সিটিজেন রিয়েল এস্টেট ব্যাংক লি: ব্যাংকটির অবৈধ কার্যক্রম অবহিত করে আমি কয়েক ডজন চিঠি দিয়েছি বিভিন্ন দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানে। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় প্রতারক ব্যাংককের কার্যক্রম রুখার দায়িত্বশীল কোন প্রতিষ্ঠানই নেই দেশে। বাংলাদেশ ব্যাংকে গেলে তাদের কর্মকর্তারা বলে এটি আমাদের কাজ নয়। সুযোগ থাকলে তাদের কাছ থেকে কিছু হাতিয়ে নাও। জেলা প্রশাসকের অফিসের কর্মকর্তারা বলেন “ তুমি অভিযোগ দেওয়ার কে? তোমার বিপক্ষে মামলা হবে। সরকারী কর্মকর্তাদের জ্ঞান দিতে আসো, কোনটা বৈধ আর অবৈধ তা আমাদের শিখাতে হবে না। পুলিশ তো মহা ক্ষ্যাপা ব্যাটা তুই আয় তোরে সাইজ করমু।
এত কিছুর পর যমুনার ৩৬০ ডিগ্রীর প্রতিবেদন প্রচারের পর গ্রাহকদের তারা কোটি কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে গেল তারা। পুলিশ এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি মূল প্রতারক গোষ্ঠীর লোকজনকে। এই গোষ্ঠী অতীতে মানিকগঞ্জ থেকে আগে ৪০কোটি নিয়ে পালিয়ে ছিল। মাসুদ রানা/দেলোয়ার কিংবা ইমতু চোরাকে কি গ্রেফতার করা খুবই কঠিন? আমাদের কাছে ভিডিও আছে এই ব্যক্তি ঐ জেলার দায়িত্বশীল অফিসগুলো মিটিং করছে। যারা প্রতারক ইমতু চোরার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে তারা যদি মিটিং নিয়ে ব্যস্ত থাকে। তবে ইমতু চোরা দেশের ব্যাংক লোটপাট করবেই।
আর গর্ভনর, সচিব, জেলা প্রশাসক, এসপিকে অবহিত করেও যদি ফলাফল শূন্য হয় । তবে কাকে জানাতে হবে। প্রধানমন্ত্রীকে?
সব যদি প্রধানমন্ত্রী দেখেন তবে ওরা কি ইমতু নিয়াই ব্যস্ত থাকিবে?
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৩:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



