মেয়েরাই মেয়েদের প্রধানতম শত্রু। উদাহরণ দেই
- শরিয়া ভিত্তিক সম্পত্তি ভাগাভাগি নিয়া একটা ইস্যু তৈরী হইছিলো কিছুদিন আগে। কালেরকণ্ঠে আমার এক বন্ধু চাকরী করতেন। তার অভিজ্ঞতা হইলো। তখন প্রচুর মেয়েরা ফোন দিতেন। ফোন দিয়েই প্রতিবাদ করে বলতেন
- বাপের সম্পত্তিতে মেয়ে ছেলে সমান ভাগ পাবে, এইসব নিয়া নাকি আপনারা লেখতেছেন!
- আপনার বক্তব্য কী?
- বক্তব্য মানে? সোজা কথা, মেয়ে আবার ছেলের সমান সম্পত্তি ক্যামনে পায়? মেয়ে তার বাবার বাড়ি থেকে পাবে ছেলের অর্ধেক। আর এইসব সম্পত্তি কেউ আনতে যায়!
মেয়েরা বলতে পারবেন ঘরে তাদের বেষ্ট ফ্রেন্ড কি বাবা নাকি মা। আমার দেখা বেশীর ভাগ পরিবারগুলাতেই মেয়েরা মা'কে বান্ধবী মনে করে ঠিকই। কিন্তু লিমিটের বাইরের কোন কিছু আব্দার করতে গেলে বাপকেই গোপনে গিয়ে কনভিন্স করে বলে, মা'কে ম্যানেজ করো আব্বা।
বউরা বলতে পারবেন শ্বশুরবাড়ীতে শাশুড়ি কেমন হয়। আর শ্বশুর কেমন হয়। পদেপদে শ্বশুড় দোষ ধরার চেয়ে বরং কিছুটা মেয়ের নজরে দেখেন বলেই আমার বিশ্বাস।
শেষমেষ গুলশান একটাকের কথাই বলি। এক নারী আমার উপর ঝাল ঝেড়ে বললেন, খুব তো আইছেন নিবরাসদেরকে নিয়ে লেখার জন্য। আপনার লেখুনী কোথায় থাকে যখন ফিলিস্তিনে, ইরাকে, সিরিয়ায় মুসলিমদেকরে ইহুদী নাসারারা মারে!
আচ্ছা ভদ্রমহিলা কি জানেন গুলশান এটাকে যে কয়টা মেয়ে মারা গেছে তাদের শরীরে কী পরিমান অত্যাচার করা হয়েছিলো? যতদূর জানি, মেয়েগুলার শুধু স্তনের মধ্যেই ছুরি'র আঘাত কয়েক ডজন। যে ডাক্তার ভদ্রলোক এর ময়না তদন্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি এত নিশংস অত্যাতার কোন বডিতে দেখেন নি, তিনি কেঁদেছেন।
অথচ নারীর প্রতি অসম্মান, অসম মর্যাদা, অত্যাচারে নারী কাঁদে না। প্রায় সব নারীরাই উল্টা যে পুরুষরা নারীর অধিকারের, সম্মানের দাবী করে, তাদেরকে খারাপ নজরে দেখে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

