যুঞ্চিক্ত নামে এক ব্লগারের কল্যাণে সার্চ করে বের করলাম সেই বিখ্যাত আর্টিকেল যেখান থেকে ঢাকাইয়া ভাষায় অনুবাদ করে কপি পেস্ট মারা হচ্ছিল--'হু অথারড দ্যা কুরআন'।
'ইসলাম ওয়াচ' নামের ওয়েব সাইট, যেখানে হেডিঙে দেয়া এই লেখাটা--'ইসলাম আন্ডার স্ক্রুটিনি বাই এক্স-মুসলিমস', সেখানে [wjsK= Click This Link কাসেমের আর্টিকেল পাতায়, লেখক হিসেবে আবুল কাসেমের পরিচিতি দেয়া এতটুকু--আবুল কাসেম একজন বাঙালি এবং একজন প্রাক্তন মুসলিম।
কথা হচ্ছে, কেউ যদি নিজের বাঙালি পরিচয় নিয়ে লজ্জা পায়, নিজেকে 'প্রাক্তন বাঙালি' বলে ঘোষনা দেয়, তাহলে তার মুখে বাঙালিদের কুৎসা শুনতে কি আমাদের ভালো লাগবে? লাগবে তো? যারা বিদেশে থাকেন, তারা নিজের চারপাশে বাঙালি পরিচয় মুছে ফেলতে চাওয়া মানুষগুলোর কথা ভাবুন, যখন তারা বলে, বাংলাদেশ একটা 'হোল' ছাড়া কিছু না, তখন তাদের কথা শুনতে মন চায়?
আমি এই ব্যাপারে কিছু বলি নি এতক্ষন, কিন্তু ভেবে দেখলাম, আবুল কাসেমের কথাগুলো যে 'ভালো লাগে না' সেটা বলতে তাহলে কেন লজ্জা পাব? যুঞ্চিক্ত'র কথাগুলো ভালো লাগে নি--আমার স্পষ্ট কথন।
জেবতিক আরিফ যুঞ্চিক্তকে অফার করেছেন ইমেইল এডরেস রেখে যাওয়ার জন্য, তার লেখা অবশ্যই ছাপিয়ে দিবেন প্রতিশ্রুতি দিলেন। সেটার আসলে দরকার নেই। মুক্ত-মনায় আবুল কাসেমের লেখাগুলোর অনুবাদ করার প্রজেক্ট হাতে নেয়া হয়েছে। সেখানে একদল খুবই ডেডিকেইটেইড ইসলাম বিদ্বেষী মানুষ এক হয়ে অনেক সময় খরচ করে অনুবাদ করছেন, ছাপানোর কাজটাও তারা নিজের হাতেই নিবেন। মাঝখান দিয়ে একটু বাজিয়ে দেখলেন, সামহোয়ার ইনে ছাড়লে প্রতিক্রিয়া কেমন হয়!
আবুল কাসেম আরও যেসব ওয়েব সাইটে লিখেন নিয়মিত-- (নামগুলো লক্ষ্য করুন)
১. ইসলাম আনড্রেসড
২. ইনফিডেল নেশন (সোজা অনুবাদ--কাফির জাতি)
৩. ফেইথ ফ্রিডম
৪. মুক্ত-মনা
এবং আরও অনেক।
আবুল কাসেমের সাথে আরও অনেকে আছে, তাই তার পাশে না দাঁড়ালেও চলবে। "যখন আল্লাহ তা'য়ালার আয়াতসমূহের প্রতি অস্বীকৃতিজ্ঞাপন ও বিদ্রুপ হতে শুনবে, তখন তোমরা তাদের সাথে বসবে না, যতক্ষণ না তারা প্রসঙ্গান্তরে চলে যায়। তা না হলে তোমরাও তাদেরই মত হয়ে যাবে। আল্লাহ দোযখের মাঝে মুনাফেক ও কাফেরদের একই জায়গায় সমাবেত করবেন।" (সূরা: আন-নিসা, ১৪০)"
এই আয়াতে বিশ্বাসীদের তার সাথে 'না বসলেও' হবে।
আমি বসছি না 'সাথে'। আমি লাইনের অপর পাশে, নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে দিচ্ছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






