১।
বৃষ্টির শব্দটা ভারী মিষ্টী.....ঝরঝর করে টিনের চালে আছরে পড়ে।দুপুরের ভাত ঘুমটা এই বুঝি ভাঙলো মায়ের ডাকে।মহু ওঅ্ মহু....উঠোন থেকে কাপড়গুলো তোল।সবতো ভিজে গেলো।মহুয়া ধড়মড়িয়ে উঠে বসলো বিছানায়।এলো চুলে খোপা করতে করতে বারান্দা পেরিয়ে দিলো ছুট উঠোনে।ত্রস্ত হাতে দড়ি থেকে কাপড় তুলে বৈঠক খানায় বিলিয়ে দিলো।আধ শুকনো কাপড় গুলো পুরোই ভিজে গেছে।সামান্য বৃষ্টিটায় যেন খানিক আগের মন ভালো করা মহুয়াকে মলিন করে দিলো-
-মা ও মা...মা..
-কি হলো চেচাচ্ছিশ কেনো?
-মা কাল না আমার ইন্টারভ্যু?
-হ্যাঁ,আর কত বার বলবি?
-দেখো তো জামাটার অবস্থা?এটা শুকোবে কবে?আমি কাল কি পড়ে ইন্টারভ্যু দিতে যাবো?
-বোকা মেয়ে?তোর বুঝি আর জামা কাপড় নেই?
-মাাাাাাাা?কালকের দিনটার জন্য আমি কতো কষ্ট করলাম,আর বৃষ্টিতে আমার জামাটা ভিজে গেলো।কবে শুকোবে আর আমি...
মহুয়ার রিটায়ার্ড স্কুল শিক্ষিকা মা আর মেয়ের কথা শেষ করতে দিলেন না....আঃ- মরণ....
২.
দাঁত দিয়ে নখ খুঁটতে খুঁটতে ওয়েটিং রুমের চারপাশে চোখ বুলাতে লাগলো মহুয়া।সুন্দর ছিমছাম একটা বসার ঘর।রিসিপসনিস্ট মেয়েটি বারবার ভুরু খুচঁকে মহুয়াকে কেনো দেখছিলো তা তার বোধগম্য হলো না।
-মিস মহুয়া দাশ.....।
তড়াক্ করে লাফ দিয়ে রিসিপসনিস্ট মেয়েটির কাছে ছুটে গেলো মহুয়া।
-আপনি ভেতরে যান...।মুখে ধন্যবাদ সুলভ হাসি ঝুলিয়ে মহুয়া ইন্টারভ্যু রুমে চলে গেলো।
চলবে....।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

