somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অতৃপ্ত আত্বা !

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি একটা বিষন্ন রাতের গল্প , যার তারাগুলো বিষাদের সুরে কাতর ! বাতাসে গভীর শুন্যতার ছায়া !
আমি লিখতে বসেছি অতৃপ্ত আত্বার গল্প সঙ্গী আঁধার আর মন খারাপ করা রাত !!

বসন্তের স্নিগ্ধ বিকেলের হাওয়ায় সবুজের আলোড়ন ,
যান্ত্রিক অবয়বে তোর আগমনে প্রকৃতিতে উচ্ছ্বাস ছিলনা !
আমার নিস্তব্দ সাঝবেলায় তখনো হাওয়ার ছাট লাগেনি ! ধীরে ধীরে মনোজগতে তোর অদৃশ্য দখলদারি ! আমার পাখিদের সুর তুই বুঝিস , আমার বিকেলের রোদ তোর হয়ে যায় , আমার নদীর বাকে তোর ছোট্ট কুটিরে জোছনা বিলাসের সমস্ত অধিকার তোর ই কেবল !

তারপর একদিন তোর চোখে আমি অপ্সরী ছায়া দেখতে পাই !
"And There will be companions with beautiful , big , And Lustrous eyes " !

আমার নদীর জল , আমার বিকেলের হাওয়া , আমার পাখিদের গান তোকে উপহার দেই রোজ ! বিনিময়ে পাই তোর আকাশের মেঘের ছায়া , তোর স্নিগ্ধ সকাল !

একদিন ঝুম বৃষ্টি নামলো আমার জানালার টুকরো আকাশ থেকে ! দু ফোটা বৃষ্টি জল আমায় ছুঁয়ে গেল ! তোর আকাশে তখনো কালো মেঘ ! বিষন্ন আকাশের হুংকার ! পাখিদের ওড়াওড়ি নেই , আমি জানিনা তোর আকাশ কি এখনো থমকে আছে বিষন্নতায় ??
আমার জানালার কান্না বন্ধ হলে আমি তাকাই তোর আকাশে !
কিন্তু হায় আমি দেখতে পাইনা তোর আকাশ , তোর স্নিগ্ধ সকালের মায়াবী রোদ !

আমার নদীর বাকে কুড়েঘরে জমে থাকা অভিমান ! নদীতীরে বসা একটা নিঃসঙ্গ চিলকে পাঠাই তোর খবর আনতে , সে চিল আর ফিরে আসেনা ! আরো চাপা অভিমান বুকে বাসা বাধে !

তারপর এক সাঝ বেলায় মৃত্যু এসে ভর করে আমার ঘুমে ! নিরস দেহটা পড়ে থাকে , মৃত্যূ হয় অভিমানী আত্বার !
আমি দেখতে পাই আমার মুঠোফোনে তোর অজস্র ডাক , দেখতে পাই মুঠোফোনে তোর পাঠানো কথা মালার আগমন !
আমি যে স্পর্শ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছি , আমি সে কথামালা জানতে পারিনা , পারিনা জানিয়ে দিতে আমার অভিমানী আবেগ ! খুব জানতে ইচ্ছে করে কি হয়েছিল তোর , খুব জানিয়ে দিতে ইচ্ছে করে অভিমানী মেঘের যে মরণ হয়েছে !

একটা চিল উড়ে যায় তর বাড়ির দিকে , আমি তাকে বলে দেই আমার হাওয়া হয়ে যাবার খবর ! চিল কি শুনতে পায় অভিমানী মৃত আত্বার কথা ????
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:৪৮
২৫টি মন্তব্য ২৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন মহামানব - একজন মহান শিক্ষক

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:১৫



আমার স্যার, অনেক অনেক বড় মানুষ, তাল গাছের মতোই তিনি বড়। না - না তাল গাছ ছাড়িয়ে তিনি আকাশ ছোঁয়েছেন, তিনি আকাশের মতোই বড় মানুষ। অনেক দূর দূরান্ত থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হৃদস্পন্দন পাঠালাম…

লিখেছেন নান্দনিক নন্দিনী, ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:৫০



ভালোবাসা কি এইভাবেই একটু একটু করে জন্মাতে থাকে? এই হালকা মেজাজ, খুশি-খুশি ভাব। এই এলোমেলো কথা বলা, অতিরিক্ত আত্মসচেতনতা এবং পুরোপুরি ভিন্ন একজন মানুষ হয়ে উঠা; একেই কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুমি আমার দুঃখ বিলাসের একমাত্র কারণ

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৯:০৬



কংক্রিটের রাত্রিতে, আঁধারের ওপার হতে দাও হাতছানি।
তুমি কি আলোর পাখি?

আগুন রঙা তোমার দু পাখায় আলোর ঝলকানি,
আমি বিহ্বল হয়ে চেয়ে থাকি,
তোমার বৈচিত্রময়তায়।

আঁধার হতে আলোয় উত্তরনের চেষ্টায় আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

গনেশ মূর্তি-এক্সপেরিমেন্ট আর অন্ধ বিশ্বাস

লিখেছেন কলাবাগান১, ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:০৩

Repost


ল্যাবে কলকাতার হিন্দু মেয়ে গ্রাজুয়েট স্টুডেন্ড হিসাবে জয়েন করল। খুবই করিৎকর্মা ছাত্রী, প্রথম কয়েকমাস ছোট খাটো এক্সপেরিমেন্ট খুব সহজেই করা হত...আসল সমস্য শুরু হয় যখন স্যাম্পল থেকে প্রোটিন বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশে থাকা মানেই কি দেশের সেবা করা???

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:০২



ব্লগে আসি কিছু আনন্দময় সময় কাটাতে। লিখতে ভালো লাগে, তাই লেখি। পড়তে ভালো লাগে, তাই যখনই সময় পাই, ব্লগে বিভিন্ন ধরনের লেখা পড়ি। ব্লগে সময় কাটানো মানেই একধরনের কোয়ালিটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×