হলে আসার বেশ কিছুদিন পর জানলাম-কোন এককালে কে্উ একজন এখানে আত্মহত্যা করেছিলো । সেই রমণীর আত্মা নাকি এখনও রাতে ঘুরঘুর করে ।অবশ্য এর সত্যতা বিচার করা কঠিন ।এটি হতে পারে ভয় দেখানোর কোন চেষ্টা ।কারণ সব জায়গায় এরকম দুই একজন থাকে যারা সবাইকে ভয় দেখিয়ে আনন্দ পায় ।এটাও সে ধরনের কোন অপপ্রচার হতেই পারে ।
অপপ্রচারই হোক বা সত্যিই হোক-মনে মনে একটু একটু করে বিশ্বাস জাগ্রত হতে শুরু করলো যে এমন কিছু থাকলেও থাকতে পারে ।এমন একটা কিছু দেখার ইচ্ছা আমার বহু দিনের ।অনেকেই বলে থাকে-আসলে ভূত বলে বাস্তবে কিছু নেই ।সবই নাকি মানুষের কল্পনা মাত্র ।মানুষ মনে যা কল্পনা করে তাই নাকি সে দেখতে পায় ।এসব জ্ঞানীগুণী টাইপ কথা শোনার পর থেকে অনেক চেষ্টা করি মনে মনে অস্বাভাবিক কিছু কল্পনা করার ।কিন্তু কখনই এ টাইপ কিছু দেখার কপাল হয় নাই ।
যাই হোক -একবার অনেক রাতে রুমের বাহিরে বের হলাম পানি আনতে ।চাঁদের আলোয় আলোকিত চারিদিক ।পানি নে্য়া শেষে লক্ষ্য করলাম- হলের মাঝের ফাঁকা জায়গাটায় কেউ একজন ।দূর হতে চেহারা বোঝা গেল না ।মনের মাঝে কিছুটা ভয় বাসা বাঁধলো ।একবার মনে হল- সামনে যেয়ে দেখা দরকার ঘটনাটা কি ।পরক্ষণেই ভাবলাম- বেশি সাহস ভালো না ।কিন্তু এ সুযোগও তো হাতছাড়া করা যায় না ।কি করি কি করি- ভাবতে ভাবতে অগ্রসর হলাম ।
কাছে যেয়ে যা দেখলাম তাতে আর হাসি আটকাতে পারলাম না ।রাত তখন তিনটা বা চারটা ।আমাদেরই একজন তখন অতি মনোযোগের সহিত ফোনে প্রেমালাপে ব্যস্ত ।আমার উপস্থিতিতে সে একটুও অবাক হলো না ।
তাকে দেখে পূর্বোক্ত সকল কথা ভুলে শুধু একটা কথাই তখন মাথায় আসছিলো-
চাঁদনী রাত,
মনে রং,
ভাব একটু ঢং ঢং ।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




