চুটকি বলে আটকে গেছি এক ভদ্রলোকের কাছে।
কমন একটা জোকস বলেছিলাম। ঐযে এক ভদ্রলোক সৌদি আরব ঘুরে এসে বল্লেন, ভাই ভাষাতো তাদের আরবী, শুধু আজানটাই বাংলায় দেয়। ব্যাস্ ভদ্রলোক সিরিয়াস হয়ে গেলেন।
- আচ্ছা আজান কি সত্যি সত্যি বাংলায় দেয়?
- আরে ভাই কথার কথা।
- কথার কথা তো বাজেকথা। আজান নিয়া তো বাজে কথা হইতে পারে না। ভাই আপনি একটু খোঁজ নেন।
- ভাই বাদ দেন, এইটা জাষ্ট একটা জোকস্।
কয়েক দিন পর ভদ্রলোকের সাথে আবার দেখা। ভদ্রলোক খুব সিরিয়াসলি জিজ্ঞাসা করলেন।
-ভাই, আমি বিষয়টা নিয়ে খুব ভাবছি। আচ্ছা আজানটা এরা বাংলায় কিভাবে দেয়?
আল্লাহ তুমি মহান
আল্লাহ তুমি মহান
এই ভাবে?
- ভাইরে আপনে তো আমারে মুসিবতে ফেলে দিলেন। এইটা একটা জোকস্ মাত্র। যেই ভদ্রলোক সৌদি আরবে গিয়েছিলেন তিনি হয়ত লোকাল লোকদের আরবী কথোপকথন কিছুই বুঝেন নাই। কিন্তু আজানটা পরিচিত মনে হয়েছে। কারন এই আজানতো দুনিয়ার সব জায়গায়ই একই, আরবী। শুনতে শুনতে আরবীটাকেও নিজের মনে হয় এই যা।
- ভাই আরবীটাকে বাংলা কেন মনে হবে?
- বাংলা বলি নাই ভাই, নিজের মনে হয় বলছি।
- কিন্তু ঐ দিনতো বল্লেন, আজান বাংলায় দেয়। এমন হইতে পারে না, বাংলা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বলে, ঐখানে তার গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে!
আচ্ছা ভদ্রলোককি আমাকে নিয়ে মজা করছেন?
তিনিতো তাহলে কঠিন জোকার!
এই কঠিন জোকারের হাত থেকে আমার মুক্তির উপায় কী?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



