![]()
রাজধানীতে গরবী কিছু মানুষ নিশি বক বেচে তা সত্য। কিন্তু এই বকের মূল ক্রেতা ধনী ভদ্রলোকরা। তারা বাড়িতে মিনি চিড়িয়াখানা তৈরি করেন। তাছাড় ঢাকার আশে পাশে অনেক বাগান বাড়ির খাঁচায় এই নিশি বকের আশ্রয় । গরীব এই মানুষগুলোকে অনেকবার ধরে শাস্তি দেওয়া হয়েছে বক বেচার জন্য। কিন্তু মিনি চিড়িয়াখানাগুলো উচ্ছেদ কিংবা মালিকদের শাস্তি দিতেই হাজার সীমাবদ্ধতা আমাদের। সবাই মন্ত্রীর কাছে লোক। নে বাবা এই গরীব বক বিক্রেতাগুলারে একটা মন্ত্রী দাও কেউ।
এইবার নিশি বক কি সম্পকে জাননু।
পৃৃথিবীতে ৬৪ প্রজাতির বক রয়েছে। নিশিবকের মাথা ,ঘার, পিঠ সুরমা রংয়ের হয়। কপালটা সাদা। কালো লম্বা তীক্ষ্ণ ঠোঁট,লম্বা হলুদ পা। গলা,বুক ও পেট সাদা। আর মাথায় সাদা রংয়ের লম্বা সুন্দর একটা টিকি আছে। বাংলাদেশের সর্বত্রই দেখতে পাওয়া যায়। বাঁশঝাড় বা উঁচু গাছে বাসা বাঁধে। সাধারনত দিনের বেলায় বিশ্রাম করে আর সারারাত শিকার ধরে । ব্যাঙ,মাছ, ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী, ছোট পাখি আর জলজ পোকা এদের প্রধান খাবার। এরা ৩-৮টি ডিম দেয় আবার কেউ কেউ বলে ৪-৬ টি আসলে দেশ আর পরিবেশের উপর ডিম সংখ্যা নির্ভর করে। প্রজনন সময় -এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর। এর ইংরেজী নাম Night Heron আর বৈজ্ঞানিক নাম – Nycticorax nycticorax
এরা লম্বায় ৬৪ সে.মি. আর ওজন হয় প্রায় ৮০০ গ্রাম। এদের কন্ঠ কাকের মত কর্কশ। বাংলাদেশ ছাড়াও southern Asia, Mexico, the southern United States, Central America, Africa ও the West Indies এ এদের দেখা যায়।
নিশি বক বেচাকেনা নিয়ে চিন্তিত হবার কারণ নেই । কারণ আমাদের বন্যপ্রাণী রক্ষার ইজারাদার আই. ইউ. সি. এন এর মতে বিগত কয়েক দশক ধরে এদের সংখ্যা কমে গেলেও আশংকাজনক পর্যায়ে যেয়ে পৌঁছায় নি। আই. ইউ. সি. এন. নিশি বককে Least Concern বা আশংকাহীন প্রজাতি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। সমগ্র বিশ্বে ৫ লাখ ১০ হাজার থেকে ৩৬ লাখ পূর্ণবয়স্ক নিশি বক আছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


