... প্রায় ৮ দশক আগের কথা, বাংলাদেশ কিংবা ভারত তখনও সৃষ্টি হয়নি। কলকাতা হাইকোর্টে চলছিল এক জটিল মামলা, যাতে লড়ছিলেন এই উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ আইনজীবীদের একজন...
.... তো মামলা চলার সময় তিনি আকস্মিক উত্তেজিত হয়ে তার অধস্তন অন্য এক আইনজীবীকে এজলাসের মধ্যেই চড় দিয়ে বসেন! অপরাধ ছিল তিনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিকসময়ে উপস্থাপন করতে পারেননি...
.... তার ২০ বছর পরে কোনো এক দিনে আবারো দেখা হয়ে যায় দুজনের। সেদিনের সেই অধস্তন ব্যক্তিটি তখন ভারতবিখ্যাত এক ব্যক্তিত্ব। দেখা হওয়ার পরে তিনি সেদিন বলেছিলেন,
“স্যার, ম্যায় খুশ নসিব হু যো আপনে মুঝে উসদিন সবক দিয়া।” অর্থাৎ “আমি সৌভাগ্যবান যে, আপনি সে দিন আমাকে শিক্ষা দিয়েছিলেন।”
মনে কি প্রশ্ন জাগছে যে, উপরের ঘটনার দুইজন ব্যক্তি কে? তাদের পরিচয় কি?
...তাহলে শুনুনু...
... চড় খাওয়া যে লোকটি ২০ বছর পর ভারত বিখ্যাত ব্যক্তিত্বে পরিণত হওয়ার পরেও সেদিন বিনয় দেখিয়েছিলেন তিনি হলেন স্বাধীন ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি ডক্টর রাজেন্দ্র প্রসাদ...
... আর যিনি চড় মেরেছিলেন তিনি? তিনি আর কেউ নন, তিনি বাংলার বাঘ খ্যাত, উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আইনজীবী, জনদরদি, রাজনীতির প্রোজ্জ্বলতম জ্যোতিষ্ক শেরেবাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক...
...শুভ জন্মদিন গনমানুষের নেতা...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


