

২৪ জুলাই, বৃহস্পতিবার। দিনটি আরাজের জন্য খুবই খুশির। কারণ এই দিনটিতেই যে মায়ের কোল জুড়ে এসেছিল সে। এবার ১৭তম জন্মদিন নিয়ে কত পরিকল্পনাই যে ছিল ফিলিস্তিনি এই কিশোরের।
কিন্তু চারদিকে মানুষের আর্তনাদ, বাতাসে ভেসে আসা গোলাবারুদের গন্ধ। ইসরাইলি সেনাদের গুলি, কামানের গোলা চোখের সামনে কেড়ে নিচ্ছে তার স্বজনদের। তার সব আনন্দ যে শোকে পরিণত হয়েছে।
সেই শোককে শক্তিতে পরিণত করে ক্ষোভে ফেটে সে। প্রতিবাদ করে ইসরাইলের বর্বরোচিত হামলার বিরুদ্ধে।
বিক্ষোভ করে রামাল্লার পথে পথে। কিন্তু তার প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করে দেয় ইসরাইলি সেনার ছোঁড়া গুলি। রক্তাক্ত নিথর দেহটি পড়ে থাকে রাস্তার উপর।
যে দিন পৃথিবীতে আলোর মুখ দেখেছিল, সেই দিনটিতেই পৃথিবী থেকে বিদায় নিল মোহাম্মদ আল আরাজ। গতকাল শুক্রবার কালান্দিয়াতে তাকে দাফন করা হয়।
প্রতিবেশিরা জানান, খুবই ভদ্র ছিল আরাজ। পড়াশোনায় খুব ভালো ছিল। ইচ্ছে ছিল হোটেল ও রেস্টুরেন্ট ম্যানেজমেন্টে পড়াশোনা করার।
আরাজের সহকর্মী মাহমুদ আওয়াদ জানান, স্কুল শেষে পাড়ার একটি রেস্টুরেন্টে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল সে। তার ভবিষ্যত খুব উজ্জ্বল ছিল। কিন্তু সে এখন না ফেরার দেশে চলে গেছে।
.........................আল জাজিরা

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




