প্রত্যেকটা মানুষই স্বাধীন ভাবে বেঁচে থাকতে চায় । স্বাধীনতা প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার । নারী পরুষ সবারই সবচেয়ে বড় পরিচয় তারা 'মানুষ' । তাই মানুষ হিসেবে সবাই সমান, সবার অধিকারও সমান হওয়া উচিত । কিন্তু আমাদের এই সমাজে সব মানুষ সমান ভাবে তাদের মৌলিক অধিকার আদায় করতে পারছে কি??? মানুষ মানুষে গড়ে উঠছে ভেদাভেদের প্রাচীর । আর এই পার্থক্যের দেয়াল নারী পুরুষের ক্ষেএে ই গড়ে উঠেছে । যুগে যুগে গড়া ওঠা এ দেয়াল পুরোপুরি ভাঙা আদৌ সম্ভব নয় । । কিন্তু এই পার্থক্যটাও মানুষেরই সৃষ্টি ।
স্বাধীনতা বলতে আমি নিজস্ব ব্যক্তি স্বওাকে বুঝি । যে স্বওায় আমি স্বধীনভাবে যা ইচ্ছে করতে পারবো । আমি একজন 'মানুষ' । মানুষ হিসেবে আমাকে সম্মান করতে হবে । সম্মান প্রপ্তিটাই আমার স্বাধীনতা । এটাই আমার প্রথম এবং সর্বশেষ পরিচয় । 'নারী' ইআমার পরিচয় নয় বরং একজন 'মানুষ' হিসেবে বিশ্বের সব মানুষের সাথে আমায় এগিয়ে যেতে হবে । সর্ব ক্ষেএে সবার অধিকার, মতামত প্রকাশের সআধীনতা সমান হতে হবে । আমরা মেয়েরা কারো চেয়ে কোন অংশে কম নই । আমাদের আত্মবিশ্বাস ও কর্মদক্ষতা আছে । আমরএগিয়ে যাব সবার সাথে ।
আমি ব্যক্তিগত ভাবে নারী দিবসের পক্ষপাতি নই । পুরুষতান্ত্রিক সমাজে 'পুরুষ দিবস' নামে কোন দিন নেই । তাহলে কেন নারী দিবস পালিত হবে? পুরুষরা নারীদেরকেএকটি দিনেই আবদ্ধ করতে চায় । কেননা সমান অধিকারের পক্ষপাতী ওরা নয় নারী পুরুষ সবাই সমান । শুধু বছরের একটিদিন নারীর হতে পারে না। সবদিন সবার । সব দিন সব মানুষের । ওরা যা বলবে তাই কেন মেনে নিতে হবে? নারী দিবস থাকতে হলে পুরুষ দিবস ও থাকতে হবে । আর তা না হলে কোন দিবসকে আলাদা করাটা হাস্যকর ।
আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে পরিকল্পনা করে । নিজেদের উপর আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে ।নারী নয় একজন মানুষ হিসেবে ভাবতে হবে । পরিবার থেকেই যেসব ব্যবধান শুরু হয়, সেসব মুছে ফেলে সমাজকে নতুন করে গড়ে তুলতে হবে । আমরা এগিয়ে যাব নিজ গতিতে, কারো বাপা দেয়ার অধিকার নাই । আসুন আমরা সবাই সব ভুলে এক হয়ে সামনে এগিয়ে যাই । তবেই পৃথিবী ফিরে পাবে নিজস্ব গতি, প্রকৃতি ফিরে পাবে তার সৌন্দর্য ।।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



