আমাদের সমাজে মেয়েরা লাঞ্ছিত হয় বলে সবাই তাদের অশালীন পোষাক আর বেপর্দা হওয়াকে দোষ দিচ্ছি। কিন্তু ইসলাম কী শুধু নারীদের জন্যই পর্দার বিধান করেছে? অবশ্যই না। পুরুষদের প্রতি ও পর্দা রক্ষা করে চলা ফরজ করে দিয়েছে। কোন পুরুষ ও নাভী বের করে, নাভীর নিচে অথবা হাটুর উপরে কাপড় পড়া কিংবা হাতা বিহীন গেঞ্জি অথবা সবার সামনে খালি গায়ে থাকাও পর্দার ফরজ লঙ্ঘন। নারীদের জন্য দেহের যতো টুকু ঢেকে রাখা ফরজ পুরুষদের ও প্রায় কাছাকাছি বিধান রয়েছে। কই আজ পর্যন্ত শুনি নাই পুরুষ বেপর্দায় চলার জন্য কোন কেউ দোষারোপ করছে। নারীদেহের উলঙ্গ অংশ দেখে যদি পুরুষের চেতনা জাগে, তাহলে পুরুষদের অনাবৃত দেহ দেখেও নষ্ট নারীদের কিছুটা অনুভূতি জাগা স্বাভাবিক। পুরুষের খোলামেলা দেহ দেখে যদি কোন নারীর মনে কু প্রবৃত্তি জাগে তাতে কী পুরুষের পাপ হবে না? অবশ্যই হবে। ইসলামের ফরজ আইনগুলো নারী পুরষ উভয়ের জন্যই সমান। অপরিচিত যুবতী নারীদের সামনে খালি গায়ে দাঁড়াতে যদি পুরুষদের লজ্জা লাগে, যদি কোন নারী আপনাকে খালি গায়ে দেখে লজ্জায় দৃষ্টি নামিয়ে ফেলতে পারে, তাহলে পথে ঘাটে বেপর্দা নারীদের দেহের খোলা অংশ দেখে আপনার দৃষ্টি লজ্জায় নিচু হবে না কেন? লজ্জা শুধু নারীর ভূষন নয়, মুমিন পুরুষদের ও ভূষন। পথে চলার সময়ে যতোজন বেপর্দা নারীর দিকে চোখ পড়বে আল্লাহ'র ভয়ে দৃষ্টি নামিয়ে ফেলুন। আপনি যতোবার এভাবে নিজেকে সামলাবেন, আমার মনে হয় ততোবার আপনার আমলনামায় নেকী লেখা হবে। যার যার ইয়া নাফসী দুনিয়ায় বসেই করুন। যার যার কবরে সে সে যাবে, বিচারের দিন যার হিসাব সে দেবে। অর্ধ উলঙ্গ বেপর্দা নারী দেখে চোখ দিয়ে আমরা প্রতিদিন অসংখ্য ধর্ষন করছি এর শাস্তি থেকে নিজেকে বাঁচাতে হবে। পুরুষদের ও দেহের পর্দা রক্ষা এবং দৃষ্টির পর্দা রক্ষা করতে হবে।
আল্লাহ সবাইকে বোঝার এবং আমল করার তৌফিক দিন।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



