
ফের সামুর স্বর্নযুগের ‘কৈতক’ দিয়ে শুরু করছি( খোল নলচে পাল্টে দিয়েছি);
টিনা গতকাল বলেছে আজ রাতে ওদের বাসায় আসতে; ফিক করে হেসে ফর্সা মুখখানি আপেলের মত লাল রাঙ্গা করে লাজুক রহস্যময়ী ঢঙ্গে বলল ‘ জরুরী কথা আছে।'- অবশ্যই যেন সুমন যায় ওর বাসায়।
সুমন মনে মনে ধেই ধেই করে নাচছে। তাঁর মনে হোল; সে নিশ্চিত বাসায় একা থাকবে- আর একা থাকা মানে ‘আজিকে কাম তামাম হবে’। কি করিবে সে সারাদিন ভেবে কুল পায় না!!
আচমকা তাঁর মনে হোল কনডমের কথা। সবকিছু ভেবে চিন্তে পরিকল্পনা মাফিক আগাতে হবে।
কনডম কেনা মেয়েদের সেনেটারি ন্যপকিন কেনা থেকেও যে কঠিন কর্ম তাঁর আগে জানা ছিল না। মোড়ের দোকান ছেড়ে সে গেল বহুদূর অন্য পাড়ায় যেখানে তাঁর চেনা জানা কেউ নেই।
সামনে ঔষধের দোকানের সারি। ক্যাঁচরা ক্যাচরা পুলাপান ফার্মেসিতে বসা। ওদের কাছে কনডম চাইতে গেলে ফিচেল হাসি দিবে। সে অনেক ভেবে এক বয়স্ক বিক্রেতার দোকেনের সামনে দাড়াল! অপেক্ষা করছিল খদ্দের বিদায়ের। দোকান একদম খালি পেয়ে সে মুরুব্বির সামনে গিয়ে আঙ্গুল তুলে ‘লাল কামুক ঠোটে টসটসে স্ট্রবেরি’ ছুঁয়ে থাকা প্যাকেটটার দিকে ইঙ্গিত করল। মুরুব্বী এসব দেখে অভ্যাস্ত- তিনি ইশারায় বুঝে গেলেন।
-কয়টা?
সুমন আমতা আমতা করে বল্ল, -একটা।
-একটা নিয়ে কি হবে? মাঝে মধ্যেইতো লাগবে – এক বক্স নিয়ে যান। ২৫ ভাগ কমিশন পাবেন।
সুমন শুধু ঘাড় কাত করে, দোকানী প্যাকেটটাএকটা ঠোঙ্গায় ভয়ে দিলে- বিল মিটিয়ে নিয়ে আসল।
সন্ধ্যে নামতে না নামতেই টিনা বার বার ফোন দিচ্ছে। এদিক ওদেইক ঘুরে একটু রাত করেই সুমন গিয়ে টিনাদের দরজার সামনে গিয়ে ডোর বেল দেবার আগে পকেটটা ভাল করে চেক করে আশ্বস্ত হোল।
ওকে ভীষন অবাক করে দিয়ে দরজা খুলল টিনার মা। পেছনেই দাঁড়িয়ে টিনা মিট মিট করে হাসছে। ওর পাশেই দাঁড়িয়ে সম্ভবত তাঁর বাবা।
সুমন সোফায় মাথা নিচু করে ঘেটি যতটুকু বাঁকা করা যায় এইভাবে যুবুথুবু মেরে বসে আছে।
টিনার মা ভাবছে, আহা ছেলেটা কি ভদ্র লাজুক-এমন জামাই তাঁর চাই। বাবা ভাবছে, এ দেখি একেবারে মেয়েলি চরিত্রের- এমন বলদ লাজুক ছেলে তাঁর জামাই হবে অসম্ভব।
টিনা বেশ অবাক- সুমন তো বেশ চটপটে ডেয়ারিংগ ছেলে, আজ ওর কি হোল এমন মাথা নিচু করে বসে আছে? সে সুমনের পাশে বসে কনুই দিয়ে গুঁতো দিয়ে ইশারায় জিজ্ঞেস করল- ‘ঘটনা কি’?
সুমন মাথা নিচু করেই ঘাড় ঘুরিয়ে ফিস ফিস করে বল্ল’- আমি কি আগে জানতাম তোমার বাপে কনডম বেঁচে?
~~~~~~~~~~~~~~~~~~
প্রতিটি ঘরের গল্প;
১। আমার এক বন্ধু সদ্য বিয়ে করেছে। বিয়ের দিন সাতেক বাদে দেখা- কুশল বিনিমতের সময়ে তাকিয়ে দেখি মুখখানা শুকিয়ে আমস্বত্ত্ব হয়ে আছে! কাহিনী কি- তারে এক পাশের চিপায় নিয়ে জিজ্ঞেস করলাম?
ধারনা হচ্ছিল সিঙ্ঘভাগ অনভিজ্ঞ বাঙ্গালীর মত বিড়াল মারতে গিয়ে নিজেই কাইত হয়ে গেছে
প্রথমে বলতে চায় না- না এমনি, আমতা আমতা করে।
চেপে ধরলে বেশ সঙ্কোচে বলল, কাউরে বইলো না। এত তাড়াতাড়ি বাচ্চা নিতে চাই না। মোটা হয়ে যাবার ভয়ে বউ পিল খাবে না। অগত্যা... কিন্তু সমস্যা হইল যতবার কনডম লাগাইতে যাই ততবার ফেটে যায়। এর কোন সাইজ টাইজ আছে নাকি অন্য সমস্যা? কাম কাজ তো পুরা বন্ধ- কোনদিক দিয়ে প্যাচ লেগে যায়।
আমি কেমনে কনডম পরিধান করে সেটা জানতে গিয়ে বুঝলাম- সেও শত শত অনভিজ্ঞ বাঙ্গালীর মত কনডম ব্যবহারের নিয়ম জানেনা। সে এখনো উল্টা করে চেষ্টা করছে- যতবার লাগাতে যায় জোরাজুড়ি করতে গিয়ে ততবার ছিড়ে ফেলে!!
২. মেয়েদের মা দাদী-নানী কাজিন শিখিয়ে দেয় ‘নো পিল! শেষমেশ পুরুষ তাঁর বিশেষ মজার খানিক অংশ জলাঞ্জলি দিয়ে কখনো বা বউ-এর দাবড়ানিতে উইকেন্ডের আগে গভীর রাতেও ফার্মেসীতে ছোটে 'টুপি' কিনতে। বিশেষ সুখের আশায়- থিন, আলট্রা থিনের খোঁজ। চরমতম মুহুর্তে সেটা যদি ফেটে যায় তবে মহা কেলেঙ্কারি!! পরদিন সকালে বিশাল টেনশন নিয়ে কাঁচুমাচু মুখে পুরুষ মহাদয়ের অপরাধীর মত বসে থাকে আর বিবি সাহেবের ফোঁস ফোঁস! চোখে চোখ পড়লেই অগ্নি বর্ষন’ তোমারে দিয়ে যদি একটা কাজ ঠিক মত হইত’।
লে হালুয়া’ কনডম কি আমি বানাইছি?’
৩. পিচ্চি পাচ্চারে নিয়ে শান্তি নেই। ঘরের সবখানে তাদের খোঁজ তল্লাশি চলে! কেউ একজন ম্যাট্রেসের নীচে কখানা রঙ্গীন প্যাকেট পেয়ে মায়ের কাছে এনে বলে’ মা এইগুলা কি চকলেট না চুইঙ্গগাম- আমাকে না দিয়ে লুকিয়ে রেখেছিলে কেন?’ আশে পাশে মুরুব্বী না থাকলে তা ও বাঁচোয়া। থাকলে কেলেঙ্কারির একশেষ! মা থতমত খেয়ে চরম লজ্জা পেয়ে কখনো ওগুলো কেড়ে নিয়ে দু’ঘা বসিয়ে দেয় কিংবা এই বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার পেয়ে বাবার হাতে সোপর্দ করে।
বাবা পুরুষ বেচারা’ হাতে মুখে লুব্রিকেন্ট মাখিয়ে সেগুলো ফুলিয়ে দেখায়- এটা নেহায়েত ‘বেলুন’ সেটা প্রমান করতে!’

এক সময় মফস্বল বা গঞ্জের মুদি দোকানে দেদারসে রাজা কনডম বিক্রি হত। দোকানের সামনে সারিবদ্ধভাবে ঝুলিয়ে রাখত সেই কনডমের প্যাকেট। বড়দের সেই নিয়ে কোন মাথা ব্যাথা চিল না। সেসব দেখে কেউ লজ্জাও পেত না ছিঃ ছিঃ-ও করত না। সেসবের ব্যাবহার সিঙ্ঘভাগ যুবক ও বয়স্ক পুরুষেরা না জানলেও - কচিকাঁচা আর সদ্য কিশোরেরা ঠিকই জানত।
আমরা বলতাম 'ফটকা'-কেউ কেউ একটু শুদ্ধ করে 'বেলু্ন' বলত! এত সস্তায় এমন মজার খেলনা আর কি তেমন ছিল। শুধু ছেলে শিশুরা নয় মেয়ে শিশুরাও সেই ফটকা ফুলিয়ে সারা মুখে লিউব( লুব্রিকেন্ট) লাগিয়ে ম্যাসাকার করে ফেলত। লাল, নীল,সবুজ, হলুদ কত রকেমের ফটকা-ই না মিলত তখন! কেউ কেউ ওর মধ্যে পানি ভরে ছোট ছোট আঙ্গুরের থোকা বানিয়ে ঘরের কোনে ঝুলিয়ে রাখত।

~ আদ্যিকালের কনডম
তখনতো বুঝুনি ছাই, কয়েক হাজার বছর ধরেই পুরুষেরা নিজেদের গুপ্ত অঙ্গের গলায় ফাঁস পড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন নাকি! নাড়ি, ভুড়ি, অন্ডকোষের থলি, ভেড়ার চামড়া থেকে শুরু তেলযুক্ত সিল্কের কাগজ, লিনেনের চাদর,খুব পাতলা ফাঁপা শিং থেকে শুরু করে কিছুই বাদ যায়নি।অবশেষে অধুনা বৈজ্ঞানিকরা সবার অঙ্গে ফিট হয় এমন দারুন একখানা রাবারের( ল্যাটেক্স কিংবা পলি ইউরিথাইন) ক্যাপ আবিস্কার করেছেন,যা জন্মহার আর যৌনবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে চরম কার্যকর! আবিস্কারটা চমকপ্রদ সন্দেহ নেই কিন্তু বড্ড একটা ক্ষতি করে দিল বিশ্বের তাবৎ পুরুষকুলের- তারা শতভাগ প্রাকৃতিক যৌনসুখ থেকে চিরতরে বঞ্চিত হল! পুরুষদের অধিকাংশ ক্যারিশমা-ইতো নারিদের দৃষ্টি আকর্ষন আর মনোরঞ্জনের জন্য। নিজেরা স্বাদ বঞ্চিত হলে কি হবে বিপরীত লিঙ্গকে এক্সট্রা প্লেজার দেবার জন্য শতেক রকমের গন্ধ, রঙ আর খাঁজ,ঘাস, দূর্বা সহ জুড়ে দিল।

আর্জেন্টিনার বুয়েন্সায়ার্সে পুরুষের শৌর্য বীর্য আর অহঙ্কারকে টুপি পরিয়ে রাখা হয়েছে
এদেশে এখনো অধিকাংশ পুরুষেরা কনডম কিনতে লজ্জা পায় আর পশ্চিম কিংবা প্রাচ্য সবখানেই অতি আধুনিক রমণীরা ভ্যানিটি ব্যাগে এসবের প্যাকেট নিয়ে ঘুরে বেড়ায়।
বেশ কিছুদিন আগে না; মেলিন্ডা-বিল ফাউন্ডেশন বেশ টাকা পয়সা দান করেছেন নেক্সট জেনারেশন কন্ডোম আবিস্কারের জন্য। ওদিকে ব্রিটিশেরা নাকি অলরেডি স্মার্ট কন্ডোম আবিস্কার করে ফেলেছে(ডিভাইসটি,যা আসলে কনডমের গোড়ার চারপাশে ফিট করে এমন একটি আংটি,যা আপনার লিঙ্গ এবং যৌন সম্পাদনের প্রতিটি দিকের পরিসংখ্যান সরবরাহ করতে পারে যা আপনাকে সত্যই কখনও জানার দরকার ছিল না -যেমন কত ক্যালোরি পুড়ছে ইত্যাদি! -সামনে পুরুষেরা আরো কত দুর্ভোগে পড়বেন কে জানে- কি দিন আইল।)

টেক্সাস এএন্ডএম ইউনিভার্সিটি হেলথ সায়েন্স সেন্টারের ভারতীয়-আমেরিকান বিজ্ঞানীদের একটি দল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ একটি নতুন হাইড্রোজেল কনডম আবিষ্কার করেছে। এতে শুধু ভেষজ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টই থাকে না; কনডম কোন কারনে ফেটে বা ছিড়ে গেলে এইচআইভি ভাইরাসকে মেরে ফেলে, তবে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আনন্দ বাড়াতেও সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে তিনি এইডসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যোগদানকারী নতুন বড় খেলোয়াড় আবিস্কার করেছেন।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
জন্ম নিরোধের জন্য মেয়েদের অনেক উপায় আছে কিন্তু ছেলেদের মাত্র তিনখানা ( জেল আর ফোম-টোম বাদে); হস্ত, ভ্যাসেকটমি করে চিরদিনের পুরুষ হবার অহঙ্কার বিসর্জন কিংবা সুরক্ষা টুপি। তবে হ্যা’ একটা ব্যাপার মানতে হবে যৌনবাহিত রোগ ( কিছু রোগ মেয়েদের মধ্যে সুপ্ত অবস্থায় থাকে-পুরুষ সঙ্ক্রামিত হয়) থেকে পরিত্রাণের অব্যার্থ উপায় হচ্ছে কনডমের ব্যাবহার। কনডম না হলে শুধু ‘এইচ আই ভি’তে কত কোটি লোক মারা যেত তাঁর ইয়ত্তা নেই।
পুরুষদের জন্মনিরোধের অপশনগুলো জানার জন্য এখানে ক্লিক করুনঃ Click This Link

ভেবেছেন কখনো কনডম শরির আর পরিবেশের কি ক্ষতি করে???
২০০১ সালের একটি সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে মানুষ নিয়মিত কনডম ব্যবহারের তুলনায় খাদ্য ও তামাক থেকে ১০০০ থেকে ১০০০০ গুণ বেশি নাইট্রোসামিনের(নাইট্রোসামিন নাইট্রেটস বা নাইট্রাইটস এবং নির্দিষ্ট অ্যামাইনগুলির মধ্যে একটি বিক্রিয়া দ্বারা গঠিত হয়। প্রসেসড মাংস, অ্যালকোহলযুক্ত পানীয়, প্রসাধনী এবং সিগারেটের ধোঁয়ার মতো বিভিন্ন ধরণের ভোক্তাদের পণ্যগুলিতে নাইট্রোসামিন পাওয়া যায়। তবে নাইট্রোসামিন শক্তিশালী কার্সিনোজেনিক যৌগ হিসাবে বিবেচিত হয় যা মস্তিষ্ক, ফুসফুস, লিভার, পেট, খাদ্যনালী, কিডনি, মূত্রাশয় এবং অনুনাসিক সাইনাসের মতো বিভিন্ন অঙ্গ এবং টিস্যুতে ক্যান্সার সৃষ্টি করে।) এক্সপোজার পায় উপসংহারে আসে যে কনডম ব্যবহার থেকে ক্যান্সারের ঝুঁকি খুব কম। যাইহোক, জার্মানিতে ২০০৪ সালের একটি গবেষণায় পরীক্ষা করা ৩২টি কনডম ব্র্যান্ডের মধ্যে ২৯ টিতে নাইট্রোসামাইন সনাক্ত করা হয়েছে এবং একটা গবেষনায়এসেছে যে কনডম থেকে খাবারের নাইট্রোসামিন এক্সপোজার থেকে ১.৫ থেকে ৩ গুন বেশী হতে পারে।
ডিসপোজেবল কনডমের অতিরিক্ত ব্যাপক ব্যবহার আবর্জনা এবং ল্যান্ডফিলের মাধ্যমে পরিবেশের উপর তাদের প্রভাব সম্পর্কে উদ্বেগ উত্থাপন করেছে, বিশেষভাবে কনডমকে ধ্বংস না করে পোড়ালেও ক্ষতি না পোড়ালেও ক্ষতি একটা দীর্ঘস্থায়ী একটা সল্পস্থায়ী প্রভাব ফেলে পরিবেশের বিশেষ করে পলিউরেথেন কনডম, প্লাস্টিকের একটি রূপ, বায়োডিগ্রেডেবল নয়, এবং ল্যাটেক্স কনডমগুলি ক্ষয় হতে অনেক সময় নেয়। বিশেষজ্ঞরা, কনডমগুলিকে ট্র্যাশে ফেলার পরামর্শ দেন কারণ সেগুলিকে টয়লেটে ফ্লাশ করা (যা কিছু লোক) ময়লার লাইনে ব্লকেজ এবং আমাদের মত দেশে অপরিকল্পিত ড্রেনেজ এর কারনে এগুলো পরিবেশের উপর মারাত্মক হুমকি হতে পারে। সবচেয়ে সমস্যা হোল কনডম প্যাকেজ করা প্লাস্টিক এবং অ্যালুমিনিয়ামের মোড়কগুলিও যা বায়োডিগ্রেডেবল নয়। পার্কের মতো পাবলিক প্লেসে কনডম বা মোড়ক ফেলার কারনে একটি স্থায়ী বর্জ্য সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
যদিও বায়োডিগ্রেডেবল ল্যাটেক্স কনডম ভুলভাবে ধ্বংস করলে পরিবেশের ক্ষতি হয়। ওশান কনজারভেন্সি অনুসারে, কনডম প্রাকৃতিক জলের আধার, সামুদ্রিক পাণী, জলজ উদ্ভিদ ও কোরাল প্রাচীরের জন্য চরম হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে।
আমারতো মনে হয় এ বিষয়ে শীর্ষে আছে চীন- আপনার মত কি?
অতএব আসুন আমরা জেনে নিই সুরক্ষা টুপির বিকল্প কি কি ব্যবহার আছেঃ ( সৌজন্যেঃ নিউজ ২৪ South Africa's number 1 property portal)

কনডমের বিকল্প ব্যবহার;
১. আপনি যখন বাইরে, বৃষ্টিতে বা ভ্রমণে থাকেন তখন আপনার মোবাইল ফোনকে বৃষ্টির পানি থেকে রক্ষা করতে।
২. বরফ বাক্সে বরফের প্যাক দিয়ে কোন কিছু হিমায়িত করা বা কোল্ড প্যাক এর বিকল্প।
৩. সিডি পরিষ্কার করুন।
৪. এটি গুলতি মত ব্যবহার করা যায়—এর মাথা ছিঁড়ে গারডার বানানো যায়।
৫. জল বেলুন বা জল সঞ্চয়ের জন্য সহজে বহনযোগ্য চমৎকার একটা আধার।
৬. বুট এবং জুতা তেল চকচকে করার জন্য। ( আমি কিন্তু করি না)
৭. বৃষ্টির মধ্যে পিস্তল কাভার করে নেয়া যায় - গুলি করার জন্য আপনাকে এটি খুলে নেওয়ার দরকার নেই
০৯. এর লুব্রিকেন্ট শুষ্ক চুলকে চমৎকার তেল চকচকে করে ( এটাও আমি করি না)
১০. সাঁতার কাটার সময়, এটি ক্যান্ডিরু নামক ছোট ক্যাটফিশ থেকে রক্ষা করার জন্য একটি কনডম হিসাবে ব্যবহৃত হয়, যা প্রস্রাব এবং রক্তের প্রতি আকৃষ্ট হয় (এবং মূত্রনালীতে ঢুকতে পছন্দ করে)।
১১. শরীরের মধ্যে মাদক পাচার করার জন্য বহুল ব্যবহৃত। ( খারাপ উদাহরণ)
১২. প্রত্নতাত্ত্বিকরা গবেষণার জন্য স্ট্যালাকটাইট থেকে পানির নমুনা সংগ্রহ করতে কনডম ব্যবহার করুন।(উপরের ছবি লক্ষ্য করুন)
১৩. পরিবহনের সময় মাইক্রোফোন রক্ষা করতে (নন-লুব্রিকেটেড মাইক্রোফোন ব্যবহার)।
আহারে কোথা থেকে কোথায় এলাম!! শুরু করলাম পুরুষ হবার যন্ত্রনা দিয়ে আর শেষ করলাম কনডোমের বিচিত্র ব্যবহার দিয়ে!!!!
**********
~ পুরুষ হবার যন্ত্রণা'র আগের পর্বগুলোর জন্যঃ
কেন শুধু পুরুষদেরই মরে যেতে হয় কিংবা পুরুষরা-ই মরে যাবে বলে কেন ভাবা হয়?
বাঙ্গালী পুরুষ 'নারী মন' বুঝতেই দিশেহারা!
বয়ঃসন্ধিকাল-১
বয়ঃসন্ধিকাল- ২
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ১১:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


