somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিশ্বের সবথেকে দামী দশটি বাইক এবং এর গতি,মূল্য ও ক্ষমতা দেখে নিন

২৩ শে মে, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
দশ থেকে এক এভাবেই শুরু করা যাক?


১০ম: এমটিটি টার্বাইন স্ট্রিট ফাইটার: তালিকার দশ নম্বরে থাকা এই বাইকটির টপ স্পিড- ২০০ মাইল প্রতি ঘণ্টা। ৪২০ হর্স পাওয়ারের এই সুপার বাইকটির দাম প্রায় ১,৭৫,০০০ ডলার।


৯মঃ ডুকাটি টেস্টা স্ট্রিট্টা এনসিআর: তালিকার ন’নম্বরে থাকা এই বাইকটির টপ স্পিড- ৪০০ মাইল প্রতি ঘণ্টা। ১৮৫ হর্স পাওয়ারের এই সুপার বাইকটির দাম প্রায় ২,২৫,০০০ ডলার।


৮মঃ ডুকাটি ডেসমোসেডিসি ডি১৬আরআর: তালিকার আট নম্বরে থাকা এই বাইকটির টপ স্পিড- ২০০ মাইল প্রতি ঘণ্টা। ১৯৭.৩ হর্স পাওয়ারের এই সুপার বাইকটির দাম প্রায় ২,৩২,০০০ ডলার।


৭মঃ ইকোস টাইটেনিয়াম এফই টিআই এক্স এক্স: তালিকার সাত নম্বরে থাকা এই বাইকটির টপ স্পিড- ১৯৭ মাইল প্রতি ঘণ্টা। ২২৫ হর্স পাওয়ারের এই সুপার বাইকটির দাম প্রায় ৩,০০,০০০ ডলার।


৬ষ্ঠঃ ডজ টোমাহক ভি ১০ সুপার বাইক: তালিকার ছ’নম্বরে থাকা এই বাইকটির টপ স্পিড- ৩০০ মাইল প্রতি ঘণ্টা। ৫০০ হর্স পাওয়ারের এই বাইকটির দাম প্রায় ৫,৫০,০০০ ডলার।


৫ম: হার্লে ডেভিডসন কসমিক স্টারশিপ: তালিকার পাঁচ নম্বরে থাকা এই বাইকটি বহু বিখ্যাত হলিউড এবং বলিউড নায়কদের স্বপ্নের তালিকায় রয়েছে। অনেক শৌখিন বাইকারদের পছন্দের তালিকার প্রথমেই রয়েছে এই সুপার বাইকটি। এর দাম প্রায় ১০,৫০,০০০ ডলার।


৪র্থ: ইয়ামাহা বিএমএস: তালিকার চার নম্বরে থাকা অত্যন্ত শৌখিন এই বাইকটির টপ স্পিড প্রায় ৫৮ মাইল প্রতি ঘণ্টা। ১৭০০ সিসি ডবল ইঞ্জিনের এই বাইকটির দাম প্রায় ৩০,০০,০০০ ডলার।


৩য়: ইকোস স্পিরিট: তালিকার তিন নম্বরে থাকা এই সুপার বাইকটির টপ স্পিড প্রায় ২৩০ মাইল প্রতি ঘণ্টা। ২০০ হর্স পাওয়ারের তিনটি ইঞ্জিনের এই বাইকটির দাম প্রায় ৩০,৬০,০০০ ডলার।


২য়: ১৯৪৯ ই ৯০ এজেএস পর্কুপাইন: তালিকার দু’নম্বরে থাকা শৌখিন এই বাইকটি বিগত পাঁচ দশক পেরিয়েও অনেক প্যাশনেট বাইকারদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে, ৫০০ সিসি-র এই বাইকটির দাম প্রায় ৭০,০০,০০০ ডলার।


১ম: ফাইটার: নেইম্যান মার্কাসের লিমিটেড এডিশনের এই বাইকটি বিশ্বের সবচেয়ে দামী দশটি বাইকের তালিকার এক নম্বরে রয়েছে। বাইকটির টপ স্পিড প্রায় ২৩০ মাইল প্রতি ঘণ্টা। এই সুপার বাইকটির দাম প্রায় ১১০,০০,০০০ ডলার।

ছবি, দাম, নাম, মূল্য সবই ইন্টারনেট থেকে নেওয়া।
আজ এ পর্যন্ত থাক
আবার দেখা হবে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মে, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৫২
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রচন্ড রোদে

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০০

প্রচন্ড রোদে
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

রূপসী এদিক ওদিক কী খুঁজো
মনের মতো কাঙ্ক্ষিত পুরুষ
এভাবে সোনালি কতোদিন বিনষ্ট করবে
আমায় একটু ভেবে দেখো।
শূন্য হৃদয় নিয়ে কেঁদে মরি
কেউ নেই পাশে, গেছে সবাই ছাড়ি।
দরিদ্র বলে জুড়েনি তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

জেফরি আর্চারের জগৎ বিখ্যাত উপন্যাস ‘A Prisoner of Birth’ এবং অন্যান্য প্রসঙ্গে....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৩৭


ছবিতে আমি, মারুফ জামান এবং লেঃ কর্নেল রাজীব।
জেলে থাকতে জেফরি আর্চারের (Jeffrey Archer) লেখা ‘A Prisoner of Birth’ বইটির পড়ার জন্য বলেছিলেন ক্যাপ্টেন (চাকুরিচ্যুত) খন্দকার রাজীব... বইটি সম্পর্কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কো রুবিও ভারতে কী করছেন?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২২


আওয়ামী দোসর নবনীতা আপার মতে, মার্কো রুবিও ভারতে গেছেন শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ব্যবস্থা করতে। ডিসেম্বর মাসে যাতে শেখ হাসিনা ট্রাভেল পাস নিয়ে দেশে ফিরতে পারেন, সেই আলোচনা করতেই নাকি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সুন্দর সর্বনাশ

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:২১



সবকিছুই পাওয়া যায় এখন বিপণনের কল্যাণে,
বিপনি বিতানে বিতানে;
চাইলে কিনে নিতে পারো লালনীলহলুদ মনও!

মন চাইলে পোষ মানাতে পারো বনের অবাধ্য পশুও;
শুধু পোষ মানাতে যেও না মানুষ;... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগের পর-

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০৮



সময় তখন ১৯৫০ সাল।
ওমর আলীর জ্বর এসেছে। জ্বর নিয়েই তিনি পত্রিকা পড়ছেন। দীর্ঘদিনের অভ্যাস। টারজান গিয়েছে বাজার করতে। এর আগেও টারজান বেশ কয়েকবার বাজার করেছে। বাজার করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×