somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সেলিনা জাহান প্রিয়া
আমি সেলিনা জাহান প্রিয়া , জন্ম পুরান ঢাকা, নাজিরা বাজার , নানা বাড়িতে ।বাবার বাড়ি মুন্সী গঞ্জ , বড় হয়েছি ঢাকা ।স্বামীর বাড়ি কিশোরগঞ্জ ।ভাল লাগে ঘুরে বেড়াতে , কবিতা , গল্প , উপন্যাস পড়তে অজানাকে জানতে । ধর্ম বিশ্বাস করি কিন্তু ধর্ম অন্ধ না ।

ধারাবাহিক গল্প @ অ-মানব # ৩১ তম পর্ব

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


মিতা সকাল থেকে কাজ নাই । ছাদে গিয়ে বসে আছে । পারু এসে বলল মিতা আমার একটা কাজ করে দে। অ-মানব কে একটু ডেকে দে।
—- আপা অ-মানব মনে হয় একটা ভুত । বা তার সাথে জিন আছে । দেখুন আম্মা জানকে দিয়ে কি সুন্দর করে রান্না করাচ্ছে । খালু জান কে দিয়ে বাগান পরিষ্কার করাচ্ছে । আর আমাকে বলে কি ?
—- কি বলে তোকে শুনি ।
—- বলে আমি নাকি কাজ চোর । একটা মানুষ যদি সকাল থেকে শুধু হাটে তাহলে নাকি ৬০ মাইল আনন্দের সাথে হাটতে পারে । এই বাসায় আমার কোন কাজ নেই ।
——- আচ্ছা তুই আমার সাথে আয় । আর অ-মানব কে আমার রুমে ডেকে পাঠাও
—- আপা আপনি পারবেন না। ও খুব চালাক ।
—– আচ্ছা আগে আসুক ।
অ-মানব এসে বলল আপু আমাকে ডাকছেন ।
—- হ্যা তোমাকে ডাকছি । পারুর স্বামী দুলাল চেয়ে দেখছে ।
—- জি আপা বলুন ।
—- এখন তোমার কি কাজ ।
—- আপা কাজের কোন শেষ নাই । যাদের কাজের জ্ঞান কম তারা কোন কাজের খবর রাখে না। কারন কাজের খবর রাখলে যদি কাজ করতে হয় ।
—- তুমি অনেক বেশি কথা বল । বেশি কথা আমার একদম পছন্দ না।
—- আপা জি
—- বল এখন কি কাজ ।
—- আপা আপনার স্বামী কে পুলিশে দেয়া ।
—- মানে কি ?
—- আপনার স্বামী ভাল জানে ।
—- এই তুমি কি করেছ ।
—- দুলাল মিয়া চুপ ।
—- এই তুমি চুপ কেন ।
— আপা আমি বলি ।
—- না তোমাকে বলতে হবে না।
—- এই চুপ কেন । বল ।
— আচ্ছা অ-মানব তুমিই বল
—- রাতের বেলা মিতার ঘরে গেছিল ।
পারু একদম চুপ । বল কি ? অ-মানব ।
— আপা মিতার কোন দোষ নাই । সে ঘিমের মধ্যে ছিল। আমি শুধু একটা ঘুমের মানুষ কে চুমা দিতে দেখছি । অনেক রাত দেখি বারান্দার বাতিটা নিভে গেল ।
থাক আপা আপনি বেশি কথা বলা পছন্দ করেন না। আমি যাই
—- আরে অ-মানব । তুমি এই কথা আর কাকে বলেছ ।
—- আপনাকে প্রথম ।
—- একটু দাড়াও অ-মানব । এই নাও এখানে এক হাজার টাকা আছে ।
—- আপা আপনাদের মত মানুষের জন্য দেশ নষ্ট হয় । আপনি তাকে শাসন না করে
তার কি দরকার সেই দিকে খেয়াল রাখুন । আর টাকা টা আপনার স্বামী কে দেন
পুরুস্কার হিসাবে । এত ভাল কাজ যেন না করে , আপনার স্মমানের দিকে চেয়ে।
আমি এই কথা কাউকে বলব না। নিজের সংসার আর কাজের প্রতি মন দেন ।
না হয় আজ কাল স্বামী ছিনতাই হয় ।
অ-মানব ঘর থেকে চলে গেলে পারু কাদতে থাকে । দুলাল চুপ করে বসে থাকে কোন কথা বলে না। পারু বলে তুমি আগে থেকেই খারাপ । আমাকে ভালবাসার কথা বলে
তুমি আমাকে ঠকিয়েছ । আসলেই যাদের কাজের কোন যোগ্যতা নাই তারা খারপ
আর ভাল কাজের মানুষের ভুল ধরা । আমি আর আমার বাবার বাসায় থাকব না।
আমাকে কোথায় নিয়ে রাখবে চিন্তা কর । আজ যে ভুল করেছ । কাল যদি আবার কর
ভাই বোন মা বাবার কাছে মুখ দেখাতে পারব না।
রেবেকা বেগম পারুর কান্না শুনে ঘরে এসে বলে কি রে কান্না কেন ।
—- না মা কান্না করি নাই । জিবনে কোন দিন কোন কিছু না বল নাই ।
সব কিছুতেই হ্যা । আজ ভাবছি । জিবনে কিছু না বলার মানুষ থাকতে হয় ।
আমাকে কিছু কাজ শিখাও । লিখা পড়া তো অনেক করেছি । কিন্তু সংসার
কি টা শিখি নাই । দুলাল বলল মা আপনি ঘরে যান । আমি পারুর সাথে একটু
কথা বলি । স্বামী স্ত্রী মধ্যে শুরু হয় একটা নতুন ভুল বুঝাবুঝি ।
আমজাদ সাহেব খুব মজা করে গাছের বই পড়ছে । রেবেকা বেগম বলল তোমার
মেয়ে পারু আজ কান্না করছে ।
— কেন কি হল টাকা লাগবে ।।
— এই টাকা দিয়েই তো ছেলে মেয়ের মাথা নষ্ট করছ । কিছু একটা হয়েছে । কি হয়েছে টা পরিষ্কার না। তবে আজ মনে হয় মেয়েটা কথা বলা শিখেছে । এখন যদি
কিছু হয় ।
জাফর সারাদিন শুধু অ-মানবের দিকে চেয়ে থাকে । আসলেই এটা মানুষ না। ভুত ।
মালি তো একদম চুপ কারন তার কোন কাজ নেই । গাড়ি চালক মিতা কে খুব পছন্দ করে । মিতা আলি কে দেখতে পারে না। তাই আলির মনে খুব কষ্ট । অ-মানব
কারো সাথে কোন কথা বলে না দরকার ছাড়া । আমজাদ সাহেবের জন্য চা নিয়ে
অ-মানব আসে ।
— আমজাদ সাহেব চা হাতে নিয়ে বলে । এই মাত্র আমার চা খেতে ইচ্ছা করছে আর তুমি নিয়ে এলে ।
— স্যার আপনি যদি মন থেকে কাউকে ভাল বাসেন দেখবেন তার যে কোন কিছু
আপনি বলার আগেই সে জেনে যাবে ।
— রেবেকা বেগম বলে তুমি এই বাসায় আজ এক মাস হল এসেছ । আমি এখন
তোমার স্যারের জন্য চা আনতে যেতাম । অ-মানব তুমি আমাকে যা শিখালে আমি খুব মুগ্ধ । রান্না বাজার আর টাইম মেনে সব পরিকল্পনা করা । তোমার স্যার
বলে তুমি নাকি জাদু জান ।
—- অ-মানব হেসে বলে আম্মাজান আপনি মেয়েদের কাজ শিখান ওদের রুটিন করে দেন । আমার কাছ থেকে রান্না আর ঘরের কাজ শিখে নিতে । তাতে তাদের জীবন
সুন্দর হবে । আমজাদ সাহেব বলে রেবেকা তাই কর ।
বাসার এখন দুই মেয়ে অ-মানবের সাথে রান্না শিখে ।। মিতার হাতে ঘড়ি সে টাইম দেখে কাজ করে ।
অ-মানব আমজাদ সাহেব কে নিয়ে বাগানে কাজ করে । মালির কোন কাজ নেই ।
অনেক রাত দুলাল মিয়া চুপ করে আবার মিতা ঘরে যাওয়ার জন্য মিতার দরজার কাছে আসে । মিতা কে ঘুমের মধ্যে অন্ধকার রুমে জাবরে ধরে । মিতা ভাবছে এটা গাড়ি চালক আলি । মিতা বলছে আলি এটা ঠিক না। তুমি যাও কেউ দেখে ফেলবে ।
অ-মানব খুব শান্ত ভাবে পারুর রুমে যেয়ে পারুর পা ধরে ডাক দেয় । পারু ঘুম থেকে উঠে অ-মানব ভাই তুমি কি করে । অ-মানব হাতে ঈসারা দেয় চুপ করে তার সাথে আসার জন্য । পারু তার সাথে আসে । মিতা ঘর দেখিতে বলে জান । কিন্তু আজ তাকে ছারবেন না। আপনি মারবেন । আমি দুলাল কে ধরে রাখব ।
— মিতা বলছে আলি ভাই প্লিস । যান তো । পাগলামি করেন । আমি আপনাকে বিয়ে
করব । এখন যান । পারু ঘরের আলো জেলে দেয় । মিতা বোকা হয়ে দেখে পারু
আপুর স্বামী ।
—- পারু বলে কি রে মিতা দরজা না লাগিয়ে ঘুমাস কেন । কুকুর বিড়াল আছে
চার পাশে জানিস না। দুলাল কে দুই গালে দুই টা চর দেয় । সার্টের কলার ধরে
ঘরে নিয়ে যায় । অ-মানব বলে আপউ কিছু বল না। এটা একটা মানসিক রোগ
হতে পারে । ডাক্তার দেখাও । আর প্রথম দিনের পড় ভাল হবার কথা । আর অপরাধ করলে তার চেহারায় ভয় থাকত । আপনি কিছু মনে নিয়েন না। আর মিতা কে বলে
আসেন যে ভাবছে রাগ করে আপনি ঐ ঘরে গিয়েছিলান ।
মিতা কে ডেকে অ-মানব বলে এটা কাউকে বল না। জিবনে সব কিছু কাউকে বলতে
হয় না বোন । মিতা অ-মানবের হাত ধরে কাদতে লাগলো । অ-মানব মাথায় হাত
দিয়ে বলে পাগল আমি তোর আপন ভাই । যা ঘুমাতে যা।
অ-মানব এসে দেখে মেইন গেইট আজ তালা দেয় নাই জাফর । জাফর কে খোঁজতে
যেয়ে দেখে জাফর ভীমরুল খাঁ আলি আর একজন মানুষ মিলে ঘুমে । তারা যে রাতে তাস খেলেছে এটা বুঝা যাচ্ছে । অ-মানব গেইটের তালা মালির রুমে যেয়ে মেরে দেয় । আর মালির রুমের তালা গেইটে মেরে দেয় । অ-মানব ছাদে উঠে আকাশের দিকে চেয়ে তারা গণতে থাকে ।
রাজ সাহেব হটাত ছাদে আসে । তখন রাত তিনটা প্রায় ।
অ-মানব কে দেখে চেয়ে থাকে । কি করছে এই লোক ছাদে । কিছু বলতে যাবার
আগেই অ-মানব বলল রাজ ভাই আমরা এই বিশাল আকাশে ভেসে আছি । আমরা
কোথায় থেকে আসলাম কোথায় যাব কেউ জানি না। তবু আমাদের বেঁচে থাকার জন্য
কত চেষ্টা কিন্তু তার পড় ও আমদের চলে যেতে হয় । আমরা জন্ম নিয়েছি অন্য
অন্য মানুষের ইচ্ছায় । আমি যে জন্ম নেব টা আমি জানতাম না। আবার আমি কবে
মারা যাব তাও জানি না। আমাদের বলে কি আছে না জন্ম না মৃত্য । এই যে আপনি
সারা দিন ছবি তুলেন । একবার কি ভাবেন আপনি যে মা আপনাকে গর্ভে রেখেছে
তার প্রতি আপনার কিছু কর্তব্য আছে । আপনার বাবা কিছুই করে না। কিন্তু এত টাকা সে কোথায় পেল । কেন আপনার মা বাবা আপনার চাচা ফুফুদের কাছে যায় না। আপনি কি চান যে আপনি একদিন আপনার বাবার মতো ঘর কোনে মানুষ হয়ে যাবেন । আপনার বাবা মারা গেলে কি আপনি আপনার বোন রা আপনাকে কিছু
দিবে , আপনার বোন জামাইরা কেন আপনাকে কোন কিছুতেই কিছু বলে না।
—- রাজ আজ সত্যি অবাক হল অ-মানবের কথা শুনে । অ-মানব আমি কেন
তোমার মত করে ভাবতে পাড়ি না। আমি তো কোন দিন এমন করে চিন্তা করি নাই ।
—- চিন্তা কেউ করতে চায় না। কিন্তু এই চিন্তা তো আপনাকে দিতে হবে তাই না।
—- তুমি আসলে যা বলেছ সব ঠিক । কিন্তু আমার কাউকে ভাল লাগে না।
—- রাজ ভাই আপনি কি আপনার ভাল বাসার মানুষ টাকে আপনার কথা
বলে ছিলেন ।
—- হ্যা বলেছি , আর এই বিষয় নিয়ে চিন্তায় আছি ।
—- কি বলল আপনার ভাল লাগা আর ভাল বাসার মানুষটা ।
—- প্রথমে ভাবলো আমি ফান করছি । পড়ে আমি যখন বললাম সিরিয়াস ।
তখন বলল তুমি কি করবে রাজ ।
— আমি বললাম কি করার আছে । বাবার সম্পদ বাবা তার মেয়েদের দিয়ে দিবে
আমার কি করার আছে ।
— তখন মেয়েটা কি বলল ।।
—- তখন বলল আমাকে রাজ দেখ তাহলে তো তোমার সাথে রিলেসান রাখা যাবে না।
আমার আর যাই হউক টাকা ছাড়া চলতে পারব না।
— তাহলে মেয়েটা টাকার কে ভাল বাসে আপনাকে না। ঠিক ,
— ঠিক বলেছ অ-মানব । তা রাতে জেগে জেগে কি কর । তুমি
— আপনাদের মত মানুষের কথা চিন্তা করি ।।
— আচ্ছা আমি এখন কি করব অ-মানব ।
— যে যেমন তার সাথে তেমন । যে আপনার দুখের সাথী হবে সেই আপনার বন্ধু।
— রাইট । ঠিক বলেছ । চল অ-মানব আমার ঘরে । অনেক কথা আছে । আর তুমি
ঘুমাও কোথায় ।
—- যেই খানে ঘুমাই তা আজ মালি দারিয়ান , ড্রাইভার , আর একজন মিলে দখল ।
গেইট খোলা ছিল । আমি মালির তালা গেইটে আর গেইটের তালা মালির রুমে
আটকে দিয়েছি । এই নেন চাবি ।
রাজ হাসতে হাসতে বলল চল অ-মানব আমরা ঘুমাই । সকালে দেখি কে কি করে । চাবি যে আমার কাছে তুমি তা যান না। সবাই কে এক সাথে কালকে একটা ধুলাই দিমু
তাহলে মনটা পরিষ্কার হয়ে যাবে । অ-মানব আর এই বাড়ির ছোট ছেলে রাজ একসাথে হাসতে হাসতে ঘুমিয়ে পড়ে……………………।

চলমান———-
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:২০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমি কে? রাজাকার!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:০১



ভারতে দেশপ্রেমের সজ্ঞা কী? ভারতে একজন কট্টরপন্থীর দেশপ্রেম হলো প্রথমত পাকিস্তান বিরোধী হতেই হবে। দ্বিতীয়ত মুসলিম বিরোধী হতেই হবে। এই দুই ছাড়া কোনভাবেই সে ভারতকে ধারণ করেনা এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমার গল্পঃ মেঘের অনেক রং - যে মেয়েটিকে মেঘ বানিয়ে দেওয়া হলো

লিখেছেন রাজসোহান, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৭



সিনেমা শুরু হয় সবুজ দিয়ে। ওয়াইড ফ্রেমে পাহাড়, গা বেয়ে নেমে যাওয়া রাস্তা, আর রাস্তায় ছোট্ট একটা গাড়ি। ক্যামেরা কাটে গাড়ির ভেতরে। দুইজন মানুষ কথা বলছেন, নিতান্ত সাধারণ কথা। আবার... ...বাকিটুকু পড়ুন

খেলা ফাইনাল হয়ে যেতে পারে আগামীকাল ...

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:৪৮


আগামীকাল অপপ্রচারকারীদের খেলা ফাইনাল হয়ে যেতে পারে। গ্যাস আর বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারকে কাবু করার দিন ফুরিয়ে এসেছে। 'কাছিমের মতো গর্ত থেকে বের হয়ে' যারা এতদিন সরকারের... ...বাকিটুকু পড়ুন

নতুন ভোরের গান

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭


নতুন ভোরের গান



কষ্টের দিন পেরিয়ে এবার
আসবে আলোর গান,
নতুন দিনের নতুন সুরে
জাগবে সবুজ প্রাণ।

নষ্ট স্মৃতির আড়ষ্টতা
ঝরিয়ে দেবো অনেক দূরে,
নিজের মনেই ভালোবাসার
নূপুর বাজবে সুরে সুরে।



ভ্রষ্ট পথের আঁধার কেটে
ভোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগে চার বছর একদিন হয়ে গেল । কি আশ্চর্য!

লিখেছেন সামরিন হক, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭

অবজ্ঞা

তোমার বিশেষ ঘৃণা দ্বারা আক্রান্ত আমি
চারপাশ ঘিরে ফেলেছে ঘৃণারা আমাকে
আস্তে আস্তে গ্রাস করে নিচ্ছে আমাকে তোমার ঘৃণা
আমার কথা শোন
আমি কখনই মনুষ্যত্বের সীমা পার করিনি
কিন্তু তোমার ঘৃণায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×