুধু স্বপ্ন আঁকি,
মধ্যবিকাল ঢেউ তোলা সাগর
হতাশা ডিঙিয়ে যায়- নিরিবিলি
রাত দুপুরের বাসর।

উড়ে ধোয়া, নিঃশ্বাসে সাদা বক,
খেলা করে যে, প্রণয়ের চক-
নীল মেঘ ভীর জমায়, বর্ষা কাঁদাময়,
ভোরের ক্লান্তি দেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×