




একজন মানুষের কয়টা পা হয়?
এমন বোকার মত কেউ প্রশ্ন করে? মানুষের দুইটা পা হয়। কিন্তু চৈতির বিষয়টি ভিন্ন কিছু।
গাজীপুর থেকে তিন পায়ের এক শিশু ঢাকা মেডিক্যালে আসে। তারপর নানা পরীক্ষা নিরীক্ষা আর দফায় দফায় অপারেশন। এক পর্যায়ে সবাই হতাশ। কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিল দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতায় আর কিছুই করার নেই।
চৈতির মা হতাশ হয়নি। তিনি শুধুই ছুটে চলেছেন। আস্থা রেখেছিলেন #আচঁল_ট্রাস্টের উপর। #আঁচল_ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মাহফুজুর (এটম) রহমানের নেতৃত্বে চৈতির চিকিৎসার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছি। দুনিয়াব্যাপী চষে খুঁজে বের করা হয়েছিল প্রায় শতাধিক শিশু শল্যবিদ্যায় পারদর্শি চিকিৎসক।
অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের ডাকসাইটে প্রায় ৬০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও সার্জন যোগ দেন চৈতির চিকিৎসায়।গত ১৪ নভেম্বর প্রথম ধাপের সফল অস্ত্রোপচার হয় চৈতির শরীরে। দীর্ঘ আট ঘণ্টার অস্ত্রোপচার। তৈরি হয় নতুন ইতিহাস। এ ধরনের শিশুর এটিই পৃথিবীর প্রথম সফল অস্ত্রোপচার। পৃথিবীর একমাত্র উদাহরণ হয়ে ওঠে বাংলাদেশের চৈতি।
আমি গর্বিত #আঁচল_ট্রাস্ট পরিবারের একজন সদ্যস হয়ে। বিশেষ ধন্যবাদ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিক্যাল রোগী কল্যান সমিতিকে। ধন্যবাদ মেহেদি হাছান অপু ও জাহাঙ্গীর আলম মিলনকে। যারা ঢামেকের হাজার হাজার রোগীর মাঝে খুঁজে বের করেছিল চৈতিকে।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ১১:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




