এই প্রথম দেশের কুমিল্লা জেলার হোমনায় পরিক্ষামূলক জিরা চাষ
কামরুল হাছান-হোমনা (কুমিল্লা)
অপার সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশ। হোমনা উপজেলার সৌদি প্রবাস ফেরত যুবক আবুল হোসেন ইরানের এক বন্ধুর কাছ থেকে ইরানি জিরার বীজ সংগ্রহ করেন এবং তা তার নিজের জমিতে বপন করেন।গত ১৭-০৩-২০১৭ইং তারিখে কৃষি সম্প্রাসারন অধিদপ্তরের মহা পরিচালকসহ কর্মকর্তাগণ পরিদর্শন করেন। জিরা ক্ষেতের পাশে খোলা মাঠে এ উপলক্ষে এক কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে কুমিল্লা কৃষি স্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক যুগল পদ মহোদয় সভাপতিত্ব করেন, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, খামার বাড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অদিধপ্তরের মহা পরিচালক
কৃষিবিদ মনজুরুল হান্নান। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জুলফিকার আলীর পরিচালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, খামার বাড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অদিধপ্তরের সরেজমিন উইংএর পরিচালক কৃষি বিদ চৈতন্য কুমার দাস, হর্টিকালচার উইং এর পরিচালক কুদরত-ই-গণি, হোমনা কৃষি ইন্সটিটিউটের প্রিন্সিপাল দিলরুবা আক্তার, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এড. মো. আজিজুর রহমান মোল্লা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালী বেগম, ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা কৃষি উপ পরিচালক আবু নাসের ও জিরা চাষী আলমগীর মিয়া। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অদিধপ্তর হেডকোয়ার্টারের উপ পরিচালক অঞ্জন বড়–য়া, জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা ড. শাহিনুল ইসলাম, উপ পরিচালক (পিপি) জয়নুল আবেদীন, হোমনা উপজেলা এটিআই চীফ ইন্সট্রাক্টর ড. আব্দুল মান্নান প্রমূখ। বক্তরা সমাবেশে জিরা চাষে কৃষক আলমগীরের উৎসাহ উদ্দিপনার কথা তুলে ধরে অন্যান্য কৃষককেও এতে উদ্বুদ্ধ করতে গিয়ে বলেন, অপার সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশ। বাংলাদেশের আবহাওয়া সকল ফসল ফলানোই সম্ভব। বিশেষ করে এই অঞ্চলে জিরা চাষে যে সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে তাতে অত্যন্ত মূল্যবান ও বিদেশী মশলার ওপর থেকে নির্ভরশীলতা অনেক কমিয়ে আনতে সক্ষম হবে যদি সঠিক জিরা হিসেবে এই ফসলটি উৎপন্ন হয়। কৃষিতেও ঘটবে বিপ্লব। বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। কেবল কৃষকের ফলানো সোনার ফসলের কারণেই।


সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



