এক সপ্তাহ হইলো শাদি করছি। বাড়ি থেকে ভাগছি ২ সপ্তাহ আগে। ওর বাড়িতে লঙ্কাকাণ্ড। আমার বাড়িতে তো...। আপাতত উঠেছি ছোট একটা ফ্লাটে।
কে জানতো? শাদিকা লাড্ডু এতো ভারি পড়বে। ছোট চাকুরি। এতোদিন ছিলাম বাবার শাহি হোটেলে। আর এখন ফার্নিচার, দৈনন্দিন জিনিসপত্র... উফস্। বউটাও পাজি। সারাদিন ঘ্যান, ঘ্যান। এটা কিন.. ওটা কিন! গেস্ট আসলে কোথায় বসাবো... কীভাবে আপ্যায়ন করবো!! আমি আছি মহান মুসিবতে। মরার উপর খাড়ার ঘা হিসেবে আছে যখন তখন গাল ফোলানো, কথা বন্ধ। রাগ ভাঙ্গাতে আবার কতোরকম ফন্দিফিকির করতে হয়!!! সারারাত যুদ্ধের পর সকালে অফিসে গিয়ে ঝিমোনো। বসের ঝাড়ি, সহকর্মীকের টিপ্ননি আর দাওয়াতের আবদারের ভিতর লাইফটা ফানাফানা হইয়া গেল। আর মোবাইল নামক যন্ত্রণাটাতো আছেই। যখন প্রেম করতাম তখন ৩/৪বার ফোন করতো। এখন যেন আর ফোন ছাড়েই না! উফফ। কতো কথা যে বলতে পারে! বাসায় রুটি বানানোর বেলুনি নেই তো আমি কী করবো??? অফিস শেষে ছোটো বেলুনির পেছনে। ফোনে আবার ঝাড়ি, শোনো ঝাড়ু কিনতে ভুলনো যেন! বাসায় গিয়ে একটু রেস্ট নেব সে উপায় নেই। নবাবরাণীর মুড ভালো নেই, তাই রান্নাটাও আমাকেই করতে হবে। উফফফফফফ (ভ্যা ভ্যা করে কান্দনের ইমো হবে)।
বিবাহিত ব্লগাররা বুদ্ধি দেন কী করি?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


