গতকাল হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের গভীর অরন্যে বিপুল পরিমান অস্ত্র উদ্ধার উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবারও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে নতুন করে আরও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। দু’টি পাহার থেকে উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ কোন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের কি-না তা এখনও যানা যায়নি।
।আজ দুপুরে সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন র্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান। তিনি জানান, মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত সাতছড়ি গভীর অরণ্য থেকে মেশিনগান ৪টি, মেশিনগানের গুলির ব্যারেল ৫টি, গুলি ১২ হাজার ৯শ’ ৮৭টি, রকেট লাঞ্চার ১টি, ৪০ মিলিমিটার রকেট গোলা ২২২টি, রকেট চার্জার (যা দিয়ে ফায়ার করা হয়) ২৪৮টি।
ত্রিপুরা পল্লী ও পার্শ্ববর্তী পাহারে অভিযান চালিয়ে ৭টি বাংকার খনন করে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। তবে অস্ত্রগুলো সচল কি-না, এগুলো কোন দেশের তৈরী, কত সালে প্রস্তুতকৃত এসব প্রশ্নের উত্তরে তিনি কিছু বলতে পারেননি।
ব্রিফিংকালে র্যাব মহাপরিচালক মোখলেছুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ২টি মামলা দায়ের করা হবে। একটি অস্ত্র ও অপরটি বিস্ফোরক আইনে। তদন্তের পরই এসব প্রশ্নের উত্তর বেরিয়ে আসবে। অভিযানকালে সুরেষ দেব বর্মার মালিকানাধীন একটি বাংকার থেকে কিছু ঔষধপত্র এবং সম্ভূ দেব বর্মার মালিকানাধীন আরেকটি বাংকার থেকে পলিথিন, সেলাই মেশিনসহ বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা এটিতে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের পোশাক তৈরী করা হতো। যা সেনাবাহিনীর পোশাকের আদলে।
অভিযানের শুরু থেকেই ত্রিপুরা পল্লীর বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বেশীর ভাগ বাড়িতেই কেউ নেই। বাড়িগুলোর বাসিন্দা পুরুষ, মহিলা, শিশু সবাই পালিয়ে গেছে। জনশূন্য হয়ে পড়েছে পুরো পাহাড়ি এলাকা। কিন্তু জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে--- যখন র্যাবের কর্মকান্ড নিয়ে চলছে নানা বিতর্ক।এর মাঝে র্যাবের সাফল্য মিডিয়ায় উপস্থাপন নতুন কিছুর ইঙ্গিত বহন করছে না তো!!!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



