somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার ভ্রমণ কাহিনী-১

১৫ ই মে, ২০১১ রাত ১:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সালাম সবাইকে।বিভন্ন ব্যস্ততার দরুন লেখালেখিটা না হলেও সামুতে আমি নিয়মিত পাঠক।আজ আমি আমার ভ্রমণ কাহিনী নিয়ে লিখবো।খুব সমপ্রতি আমি পবিত্র্র নগরী মক্কা গিয়েছিলাম ওমরাহ করতে।ওমরাহ করার নিয়ম অনুযায়ী মদিনাবাসীরা ওমরাহর নিয়তের জন্য প্রথমে মিকাত মসজিদে যান।যথারীতি আমার সফরসঙ্গী আমার বর।আমরা একটি মাইক্রোবাস যোগে মক্কার উদ্দ্যেশ্যে আমাদের যাত্রা শুরু করলাম।যেহেতু ওমরাহ করতে যাচ্ছি,তাই নিয়ত বাধার জন্য আমরা মসজিদ-ই-মিকাতে রওয়ানা হলাম।তখন দুপুর প্র্রায়ই শেষ।মসজিদে প্রবেশ করে দুইরাকাত নামাজ পড়ে ওমরাহর নিয়ত করে নিলাম।গ্রীষ্মের দুপুরে আমার প্র্রচন্ড তেষ্টা পেয়ে গেল।মসজিদটি বেশ বড়।মসজিদটির আঙ্গিনাটা চমত্কার ভাবে বিভিন্ন গাছপালা দিয়ে সাজানো।আমি ইতিউতি পানির অনুসন্ধান করছিলাম।পেয়েও গেলাম।একজন শ্রীলংকান মহিলা হাজী পানির কল থেকে সবাইকে পানি খেতে সাহায্য করছিলেন।আমি এগিয়ে যেতেই তিনি হাসিমুখে আমাকে পানি খেতে সাহায্য করলেন।নামাজ শেষে আমরা মক্কার উদ্দ্যেশ্যে যাত্রা শুরু করলাম।মক্কা যাওয়ার অনেক সড়ক আছে।আমরা বদরের সড়ক পথ দিয়ে চল্লাম।গাড়ি আকাঁবাকাঁ পাহাড়ি পথ দিয়ে যেতে লাগলো্।রাস্তার দুই ধারের দৃশ্য দেখতে আমি ঘুমিয়ে পড়লাম।মদিনা থেকে মক্কার দুরত্ব প্রায়ই ৩৩৮কিমি।মক্কা পৌছাতে মাগরিব এর ওয়াক্ত হয়ে গেলো।মক্কা এসেই হোটেল টিক করতে আমার উনি ব্যস্ত হয়ে পড়লেন।একে তো লম্বা জার্নি,তারওপর গাড়িতে হাত পা জমে গেছে এসির হাওয়ায়।হোটেল খুজঁতে গিয়ে হয়রান হয়ে গেলাম।শেষ পর্যন্ত ঢাকা হোটেলের পেছনে পাওয়া গেলো।ঢাকা হোটেল শুনে কি চমকে গেলেন?বিশ্বের যেখানেই বাংলাদেশী আছে সেখানেই তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জন্মভূমির নাম জড়িয়ে আছে।সৌদি আরব ও তার ব্যতিক্রম নয়।আপনি যদি এই দেশে আসেন চোখে পড়বে অজস্র বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান,তখন মনেই হবেনা ভিনদেশে আছেন।যাই হোক,হোটেল রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে ওযু করে বেরিয়ে পড়লাম।ঢাকা হোটেলে খাবার খেয়ে ওমরাহর জন্য কাবা শরীফে চললাম।আমরা ছিলাম মিসফালাহতে।মিসফালাহ থেকে হারাম শরীফ এর দুরত্ব খুব সামান্য।হেটেঁ যেতে দশ মিনিট লাগবে হারাম শরীফের গেইটে পৌছাতে।
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×