somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জিপি এ ৫ পাবে তো ?

২২ শে জুন, ২০১৬ সকাল ৯:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি আমার বাসার বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখছিলাম বাহিরপানে ।হঠাৎ চোখে পড়ল একটি গাড়ির ভেতরে । স্কুল dress পরিহিত একটি বাচ্চা -মনে হচ্ছে অগোরে ঘুমুচ্ছে । বুঝতে কোন অসুবিধে হচ্ছে না , কেন সে অসময়ে গাড়িতে ই ঘুমিয়ে পড়েছে । সকাল সাড়ে ছ'টায় স্কুলে উপস্থিত হতে হবে । ঘুম থেকে তাহলে সকাল কয়টায় ওঠতে হয় - এটা সহজে ই অনুমেয় । তাই স্কুলে আসা যাওয়ার পথে একটু ঘুমিয়ে নিতে পারলে মন্দ কী ! স্কুলে দু ,দুটো শিফট।একটা মর্নিং ,একটা ডে । আগে আমরা এক শিফট স্কুলে পড়তাম ,কারণ সারাদিনে একটা ই শিপ্ট ছিল । ২ শিফট বাচ্চাদের কে বলির পাঁঠা বানিয়েছে ।কী আর করা ।

আমার খুব কষ্ট হয় -বাচ্চারা সবুজ দেখে না ,খোলা আকাশের নীচে ঘুরতে পারে না ,অবারিত প্রান্তরে হাত পা ছুঁড়ে দৌড়াতে পারে না । আমাদের নাগরিক জীবন আমাদের নগরের সুবিধা হয়তবা কিছু দিচ্ছে কিন্তু জীবন থেকে প্রকৃতির সাথে মানুষের মেল বন্ধন টাকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে । আমরা যা পেয়েছি ছেলেবেলায় , এখনকার শহরের বাচ্চারা তার ছিটে ফোটা ও পাচ্ছে না ।এদের জন্য দীর্ঘশ্বাস আসে বুক ছিঁড়ে ।হয়তবা তারা ভাল স্কুলে পড়তে পারছে । কিন্তু এই সব স্কুল গুলো বাচ্চাদের কে দিয়ে ভাল ফলাফল করানোর জন্য এক বিধ্বংসী প্রতিযোগিতায় নেমেছে । মুলত এরা ই শেষ করে দিচ্ছে আমাদের বাচ্চাদের কে ।

কেউ হয়ত বলবে ,শহরে life তো এমন ই হয় ।
আমি বলব , না ! শহর শুধু ঢাকা ই না আর শহরে জীবন -ই শুধু জীবন না ।যেখানে বাচ্চারা ন্যাচারাল জীবন কে দেখতে
পায় না ,সেখানে বাচ্চারা কেমন করে সৃষ্টিকর্তাকে চিনবে ,বা খুঁজবে । বিশ্বে অন্যান্য দেশের শহুর গুলো এমন না । আমাদের গরীবের শহর ,অনেক মানুষের শহর ,তাই আমাদের এ্টুকু পেয়ে খুশি থাকতে হয় ।
সমাপনী বাদ হয়েছে ,এতে বাচ্চারা কিছুটা হলে ও শান্তি পাবে ,মা - রা ও শান্তি পাবে । পরীক্ষাতো খালি বাচ্চারা দেয় না মা -দের ও দিতে হয় - তা হল স্নায়ুর পরীক্ষা । আমার বাচ্চাটা কেমন করবে ,জিপি এ ৫ পাবে তো ? না হলে লজ্জা ! ওর ছেলে পাইছে ,তার মেয়ে পাইছে -আমার এরা না পেলে আমার যে লজ্জা হবে । জীবনের অপর নাম পরীক্ষা । মৃত্যুর আগ পর্যন্ত চলবে - মরার পরে থামবে না ...(Continuous process )

বি ঃ দ্র ঃ এই বাচ্চাদেরকে তারা এত পাঠ্যবই বোদ্ধা বানায় -এরা চারপাশে কী ঘটছে তা -ই জানতে পারে না । কোচিং ভিত্তিক পড়া শোনা । খালি সিলেবাস শেষ কর -পরীক্ষা এসে পড়েছে । মাথা ওঠাতে পারে না তারা । তাইত এস এস সি তে যারা জিপিএ ৫ পায় তারা ও normal general প্রশ্নের জবার দিতে পারে না । এরা বলতে পারে না - আমাদের বিজয় দিবস কবে ,
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির নাম কি ?
ভাল স্কুলে পড়ে কি লাভ হল ?
আমরা যারা মা - বাবারা , তাদের কে অন্য কোন বই হাতে তুলে দিতে পারি না কারণ অন্য কিছু পড়ার সময় নেই !
স্কুলের পাঠ্য বইয়ে কি সব থাকে ? বা যা জোরকরে পড়ানো হয় তা কি কেউ মনে রাখে ?জীবনের সকল দর্শন পাঠ্য বই হতে আসে না ?আমার খুব কষ্ট হয় -বাচ্চারা সবুজ দেখে না ,খোলা আকাশের নীচে ঘুরতে পারে না ,অবারিত প্রান্তরে হাত পা ছুঁড়ে দৌড়াতে পারে না । আমাদের নাগরিক জীবন আমাদের নগরের সুবিধা হয়তবা কিছু দিচ্ছে কিন্তু জীবন থেকে প্রকৃতির সাথে মানুষের মেল বন্ধন টাকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে । আমরা যা পেয়েছি ছেলেবেলায় , এখনকার শহরের বাচ্চারা তার ছিটে ফোটা ও পাচ্ছে না ।এদের জন্য দীর্ঘশ্বাস আসে বুক ছিঁড়ে ।হয়তবা তারা ভাল স্কুলে পড়তে পারছে । কিন্তু এই সব স্কুল গুলো বাচ্চাদের কে দিয়ে ভাল ফলাফল করানোর জন্য এক বিধ্বংসী প্রতিযোগিতায় নেমেছে । মুলত এরা ই শেষ করে দিচ্ছে আমাদের বাচ্চাদের কে ।

কেউ হয়ত বলবে ,শহরে life তো এমন ই হয় ।
আমি বলব , না ! শহর শুধু ঢাকা ই না আর শহরে জীবন -ই শুধু জীবন না ।যেখানে বাচ্চারা ন্যাচারাল জীবন কে দেখতে
পায় না ,সেখানে বাচ্চারা কেমন করে সৃষ্টিকর্তাকে চিনবে ,বা খুঁজবে । বিশ্বে অন্যান্য দেশের শহুর গুলো এমন না । আমাদের গরীবের শহর ,অনেক মানুষের শহর ,তাই আমাদের এ্টুকু পেয়ে খুশি থাকতে হয় ।
সমাপনী বাদ হয়েছে ,এতে বাচ্চারা কিছুটা হলে ও শান্তি পাবে ,মা - রা ও শান্তি পাবে । পরীক্ষাতো খালি বাচ্চারা দেয় না মা -দের ও দিতে হয় - তা হল স্নায়ুর পরীক্ষা । আমার বাচ্চাটা কেমন করবে ,জিপি এ ৫ পাবে তো ? না হলে লজ্জা ! ওর ছেলে পাইছে ,তার মেয়ে পাইছে -আমার এরা না পেলে আমার যে লজ্জা হবে । জীবনের অপর নাম পরীক্ষা । মৃত্যুর আগ পর্যন্ত চলবে - মরার পরে থামবে না ...(Continuous process )

বি ঃ দ্র ঃ এই বাচ্চাদেরকে তারা এত পাঠ্যবই বোদ্ধা বানায় -এরা চারপাশে কী ঘটছে তা -ই জানতে পারে না । কোচিং ভিত্তিক পড়া শোনা । খালি সিলেবাস শেষ কর -পরীক্ষা এসে পড়েছে । মাথা ওঠাতে পারে না তারা । তাইত এস এস সি তে যারা জিপিএ ৫ পায় তারা ও normal general প্রশ্নের জবার দিতে পারে না । এরা বলতে পারে না - আমাদের বিজয় দিবস কবে ,
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির নাম কি ?
ভাল স্কুলে পড়ে কি লাভ হল ?
আমরা যারা মা - বাবারা , তাদের কে অন্য কোন বই হাতে তুলে দিতে পারি না কারণ অন্য কিছু পড়ার সময় নেই !
স্কুলের পাঠ্য বইয়ে কি সব থাকে ? বা যা জোরকরে পড়ানো হয় তা কি কেউ মনে রাখে ?জীবনের সকল দর্শন পাঠ্য বই হতে আসে না ?

আমরা চাই না বাচ্চারা ,বিশিষ্ট ইংরেজ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতজ্ঞ স্টিফেন হকিং -এর মত বলে ফেলুক - "সৃষ্টিকর্তা বলে কিছু নেই " বা বিবর্তনবাদের জনক চার্লস ডারউইনে মত যেন না বলে ,"বান্দর থেকে মানুষ হয় "!
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুন, ২০১৬ সকাল ১১:৫৪
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ব্লগের পরিবেশ এখন যথেষ্ট ভালো

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৫




ব্লগে মাঝে মাঝে কোন লোক থাকে না। মাঝে মাঝে কম লোক থাকে। সাইলেন্স ইজ গোল্ডেন-নিস্তব্ধতা হিরম্ময়।এ অবস্থা বিরাজমান হওয়াতে ব্লগের পরিবেশ এখন যথেষ্ট ভালো। কোখাও কেউ নেই। ব্লগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

একলা বিকেল

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৫

-একা থাকো?
-না।
-কে থাকে সাথে?
-কেউ না।
-তাহলে কিভাবে বলছো একা থাকো না?
-থাকি না তো।
-কিভাবে?
-তুমি থাকো যে পাশে।
-বাহ! ………কতক্ষণ থাকি?
-সারাক্ষণ। টেবিলে বসে খাচ্ছি, তুমি সামনে। রান্না করছি, তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেই লাল সূর্যের নিচে, আমরা, যারা হেঁটেছিলাম—২

লিখেছেন অর্ক, ২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৯



সেই চকচকে গ্রাফিতি মনে পড়ে। সদ্য এঁকে গিয়েছিলো। স্কুলগামী বালক-বালিকা। ঘাশ-ফুল-পাতা। অ-আ-ই-ঈ। লাল সূর্যের নিচে বেলাবেলি পাখির ঝাঁক ফিরছে কুলায়। নতুনবাজার, একশো ফিট রোড, নুরের চালা।

তার সাথে কথা বলো আকাশ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

না ফেরার দেশে চলে গেলেন রথো রাফি

লিখেছেন ফেনা, ২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৩



আজ অনেক দিন পর ব্লগে আসলাম। আসলে চাকুরী জীবনের প্রেসার সামলাতে সামলাতেই সময় চলে আয়, নেটে আর তেমন আসা হয় না। আজ আসলাম রাফি ভাই এর মৃত্যু সংবাদটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার পোষ্টে ব্লগার অপু তানভীরের এআই আপত্তি এবং এর এআই জবাব

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩০





কোন কিছুর অস্তীত্ব বিহীন মহাশূন্যে অস্তিত্বের প্রক্রিয়া কি ছিল?

অপুতারভীরের এআই আপত্তি-
আপনার লেখা সম্পর্কে এআই মূল্যায়ন নিচে দিলামঃ
১. শূন্যতা ও উদ্ভবের ভুল ব্যাখ্যা (Misinterpretation of Void and... ...বাকিটুকু পড়ুন

×