somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

শের শায়রী
অমরত্বের লোভ কখনো আমাকে পায়না। মানব জীবনের নশ্বরতা নিয়েই আমার সুখ। লিখি নিজের জানার আনন্দে, তাতে কেউ যদি পড়ে সেটা অনেক বড় পাওয়া। কৃতজ্ঞতা জানানো ছাড়া আর কিছুই নেই।

জামাতের টার্গেট কারা

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইংরেজ বেনিয়াদের যেমন ডিভাইড এ্যান্ড রুলস ছিল জামাত ও আজকে মরিয়া হয়ে বাচার জন্য একই প্রক্রিয়া অবলম্বন করেছে। শাহবাগ আন্দোলন কিন্তু কোন দল বা লীগ দিয়ে শুরু হয় নি। অতি নিরপেক্ষ কয়েক জন ব্লগারদের আহ্বান থেকে শুরু হয়েছে। যারা একটি স্বপ্ন দিয়ে যাত্রা করে। জামাত ও প্রথমে এটা উপলদ্ধিতে নিতে অপারাগ ছিল আন্দোলন যে এত সাড়া পাবে। বাংলার মানূষ এত সাড়া দেবে এটা কেঊ বুজতে পারেনি।

যখন ই এটা জাতীয় আন্দোলনে রূপ নিতে শুরু করল নড়ে চড়ে বসল বাংলার খ্যাতিমান রাজনীতিবিদ রা। এখান থেকে কি ভাবে লাভবান হওয়া যায় তা নিয়ে বৃহৎ দু দল গবেষনায় বসল । তড়িৎ পদক্ষেপ নিল আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ। আস্তে আস্তে এই গনজাগরন কে একটা দলীয় রূপ দিতে শুরু করল তৈরী হয়ে গেল জামাতের হস্তক্ষেপের সুযোগ। জামাত পেয়ে গেল প্রতিপক্ষ।

ওদিকে বিএনপি ধীরে চল নীতি তে অনেক বি এন পি মনা কর্মী আন্দোলনে যোগ দিলেও দলীয় নির্দেশনার অভাবে ব্যাক্তিগত মানসিকতায় জামাত প্রতিরোধ আন্দোলনে সামিল হয়।এই সুযোগে জামাত বিএনপির দোদুল্যমনতার সুযোগ পুরো কাজে লাগায়। আবারো আওয়ামী বিএনপি প্রায় মুখোমুখি করে ফেলে। বিএনপি নেতৃবৃন্দ যখন বুজতে পারল এটা একটা গন জাগরন তারা আন্দোলনের সাথে একাত্তা ঘোষনা করে। জামাত আবার প্রমাদ গোনে।

সারাদেশ তখন একসুরে কথা বলতে শুরু করছে যেমন বলছিলো ৯০ আন্দোলনে। চিন্তায় ঘুম হারাম হয়ে যায় জামাত নেতাদের। এতদিন দুই দলের নেতাদের মূর্খামিকে কাজে লাগিয়ে চলছিলো, দেরীতে হলেও উভয় দলের সুবুদ্ধিতে জামাত তখন হতচকিত। এই বার তারা কাজে লাগাল নাস্তিকতা। আবার ও দেশে মানূষের মধ্যে ধিদ্ধা। তবে কি এই আন্দোলন ঈমানদার দের সাথে নাস্তিকতার যুদ্ধ? এই ধিদ্ধা থেকে খুব অল্প সময়ে দেশ মুক্ত হয়ে গেল। সবাইকে পরিস্কার ভাবে বুজানো গেল এটা আস্তিক নাস্তিক যুদ্ধ না। দেশ আবার সংগঠিত।

এইবার জামাত তার সবচেয়ে নোংরা চাল দিল আমার প্রিয় নবীকে ঢাল হিসাবে ব্যাবহার করে তাদের অপকর্ম ঢাকার চেষ্টা করল। যারা তাদের নোংরামিকে ঢাকার জন্য আমার প্রিয় নবীকে ব্যাবহার করে আল্লাহ তাদের ওপর লানত বর্ষিত করুন। শাহবাগে নবী কে নিয়ে কুৎসা রচনা করছে কারা বলছে এই কথা? আর কেউ যদি প্রমান করতে পারে এটা সত্যিই হয়েছে আমি কথা দিচ্ছি আমি শের শায়রী আমি সবার আগে জিহাদে যাব। আমার ভালবাসার মানুষ কে নিয়ে কুৎসা রচনা করলে তার মূল্য তাকে পাই পাই দিতে হবে।

ব্লগার রা নাকি ব্লগে অনেক কথা লেখে। আরে ভাই আনেকে তো নেটে পর্নো ঘটনা লেখে তাই বলে কি সেটা ব্লগারদের অপবাদ না যারা লিখল তারা ব্লগার হয়ে গেল? আপনার মহল্লায় কি চোর গুন্ডা নাই? তাই বলে কি সবাই চোর গুন্ডা হয়ে গেল ?

জামাতের টার্গেট কারা

জামাতের এখন টার্গেট হল বাংলার অর্ধশিক্ষিত অশিক্ষিত মানূষগুলো একটু খেয়াল করুন যারা জামাতের কথায় যুদ্ধাপরাধীদের বাচাতে মাঠে নামছে তারা কিন্তু যুদ্ধাপরাধীদের বাচাতে নামেনি। নেমেছে প্রিয় নবীর নামে কান কথা শুনে।

আপ্নারা এই সব অর্ধশিক্ষিত অশিক্ষিত মানূষগুলোকে আমাদের প্রতিপক্ষ বানাবেন না দয়া করে। জামাতের চাওয়াই এটা। আপ্নারা যদি আজকে এই মানূষগুলোকে প্রতিপক্ষ ভাবেন তবে কোথায় আপনার বিচার বুদ্ধি গেল? এ ক্ষেত্রে আমি আমার গত কালের লেখাটা আর একবার পড়ার অনুরোধ করব
শাহবাগের নেতারা আপনারা ভূল করছেন।

তাহলে কি করবেন মাননীয় স্টেজে উপবিষ্ট নেতৃবৃন্দ?

টার্গেট করুন জামাত কোথা থেকে এই ধরনের সহজ সরল মাণূষ গুলোকে সংগ্রহ করে? একটু খোজ নিলেই জানবেন। দেশ থেকে হাজার মাইল দূরে থেকে আমি ছোট্ট একটা পত্রিকা তথ্য দেই কামরাঙ্গীরচর। চলে যান ওখানে বা ওনাদের ওখান থেক আনার ব্যাবস্থা করেন তাদের ভূল ধারনা ভেঙ্গে দিন দেখবেন জামাত যে চাল দিছি সেই চালে তারাই ধরাশায়ী হবে। এই রকম জামাতি দূর্গে আঘাত হানুন। ম নে রাখবেন Offense is the best defense.

বেশী কি আর লিখব সন্মানিত শাহবাগের নেতারা। আপ্নারা জ্ঞানী মানূষ অল্পতেই বুজতে পারেন তবে সামান্য আর একটা কথা বলে যাই নেতারা এই আন্দোলন যদি কোন রকম ব্যার্থতায় পর্যবসিত হয় সবার আগে কিন্তু আপনাদের খবর আছে। আশিক্ষিত আর্ধশিক্ষিতের কাছে মুরতাদ হিসাবে প্রমান হবেন আর সচেতনদের কাছে দালাল হিসাবে প্রমান হবেন। আপানাদের পাশে কিন্তু আওয়ামী লীগ, বিএনপি কাউকে পাবেন না। পারবেন কি কোন ব্যাক্তিগত মোহ থাকলে বের হয়ে সাধারনের সাথে এক হতে। বিজয় নিয়ে আসুন আপনারাই আমাদের কাছে হবেন নেপোলিয়ন। ভবিষ্যতের আলোকর্তিকা। এই সুযোগ হেলায় হারাবেন না।

বের হয়ে আসুন দলীয় সংকীর্নতা থেকে জনগনের আন্দোলন জনগনের র মত চালান। আপনাদের আন্দোলন যত তাড়াতাড়ি সুফল আনবে আপ্নারাও ভাল থাকবেন আমরাও ভাল থাকব।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৮:০২
১২টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এইচ এস সি রেজাল্ট ২০২৬ -ঢাকা বোর্ড

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৯

খুব অদ্ভুত ব্যাপার। আমাদের সময়ে চলে এলো নাকি? সেই চার দশক আগের মতন !
যা তথ্য পেলামঃ

In the 2026 HSC examinations, a total of 297,621 candidates appeared... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেখে শূন্য চাকত

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২


কেমন করে সাজাও তুমি?
কলমের সাথে- খাতার প্রেম,
মাটির সাথে মৃত্যুর লাশ,
ঘাসের গায়ে ঘাসফড়িংর কাশ।
শেষ বিকালে ভাবনার সাথে
চিন্তার হয় রে অবকাশ-
সবিই যেনো শূন্যে প্রেমে আশ
হাত গুটানো-জীবনের নাশ;
বাস্তবতার হয় নির্দয় স্বার্থপর
সময়ের শুধুই... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের হ্যালোইন উদযাপন

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩


আজ ছিল হ্যালোইন। এই উৎসব ফসল কাটার মৌসুমের শেষ ও শীতের শুরু - এই উপলক্ষে হলেও বছরের এ সময়ে কানাডায় ঠান্ডা পড়ে যায়। তবে আজ আবহাওয়া ছিল ভালো। সারাদিন রোদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেই মেয়েটিকে খোঁজ....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৫



সেই মেয়েটিকে খোঁজ....

ফরাসি ভাষায় বহুল প্রচলিত একটি বাক্য- Cherchez la femme। অর্থাৎ, ‘সেই মেয়েটিকে খোঁজ’।

ফরাসি লেখক আলেকজান্ডার ডুমা (Alexandre Dumas) ১৮৫৪ সালে তাঁর উপন্যাস Les Mohicans de Paris-এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

দারিদ্র্য কি মানুষকে মহান করে তোলে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৪৬


হুমায়ূন আহমেদ। বাংলাদেশের শেষ জনপ্রিয় লেখক। তিনি ছিলেন একাধারে একজন গুণী লেখক ও নাট্যনির্মাতা। হুমায়ূন আহমেদ সমুদ্রবিলাস নামে একটি নাটক নির্মাণ করেছিলেন। সেখানে একজন শিক্ষক ছিলেন, নাম চ্যালেঞ্জার। তাঁর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×