somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সেলিনা জাহান প্রিয়া
আমি সেলিনা জাহান প্রিয়া , জন্ম পুরান ঢাকা, নাজিরা বাজার , নানা বাড়িতে ।বাবার বাড়ি মুন্সী গঞ্জ , বড় হয়েছি ঢাকা ।স্বামীর বাড়ি কিশোরগঞ্জ ।ভাল লাগে ঘুরে বেড়াতে , কবিতা , গল্প , উপন্যাস পড়তে অজানাকে জানতে । ধর্ম বিশ্বাস করি কিন্তু ধর্ম অন্ধ না ।

রহস্য গল্পঃ- কেয়ার অধরা স্বপ্ন

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ ভোর ৪:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




দুপুর থেকে বৃষ্টি হচ্ছে । কেয়া জানালায় দারিয়ে কিছুটা সময় বৃষ্টিতে হাত ভিজালো । কাজের মেয়ে হিমু এসে বলল খালামনি খালুজি বৃষ্টির দিন বাসায় থাকলে খুব মজা হয় । আপনাকে নিয়ে ছাদে ভিজবেই । সবাই বৃষ্টির দিন খিচুড়ি পছন্দ করে কিন্তু খালু জান পছন্দ করে পোলাও আর শুকটি মাছের ভর্তা । এই কথা বলে হিমু খুব হাসে । কেয়া বলে তম্মার খালু হল রহস্য মানব তাই এমন সসব কিছু করে । কেয়ার স্বামী একটু ভিন্ন ধরনের মানুষ । নামটা খুব অন্য রকম কাসু । এটা কোন নাম । কিন্তু মাঝে মাঝে কেয়া বলে কাসু তোমার নামের অর্থ কি ? কাসু একটু হেসে বলে নারীর মনের খবর মানে কাসু । কেয়া বলে তাহলে বল তো আমার মনের কথা । কাসু বলে তুমি তো নারী না দেবী আর দেবীদের মনের কথা বলা নিষেধ । বিয়ের পর কেয়ার কোন দিন থ্রি পিস পড়া হল না । কেয়া কে শাড়ী পড়তে হয় সব সময় । দুপুর গড়িয়ে রাত ১২ টা কাসুর ফোন বন্ধ । কাসু একটু বৃষ্টি ভাব হলে তার সেল ফোন বন্ধ করে দিবে । কেন বন্ধ করে তার কোন উত্তর দেয় না সে । কলিং বেল শুনে দরজা খুলে ক্কেয়া অবাক কাসুর সাথে এক অপূর্ব মেয়ে । ঘড়িতে চেয়ে দেখে রাত ১.৩০ মিনিট । কেয়া কিছু বলার আগে কাসু বলে কেয়া ওর নাম অধরা । আমার বন্ধু বাসা থেকে রাগ করে চলে এসেছে । কেয়া বলল ও আচ্ছা ঠিক আছে । কিন্তু তোমরা কেউ ভিজলে না এত বৃষ্টি ।
কাসু হেসে বলে এটা রহস্য বুঝলে কেয়া । তুমি ওকে ওর রুম দেখিয়ে দাও । অধরা কে নিয়ে
কেয়া একটা রুমে যায় । কেয়া বলে আপনার নাম টা জানা হল না । মেয়েটা বলে আমি অধরা ভাবী ।
ও সুন্দর নাম । হাত মুখ ধুয়ে কিছু নেন অনেক রাত । অধরা বলল না ভাবী আমি কিছু খাব না । একটু রেস্টুরেন্ট এ খেয়ে এসেছি । কেয়া বলল একটু চা দেই । অধরা বলল ভাবী কিছুই লাগবে না আমি সকালে চা খাব । কেয়া বলল আচ্ছা ঠিক আছে রেস্ট করুন । আমরা কাজের মেয়েটা ঘুমিয়ে গেছে যদি মশা লাগে তাহলে ঐ খান থেকে মশারি নিয়ে টানিয়ে নিয়েন । কেয়া অধরার হাতের কাচের লাল চুড়ি গুলো চেয়ে দেখল । অধরা হাতের চুড়ি গুলো খুলে পাসের টেবিলে রাখল ।
কাসু যত রাতেই আসুক কাজের মেয়ে হিমু কে ডেকে তুলে বলবে মা হিমু তোর হাতের চা অপূর্ব । কেয়া রাতে বেশি হলে চা বানাতে চায় না । কেয়া রুমে এসে দেখে কাসু খুব সুন্দর ভাবে ঘুমিয়ে গেছে । কাসু ঘুমালে একবার আর উঠতে চাইবে না। কেয়া অধরা কে ? কেন এত রাতে স্বামীর সাথে ? কিছুই জানতে পারলো না । কেয়া ঘড়ি তে দেখে রাত ২.৩০ মিনিট । কাসুর পাশে লাইট বন্ধ করে কেয়া ঘুমাতে গেল । বাহিরে বৃষ্টি পড়ে যাচ্ছে মাঝে মাঝে বিজলি চমকাচ্ছে । কেয়া ঘুমিয়ে গেল ।
রাতে আকাশের প্রচণ্ড বিকট সব্দ করে উঠল , সেই শব্দে কেয়ার ঘুম ভেঙ্গে গেল । হাতের কাছে সুইস জালাতে গিয়ে দেখে বিদ্যুৎ নেই । তবে মেঘের বিজলীর আলোতে বার বার ঘর আলোকিত হচ্ছে । কেয়া চেয়ে দেখে তার পাশে কাসু নেই । ভাল করে দেখল না কাসু নেই । তবে কি বাথ রুমে । মবাইলের আলো জ্বেলে দেখে না বাথ রুম বন্ধ । কেয়া চুপ করে মোবাইল জ্বেলে কাসুকে খুজতে বারান্দায় যায় । কাসু বৃষ্টি হলে বারান্দায় বসে । না বারান্দায় কাসু নাই । ঘড়িতে দেখে রাত ৪.৪৫ মিনিট । কেয়া ভাবতে থাকে আরে কোথায় গেল । চেয়ে দেখে অধরার রুমের দরজা একটু খোলা । বৃষ্টি হচ্ছে আকাশে বার বার বিজলী চমকাচ্ছে । কেয়া অধরার রুমে প্রবেশ করে একে বারে বোকা হয়ে যায় । মেঘের ডাক আর বিজলীর আলোতে দেখতে পাচ্ছে কাসু পরম মমতায় অধরা কে বুকে জরিয়ে ঘুমিয়ে আছে । নিজেই নিজের চোখ কে বিশ্বাস করতে পারছে না । কেয়া কিছু না বলে নিজের রুমে চলে আসে । কেয়ার চোখ দিয়ে পানি ঝরতে থাকে । বিছানা বসে চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছা করছে ।
তার স্বামী তাকে বিছানায় রেখে অন্য মেয়ে কে বুকে জরিয়ে আরামে ঘুমাচ্ছে । ড্রয়ার খুলে একটা ঘুমের ট্যাবলেট হাতে নিয়ে বলে সকাল হউক । মা কে নিয়ে আসি । দেখাব তার ভদ্র মেয়ের জামাই কত বড় বদমাইশ । শান্ত ভদ্র ছেলে গুলো বদমাইশ হয় এটা প্রমানিত । কেয়া কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে যায় । সকাল ১০ টা বাজে কাজের মেয়ে হিমু এসে ডেকে তুলে কেয়া কে । কেয়ার চোখ দেখে হিমু বলে খালা আপনার কি হয়েছে । কেয়া একটু রাগ করে বলে আমার মাথা হয়েছে । তোর খালু কোথায় ?
হিমু বলে খালু কোথায় মানে ? রাতে কি খালু আসে নাই ?
------ আসছে তোর খালু রাতে তার জন্য নতুন একটা বউ নিয়ে । কোথায় তোর খালু ?
------- খালা মনি আপনে কি পাগল হয়ে গেলেন ?
------- হ্যা পাগল হয়েছি ? তোর খালু দেখ ঐ রুমে একটা মেয়ে নিয়ে ঘুমাচ্ছে ।
------- ঐ রুম তো আমি এই মাত্র পানি পরিষ্কার করলাম । জানালা খুলা ছিল মনে হয় তাই বৃষ্টির
পানির ছিটা দিয়ে ভিজে গেছে ।
------ বলিস কি ঐ রুমে কোন মহিলা নাই । কেয়া উঠে ঐ রুমে যায় । না কোন মহিলা নাই । বিছানা আগের মতো । কেয়া বলে হিমু তোর খালু আর ঐ মহিলা কখন গেছে ।।
-------- খালা আপনি কি আবল তাবল বলছেন । খালু যত রাতেই আসুক আমার হাতের চা না খেয়ে কোন দিন ঘুমাতে গেছে । আজ আপনার কি হল । ঐ দেখেন মেইন দরজা লক ।
এমন সময় কেয়ার ফোন হতে নিয়ে দেখে ফোন বন্ধ । ফোন চালু করতেই কেয়ার ফোন বাজতে লাগে । কেয়া চেয়ে দেখে তার মায়ের কল ।
----- হ্যালো মা ।
------ কেয়ার মা খুব রাগ করে বলল কি রে রাত থেকে ফোন বন্ধ । বৃষ্টির মধ্য কোন খবর দিতে পারছি না । শুন জামাই রাতে বৃষ্টিতে ভিজে আমাদের বাসায় আসছে ।
------ মা কি বল কাসু তোমাদের বাসায় ?
------ হ্যা আমাদের বাসায় । সেই রাত দের টায় এসেছে । তার পর থেকে তোর ফোন বন্ধ ।
------- মা তুমি কি বলছ ? কাসু যদি তোমাদের বাসায় হয় । তাহলে গত রাতে অধরা নামে একটা মেয়ে নিয়ে আমার বাসায় আসে । মেয়েটা রাতে আমাদের বাসায় ছিল । কাসু আর ঐ মেয়ে কে সকাল থেকে পাচ্ছি না।
------ কেয়ার মা বলে হ্যা ভুত এসেছিল তোর বাসায় হারামজাতি । কাসু রাতে তোর বাবার সাথে এক সাথে খেল । আমি রাতেই একটু পোলাও রান্না করে শুকটি ভর্তা করে দিয়েছি । নে তুই তোর বাবার সাথে কথা বল । এই বলে কেয়ার বাবা কে ফোন দেয় । কেয়ার বাবা মেয়ের কথা শুনে বলে মা তুই কি রাতে ঘুমের মেডিসিন খেয়ে ছিস ।
----------কেয়া বলে হ্যা বাবা খেয়েছি ।
--------- আচ্ছা কেয়া কাসুকে রাতে তোর কাজের মেয়ে হিমু দেখেছে ?
---------- না বাবা হিমু দেখে নাই ।
---------- মা তুই কোন স্বপ্ন দেখছিস । যাই হউক এই স্বপ্নের কথা কাসু কে বলিস না । তাহলে ছেলেটা কি মনে করবে । তুই বরং কাসুকে বলিস যে ফোন বন্ধ ছিল সরি । তুই এখনি কাসুকে একটা ফোন দে । ছেলেটা হয়ত অফিসে তোর জন্য চিন্তা করছে ।।
কেয়া ফোন টা ভাল করে দেখে । সব ঘর ভাল করে দেখে । কিন্তু টেবিলের উপর এই চুড়ি । কাজের মেয়ে কে ডেকে বলে হিমু এই চুড়ি এই খানে কেন ? হিমু বলে খালা মনি আমি পড়তে নিয়ে ছিলাম কালকে কিন্তু বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় আর পড়া হয় নাই । কেয়া চুড়ি গুলো হাতে নিয়ে জানালা দিয়ে রাস্তায় ফেলে দেয় । হিমু চেয়ে দেখে । কেয়া কাসুকে ফোন করে । কাসু একটু রাগ করে বলে কেয়া ঘুম থেকে উঠেছ । মানুষ এভাবে ঘুমায় । কত বার ফোন করেছি । সারা রাস্তা পানিতে ডুবে গেছে । মতিঝিল থেকে উত্তরা আসার মতো কোন গাড়ি নেই । ভাগ্য ভাল আর কে মিশন রোডে তোমার বাবার বাড়ি না হয় অফিসে ঘুমাতে হত ।
-------------- কেয়া মনে মনে বুঝে গেল সে কোন স্বপ্ন দেখছিল । কাসুকে সরি বলে বলল আমি রাতে
খুব বাজে স্বপ্ন দেখেছি । তোমাকে বলা যাবে না। অফিস শেষ করে তারাতাড়ি চলে এসো ।
কাজের মেয়ে হিমু একটা হাসি দিয়ে বলে খালা মনি মাঝে মাঝে আপনি একে বারে পাগলের মতো করেন । খালু কই । কেয়া একটা হাসি দিয়ে বলল অফিসে । হিমু আমি কোন স্বপ্ন দেখছিলাম । যাই হউক করা করে এক কাপ চা দে তো । বৃষ্টি মনে হয় আজও শেষ হবে না।
কেয়া মনে মনে চিন্তায় পড়ে যায় এত বাস্তব স্বপ্ন মানুষ কি করে দেখে । সারা দিন ভাবতে ভাবতে বেলা শেষ হয় । বাহিরে বৃষ্টি পড়ে যাচ্ছে । কাসু ফোন করে বলে কেয়া আসতে রাত হবে । বিদেশী মেহমান আসছে তাদের কে হোটেলে রেখে আমাকে বাসায় ফিরতে হবে ।।
কেয়া একটা নীল রঙের জামদানি পড়ে । কপালে একটা নীল টিপ পড়ে । চুল গুলো সুন্দর বেণী করে ।
ঘড়িতে দেখে রাত ১২.৩০ মিনিট । কাজের মেয়েটা সুফায় আরাম করে ঘুমাচ্ছে । বৃষ্টি পড়ে যাচ্ছে
এমন সময় কলিং বেল উঠে । কেয়া দরজা খুলে দেখে কাসু সাথে একটা মেয়ে ভারী মিষ্টি চেহারা অপূর্ব সুন্দর নারী । কাসু আরে কেয়া ভিতরে আসতে দেবে না কি চেয়ে থাকবে । কেয়া আরে সরি ভিতরে আসো , উনি কে ? মেয়েটা মিষ্টি হাসি দিয়ে বলে ভাবী আমি অধরা । আমরা একেই অফিসে কাজ করি । কাসু বলে বিদেশীদের রিসিভ করে হোটেলে রেখে আসলাম । অনেক রাত এত রাতে একা মেয়ে মানুষ কি করে বৃষ্টি মধ্য যাবে । বস বলল কাসু তোমার বাসায় অধরা কে নিয়ে যাও । তাই নিয়ে আসলাম । রাতে সবাই এক সাথে এক টেবিলে বসে খেল । কেয়া হিমু কে ডাকতে গেলে কায়েস বলে থাক ও ঘুমাক সকালে উঠে নাস্তা বানাবে । ডাকার দরকার নেই । কেয়া অধরা কে নিয়ে ঐ রুমে যায়
অধরা তার হতের লাল চুড়ি গুলো খুলে টেবিলে রাখে । কেয়া বলে ঐ খানে মশারী মশা লাগলে টানিয়ে নিয়েন । অধরা বলল ভাবী আপনার বাসা টা খুব সুন্দর । আর এই রুমটা ।।
কাসু কেয়া কে বলল জান অধরা খুব ভাল মেয়ে , খুব কাজের । আমার সাথে খুব ভাল সম্পর্ক । বসের সাথে না গিয়ে আমার সাথে চলে এসেছে ।। কাসু কেয়া এক সাথে ঘুমিয়ে যায় । বাহিরে বৃষ্টি বয়ে চলছে । গভির ঘুমে কেয়া । রাত ৪.৩০ মিনিট কেয়ার ঘুম ভেঙ্গে যায় । কেয়া দেখে তার স্বামী নেই । খুব ধীরে ধীরে সে অধরার রুমে যায় । অবাক হয়ে দেখে কাসু খুব আদর করে বুকে জরিয়ে রেখেছে অধরা কে । তাদের শরীরে পাতলা একটা চাদর । মেয়েটার শাড়ী টেবিলের উপরে । ব্লাউজ ব্রা পাশের চেয়ারে । দুই জনের খালি গায়ে একজন অন্য জনের বুকের ভিতরে পরম মমতায় জরিয়ে রেখেছে । কেয়া ভাবছে আজো সে স্বপ্ন দেখছে । সে তার নিজ রুমে আসে । নিজের হাত দিয়ে নিজের শরীরে চিমটি কাটে । হাতে ফোনটা নিয়ে তার মাকে ফোন করে । রাত ৪.৪৫ মিনিট । মা ফোন ধরে বলে কি রে কেয়া কাসু রাতে কি বাসায় আজো আসে নাই । কেয়া ফিস ফিস করে বলে মা তুমি খুব সকালেই চলে আসবে কাসু তাঁর অফিসের এক মেয়ে কে নিয়ে বাসায় এসেছে । আর এখন ঐ মেয়েকে নিয়ে আরামে ঘুমাচ্ছে । আমি এখন কি করব মা বলও ? কেয়ার মা বলল বলিস কি ? অফিসের মেয়ে নিয়ে বাসায় তার পর ঐ মেয়ের সাথে রাতে একেই বিছনায় । কেয়া মা তুমি কিছুই জানো না এমন করে সূয়ে থাক । আমি সকালে তোমার বাবা কে নিয়ে এসে এর একটা বিহিত করব । লক্ষ্মী মেয়ে তুমি কিছু উল্টা পাল্টা কর না । তুমি একা ঐ বাসায় এত রাত তার মধ্য বৃষ্টি এর মধ্য আমরা আসতে পারব না । কেয়া বলল ঠিক আছে মা তাই কর । আমি ঘুমের ভান ধরে সূয়ে রইলাম । বলে ফোন কেটে দেয় । কেয়ার বাবা বলে কার ফোন । কেয়ার মা বলে কেয়ার ফোন । মেয়েটা সেই গত কালের মতো বাজে স্বপ্ন দেখে আমাকে ফোন করেছে । সকালে সব ঠিক হয়ে যাবে ঘুম থেকে উঠলে । একটু সান্তনা দিয়ে ঘুম পারিয়ে দিলাম । কেয়া চুম করে সূয়ে থাকে একটু একটু ঘুম চোখে আসতে থাকে । আর ভাবছে সে কি সব স্বপ্ন দেখছে । অন্ধকারে চেয়ে দেখে কাসু খুব ধীরে তার পাশে এসে শুয়ে পরেছে । কেয়া ভাবতে থাকে হয়ত সে সব স্বপ্ন দেখছে , কেয়া এক সময় ঘুমিয়ে যায় । কাসু কেয়া কে খুব সতর্ক ভাবে জরিয়ে ধরে .......................................।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ ভোর ৪:০২
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ড. ইরফান আল-হোসাইনীর রহস্যজনক মৃত্যু - জীবনের চেয়ে কোনো সম্পর্ক বড় নয়

লিখেছেন এমএলজি, ০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৪০

= ড. ইরফান আল-হোসাইনীর রহস্যজনক মৃত্যু - জীবনের চেয়ে কোনো সম্পর্ক বড় নয় =

বিশ্বখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি এনভিডিয়া (NVIDIA)-তে কর্মরত, বুয়েটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং অত্যন্ত সম্ভাবনাময় তরুণ বিজ্ঞানী ড.... ...বাকিটুকু পড়ুন

জলসার আসর

লিখেছেন নিচু তলাৱ উকিল, ০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:১০

রঙ্গিন শহররের বুকে তাম্বু টাঙিয়ে বসিয়েছি জলসার আসর।
ধর্মীয় বয়ানের ফাঁকে;
গলির মাথায় বেজে উঠছে উলুধ্বনি।
এদিকে তুমি আর আমি ডুবে আছি কলকির ধোঁয়ায়।
নোনতা ঘামের ব্যবচ্ছেদে পুটিমাছের বুক চিরে মেখে দিয়েছি পাঁচ প্রহরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

হয় না দেখা আর

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩৩


কতদিন হলো, হয় না দেখা
রঙধনু মেলা, শীত কাটে না
আর ঐশ্বর্য উষ্ণ বেলা
চঞ্চলতায় টিপুটিপু খেলা;
বিস্মৃতির পাতায় ডুবে যাচ্ছে
চাঁদ না দেখার আর্তনাদ,
ভেঙ্গে পরেছে অমোঘ
অপেক্ষায় দীর্ঘশ্বাস ঘুণ ধরেছে
নুনে পরেছে সময়ের ছলনা
মুখ ফিরেছে বাতাসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ শেষ জীবনে

লিখেছেন সামিয়া, ০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৯



ঘুমিয়ে থাকা একজন মানুষ কখনো কখনো জেগে থাকা একজন মানুষের চেয়ে অনেক বেশি ভালো থাকতে পারে? কথাটা শুনতে অদ্ভুত। কিন্তু বয়স হলে মানুষ অনেক অদ্ভুত কথাই বিশ্বাস করে চিন্তা... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্রপতি পদে আনভীর সোবহানকে দেখতে চাই।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪২


সায়েম সোবহান আনভীর। এক বিশাল বিজনেস টাইকুন, বসুন্ধরা গ্রুপের যোগ্য কান্ডারী। আহা, কী তার ব্যক্তিত্ব! দেখতে যেমন সুন্দর, চরিত্রও যেন মাশাআল্লাহ্ ফুলের মতো পবিত্র। আর বসুন্ধরা গ্রুপের কথা তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×