সাল ৩০১৬। ঢাকা শহর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।মানুষ যে কয়েকজন বেঁচে আছে তারা দ্বিধায় ভুগছে শহরের উপর দিয়ে যা হয়ে গেছে একেই কি কেয়ামত বলে উল্লেখ করা হয়েছে কিনা পবিত্র ধর্ম গ্রন্থে।কেয়ামত মনে হতেই পারে কারন শুধু ঢাকা শহর না পুরো পৃথিবীই প্রায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।প্রানের স্পন্দন প্রায় নেই বললেই চলে।সূর্য দেখা যাচ্ছে না দিনের পর দিন।সারা পৃথিবীতে মানুষ বেঁচে আছে খুবই অল্প কিছু।এই ঢাকায় হয়ত সর্বোচ্চ দুই তিনশ মানুষ বেঁচে আছে। প্রানি জগতের বাস্তু ব্যবস্থা নেই বললেই চলে।ঠিক এই রকম পরিস্থিতিতে টাইম ট্রাভেলের মাধ্যমে অতীত থেকে এক যুবক এসেছে এই শতাব্দীতে।এসে পুরো পৃথিবীর অবস্থা দেখে সে রীতিমত হতাশ। এত তাড়াতাড়ি পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে সে কল্পনাও করিনি।ঢাকা শহর দেখে তার বেশি কষ্ট লাগছে।সে নিজে ঢাকা শহরের বাসিন্দা।সেখান থেকেই এসেছে টাইম ট্রাভেল করে।দাঁড়িয়ে আছে ধ্বংস হয়ে যাওয়া এক বিপণী বিতানের সামনে। নিজের ভবিষ্যৎ কর্তব্য নিয়ে কিঞ্চিৎ চিন্তিত আর ঠিক তখনই এক সময়ের ব্যস্ত শহর ঢাকার খুব জনবহুল এক রাজপথের ধ্বংসাবশেষের মাঝ থেকে ক্ষীণ একটা আওয়াজ পাওয়া গেল হঠাৎ।শব্দ গুলি বোঝা যাচ্ছে না পরিষ্কার ভাবে।৭০%...... স্টার……৩০০…..
কান খাঁড়া করেও শব্দগুলিকে ঠিক ধরতে পারছে না যুবক।একটু এগিয়ে যাওয়ার পর সে পরিষ্কার শুনতে পেলো এবং নিজের কান কে বিশ্বাস করতে পারছিলো না সে কিছুতেই।কথা গুলি শোনার পরপরই হার্ট অ্যাটাক করে মারা গেলো সে।যুবক মারা গেলেও শব্দগুলি তখনো ভেসে আসছিল ক্রমাগত ভাবে -
“স্টার এনার্জি লাইট,এখন ৩০০ টাকার লাইট মাত্র ১০০ টাকায়,কোম্পানির প্রচারের জন্য ৭০% ডিসকাউন্ট, সঙ্গে পাচ্ছেন ৬ মাসের গ্যারান্টি!!!
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ দুপুর ২:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




