somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সংখ্যাটা যখন সাড়ে ছয় হাজার

২৪ শে নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



রুশ~ইউক্রেনের যুদ্ধে বেসামরিক হতাহত

আমার কথাঃ যুদ্ধের শুরুটা হয়েছে ২৪ শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ আজ ২৪ শে নভেম্বর- ঠিক নয় মাস। নয় মাস ধরে চলা এ যুদ্ধে বিশ্বের অন্যতম এক পরাশক্তি তার প্রায় সর্বশক্তি নিয়োগ করে- পারমানবিক বোমা বাদে অন্যসব সর্বাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র কিংবা মারণাস্ত্রের আঘাতে এ যাবত ৬৫৯৫ জন উক্রাইনান বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছে। উল্লেখ্য এর মধ্যে ৪১৫ জন শিশু- কিন্তু নারীর কোন উল্লেখ নেই।


সূত্র মতে:
(স্ট্যাটিস্টা রিসার্চ দ্বারা প্রকাশিত, নভেম্বর ২২, ২০২২; জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার অফিস (OHCHR) ২০ নভেম্বর, ২০২২ পর্যন্ত ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের সময় মোট ৬৫৯৫জন বেসামরিক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর মধ্যে ৪১৫ জন শিশু। এছাড়াও ১০,১৮৯ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে, OHCHR স্পষ্ট করেছে যে প্রকৃত পরিসংখ্যান আরও বেশি হতে পারে।)
OHCHR has estimated the number of deaths of civilians, or non-armed individuals, in Ukraine at nearly 6.6 thousand since the start of the war on February 24, 2022.
*******
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের উপর আক্রমনঃ এম এস এফ
২৫ আগস্ট থেকে ১২ ডিসেম্বর ২০১৭
সূত্র মতে: বাংলাদেশের শরণার্থী বন্দোবস্ত শিবিরে Médecins Sans Frontières (MSF) দ্বারা পরিচালিত সমীক্ষা অনুমান করে যে ২৫ আগস্ট থেকে ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সবচেয়ে রক্ষণশীল অনুমানে অন্তত ৬,৭০০ রোহিঙ্গা মারা গেছে। অন্তত ৭৩০ জন পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু সহ নিহত হয়েছে বলে অনুমান করা হয়েছে।
এমএসএফ-এর জরিপের ফলাফলগুলি দেখায় যে রোহিঙ্গাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে এবং ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং স্থানীয় মিলিশিয়ারা হামলার প্রতিক্রিয়ায় রাখাইনে সর্বশেষ 'ক্লিয়ারেন্স অপারেশন' শুরু করার সময় ব্যাপক সহিংসতা শুরু হওয়ার পরে এদেরকে হত্যা করা হয়। এরপর থেকে, ৬৪৭,০০০ এরও বেশি রোহিঙ্গা (ইন্টার-সেক্টর কোঅর্ডিনেশন গ্রুপের মতে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত) মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।
“আমরা মিয়ানমারে সহিংসতা থেকে বেঁচে যাওয়া লোকদের সাথে দেখা করেছি এবং কথা বলেছি, যারা এখন বাংলাদেশে ভিড় ও অস্বাস্থ্যকর ক্যাম্পে আশ্রয় নিচ্ছে। আমরা যা উন্মোচন করেছি তা বিস্ময়কর ছিল, উভয় ক্ষেত্রেই যারা পরিবারের একজন সদস্যের সহিংসতার ফলে মারা গেছে এবং যে ভয়ঙ্কর উপায়ে তারা বলেছে যে তারা মারা গেছে বা গুরুতর আহত হয়েছে তাদের সংখ্যার দিক থেকে। মৃত্যুর শীর্ষস্থানটি আগস্টের শেষ সপ্তাহে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী কর্তৃক সর্বশেষ 'ক্লিয়ারেন্স অপারেশন' শুরু করার সাথে মিলে যায়,” বলেছেন ডাঃ সিডনি ওং, এমএসএফ মেডিকেল ডিরেক্টর।



আমার কথা: বহু আলোচনা তথ্য উপাত্ত ও যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করা হয়েছে রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গারা বাংলাদেশী নয়- তারাই রাখাইনের আদিবাসী। বিবর্তন ও ইতিহাসের সূত্র ধরে বলতে হয়; পৃথিবীর কোন জাতি সঙ্কর-মুক্ত নয় সব জাতিই বহুবার সঙ্করায়িত হয়েছে। আর মানুষের সত্যিকারে একমাত্র আদিবাস ‘পূর্ব আফ্রিকাতে’। শুধুমাত্র রাজনীতি ধর্ম ও জাতীয়তাবাদের ধুয়া তুলে বার বার এমন লক্ষ কোটি মানুষকে হত্যা জখম না হয় বাস্তু-চ্যুত করা হয়েছে। এখনো এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে বিশ্ব বিবেক ও মোড়লরা নীরব- কেননা এটা তৃতীয় বিশ্বের সমস্যা।
আস্ত একটা জাতির চরিত্র বিবেক শিক্ষা জাত ধর্ম ভাষা সংস্কৃতি সব কিছু পালটে যায় ভয়ানক-ভাবে –এমন সহিংসতার ফলে উদ্বাস্তু হয়ে। স্বনির্ভর একটা জাতি পুরো ভিক্ষুক আর সন্ত্রাসীর জাতিতে পরিণত হয়।
********
কাতারে কতজন বিদেশী শ্রমিক মারা গেছে? গার্ডিয়ান
সূত্র মতে: ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে, গার্ডিয়ান রিপোর্ট করেছে যে ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কার ৬৫০০ অভিবাসী কর্মী কাতারে বিশ্বকাপের বিড জেতার পর থেকে মারা গেছে। এই সংখ্যাটি কাতারের দেশগুলোর দূতাবাসের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা হয়েছে। যাইহোক, কাতারি সরকার বলেছে যে মোট সংখ্যাটি বিভ্রান্তিকর কারণ রিপোর্ট করা সমস্ত মৃত্যু বিশ্বকাপ সম্পর্কিত প্রকল্পে কাজ করা লোকদের কারণে হয়নি।
এতে বলা হয়েছে যে মৃতদের মধ্যে অনেকেই বেশ কয়েক বছর ধরে কাতারে কাজ করেছিলেন এবং বার্ধক্য বা অন্যান্য প্রাকৃতিক কারণে মারা যেতে পারে। সরকার বলেছে যে তার দুর্ঘটনার রেকর্ড দেখায় যে ২০১৪ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বিশ্বকাপ স্টেডিয়াম নির্মাণের জায়গায় ৩৭ জন মারা গিয়েছিল এবং মাত্র তিনজন "কাজের সাথে সম্পর্কিত" ছিল।
তবে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) বিশ্বাস করে যে এটি একটি অবমূল্যায়ন। কাতার হার্ট অ্যাটাক এবং শ্বাসযন্ত্রের ব্যর্থতা থেকে কাজ-সম্পর্কিত মৃত্যুকে বিবেচনা করে না, যদিও এটি খুব উচ্চ তাপমাত্রায় কঠোর পরিশ্রমের কারণে তাপ স্ট্রোকের সাধারণ লক্ষণ।
তিনি কাতারের সরকারি হাসপাতাল এবং অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা থেকে প্রাপ্ত বিশ্বকাপ সম্পর্কিত ঘটনাগুলির নিজস্ব তথ্য সংগ্রহ করেছেন।সু ত্র মতে শুধুমাত্র ২০২১ সালে, ৫০ জন বিদেশী কর্মী নিহত এবং ৫০০ জনেরও বেশি গুরুতর আহত হয়, আরও ৩৭,৬০০ জন সামান্য থেকে মাঝারি আঘাতে ভুগছিলেন।
বিবিসি আরবিও প্রমাণ সংগ্রহ করেছে যে কাতার সরকার বিদেশী কর্মীদের মধ্যে মৃত্যুর কম রিপোর্ট করছে।
বিদেশী শ্রমিকদের সাথে কেমন আচরণ করা হয়?
২০১০ সালে কাতার বিশ্বকাপ আয়োজনের অধিকার পাওয়ার পর থেকে মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো বিদেশি শ্রমিকদের প্রতি তার আচরণের সমালোচনা করেছে।
২০১৬ সালে, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল কাতারি কোম্পানিগুলোকে জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহারের অভিযোগ এনেছিল।
এতে বলা হয়েছে যে অনেক শ্রমিক অকার্যকর আবাসনে বসবাস করতেন, বিপুল নিয়োগ ফি দিতে বাধ্য হন, তাদের মজুরি আটকে রাখা হয় এবং তাদের পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করা হয়। কর্ম শিবিরে অবস্থার উন্নতি হয়নি আদৌ।
যাইহোক, ২০২১ সালের একটি প্রতিবেদনে, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে যে ,বিদেশী কর্মীরা ‘শাস্তিমূলক এবং অবৈধ বেতন কর্তন’ এবং ‘দীর্ঘ ঘণ্টার পর ঘণ্টা কঠিন কাজের জন্য মাস শেষে মজুরি সঠিকভাবে না দেওয়ায়’ ভয়ঙ্কর সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।
কাতারি কোম্পানিগুলি ‘কাফালা’ নামক একটি সিস্টেম ব্যবহার করেছিল যেখানে যারা সেদেশে- বিদেশী কর্মীদের আগমনের পৃষ্ঠপোষকতা করেছিল, কিন্তু তারপরে তাদের চাকরি ছেড়ে যেতে দেয়া হয়নি।
*এটা ঠিক দাস প্রথার মত ব্যাপার।
আইএলও-এর মতো গোষ্ঠীগুলির চাপের মুখে, কাতারি সরকার প্রথাটি বাতিল করেছে, কিন্তু অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে যে, কোম্পানিগুলি কর্মীদের নিয়োগকর্তা পরিবর্তন করতে বাধা দেওয়ার জন্য চাপ অব্যাহত রেখেছে।



আমার কথা: আগের দুটো ঘটনার সাথে এ বিষয়টার মিল খুঁজে পাওয়া যাবে না। যেখানে ঘটেছে তারা বলছে দুর্ঘটনা- আসলে কি দুর্ঘটনা? নাহ- আমি বলব এটা হত্যা-আগে থেকে যদি প্রত্যেকের সেফটি সিকিওর করা হোত তাহলে এতগুলো দুর্ঘটনা ঘটার কোন কাড়ন নেই। হতে পারে মুল সংখ্যাটা অতিরঞ্জিত! এর একটা বড় অংশ মারা গেছে সড়ক দুর্ঘটনা, রোগে ভুগে বা বার্ধক্যজনিত কারণে। ধরে নিচ্ছি, মুল সংখ্যা এর অর্ধেকের কম; মোট কর্মঠ যুবক মারা গেছে কম-বেশী তিন হাজার! এই তিন হাজার সংখ্যাটা কিন্তু বিশাল!
এখানে কোন নারী বা শিশু নেই। সবাই উদ্যমী কর্মঠ যুবক। এদের প্রায় প্রত্যেকই সংসারের একমাত্র উপার্জনকারী। অনেকেই টাকা পয়সা ধার করে জমি জমা বিক্রি করে বিদেশে এসেছে।
প্রথম দু -পক্ষ বহির্বিশ্ব থেকে কমবেশি সাহায্য সহযোগিতা পাচ্ছে। রোহিঙ্গারা অল্প হলেও উক্রাইনরা সারা বিশ্বের মিডিয়ার দারুণ কভারেজ পাচ্ছে। যুদ্ধ শেষ হবার পরেও এরা পাবে। যুদ্ধের পরে পুনর্গঠনের জন্য এরা সরকারি সাহায্য ও প্রচুর বৈদেশিক অনুদান পাবে নিশ্চিত।
কিন্তু কাতারে দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া এইসব কর্মজীবীদের পরিবার পরিজনের ভবিষ্যত কি? এদের দায় দেনা অভাব অনটনের খবর কে রাখবে।
শ্রীলঙ্কান,নেপালি, পাকিস্তানি বাংলাদেশী আর ভারতের অধিকাংশ প্রবাসী এইসব মানুষের একটা বড় অংশ নিন্মবিত্ত বা নিন্ম নিন্মবিত্ত পরিবারের। কোথায় এরা হাত পাতবে? অনেক পরিবার পালিয়ে বেড়াবে পাওনাদারের ভয়ে- অনেকেই হয়তো অনন্যোপায় হয়ে বেছে নিবে ভিক্ষাবৃত্তি। কেউ এদের কথা আর ভাববে না- কেউ এদের খবর রাখবে না কোনদিন। অভাব কষ্ট বেদনাকে নিত্য সঙ্গী করে এদের বোবাকান্না মিলিয়ে যাবে আকাশে –বাতাসে।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:২৪
২১টি মন্তব্য ২১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন কিশোর মুক্তিযোদ্ধার চোখে স্বাধীনতা যুদ্ধে বুকাবুনিয়া.........

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২২ সকাল ১০:১৩

একজন কিশোর মুক্তিযোদ্ধার চোখে স্বাধীনতা যুদ্ধে বুকাবুনিয়া.........

অযত্নে অবহেলায় পড়ে আছে মহান মুক্তিযুদ্ধে নবম সেক্টরের অধীনস্থ বরগুনার বামনা উপজেলায় সাব-সেক্টর হেড কোয়ার্টার বুকাবুনিয়া এবং এখানকার মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ। এখানে নেই স্বাধীনতা পরবর্তী... ...বাকিটুকু পড়ুন

শাহ সাহেবের ডায়রি ।। ইয়াজিদি

লিখেছেন শাহ আজিজ, ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:৫৮




ইয়াজিদিঃ ইয়াজিদিরা বিশ্বাস করে আদম (আ) সন্তানের সাথে বেহেশতি হুরের বিবাহের পরিণতিতে তাদের সৃষ্টি হয় আর অন্যান্য সকল ধর্মের মানুষদের সৃষ্টি হয়েছে আদম আর বিবি... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনন্দন বিশ্বকাপের রেফারি স্টিফানি ফ্রাপার্ট

লিখেছেন হাসান কালবৈশাখী, ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৩৪



কাতারে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি ম্যাচ পরিচালনা করলেন একজন নারী রেফারি।
এই ফরাসি নারী গ্রুপ-ই এর একটি কঠিন বাঁচা মরার খেলা কোস্টারিকা বনাম জার্মানির ম্যাচ সফলভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেরেস্তারা তখন কোথায় ছিল?

লিখেছেন মোহাম্মদ গোফরান, ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:৩৭


প্রথমে ছোট্ট আয়াতকে অমানবিক ভাবে অপহরণ করা হয়। তারপর তার ছোট্ট গলাটাকে চেপে ধরা হয়। বেঁচে থাকার তীব্র আর্তনাদ একটুকুও মায়ার জন্ম দেয়নি পাষান কুকুরের বাচ্চাটির হৃদয়ে। (আমি দু:খিত কুকুরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জানা অজানা - হজ্জ বা ওমরা করার সময় সন্তান সম্ভবা মায়েদের সন্তান প্রসব

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৫:২৮

সন্তান সম্ভবা মায়েদের সন্তান প্রসবের নির্দিষ্ট মুহূর্ত বা সময় যেহেতু আগে থাকতে বলা মুশকিল তাই অনেক সময় জরুরীভাবে যেখানে যে অবস্থায় আছে সেখানেই সন্তান প্রসব হয়ে যায়। প্লেনের টয়লেটে, রাস্তায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×