জামাতে আমীর ডঃ আসাদুল্লাহ আল গালিব একবার মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন ইসলাম সম্পর্কে কিছু বলার জন্য। উপস্থাপক তাকে মঞ্চে ডাকার আগে দর্শকের উদ্দেশ্যে তাঁর নানা উপমা তুলে ধরছিলেন। এক পর্যায়ে উপস্থাপক বললেন, বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদ......। আর যায় কোথায়! গালিব সাহেব উপস্থাপককে থামিয়ে দিয়ে বললেন, “কিসের ইসলামিক চিন্তাবিদ? ইসলামে চিন্তার কোন অবকাশ নেই। চিন্তা যা করার তা আমাদের রাসুল (সাঃ) করে গেছেন। আমাদের কাজ শুধু তাঁর কথা অনুযায়ী আমল করা।“
আসলেই তাই। আমাদের কাজ শুধু আমল করা। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে, সেই আমল যেন সৎ আমল হয়।
রমাজান এমন এক মাস, যে মাসে শুধু বরকত আর বরকত, রহমত আর রহমত! একটা নেকীর কাজ করলে অন্য মাসের চেয়ে সত্তর গুন বেশি নেকী! এ মাসে ইবলিশ শয়তানকে বেঁধে রাখা হয়। অনেকে বলেন, তাহলে মানুষ পাপ করে কিভাবে? এর উত্তরে আলেমগণ বলেন, তার সারা বছরের পাপের গতির কারনে এমনটা হয়। তাছাড়া শয়তান ইবলিশ একা নয়। তার আছে হাজার হাজার সাগরেদ। যাই হোক, চলুন সবাই শপথ করি, এই মাসে সব হারাম কাজ এবং কথা থেকে নিজেকে বিরত রাখবো। নিয়মিত সালাত আদায় করবো। সিয়াম পালন করবো। দান করবো দুহাত খুলে।
অনেকে আছেন যারা সিয়াম পালন করেন কিন্তু সালাত আদায় করেন না। তাদের জন্য বলছি। আপনার সিয়াম পালন আর মুশরিকের উপবাস থাকার মাঝে কোন তফাৎ নেই। তাই কষ্ট করে সিয়াম রাখার কোন দরকার নেই। আল্লাহতায়ালা আপনার সিয়াম চান না।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
“যে ব্যক্তি আসরের সালাত ত্যাগ করে তার আমল নিষ্ফল হয়ে যায়।” [ বুখারী – ৫২০ ]
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
“কোন ব্যক্তির মাঝে এবং শির্ক ও কুফরের মাঝে সংযোগ হচ্ছে সালাত বর্জন।”[ সহিহ মুসলিম ৮২]
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
“আমাদের ও তাদের মধ্যে চুক্তি হলো সালাতের। সুতরাং যে ব্যক্তি সালাত ত্যাগ করল, সে কুফরি করল।”
[তিরমিযী (২৬২১)]
সালাত বর্জনকারীকে কাফেরের সাথে তুলনা করা হয়েছে। তাহলে বলুন কাফেরের কোন ইবাদত কি কবুল হয়?
আর কিছু বলার প্রয়োজন মনে করছি না। আল্লাহপাক সবাইকে সালাত আদায় করার এবং পরিপুর্নভাবে সিয়াম পালন করার তৌফিক দিন। আমীন।
YOU CAN VISIT MY BLOG:
https://www.shishir54.xyz
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




