somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মানুষ মানুষের জন্যে। অচেনা শিশুর জন্য প্রান দিয়ে প্রমান করে গেলেন বাদল মিয়া।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৩:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কুড়িল লেভেল ক্রসিংয়ের পাশেই কাজ করছিলেন বাদল মিয়া সহ রেলওয়ের কিছু কর্মী। ট্রেন আসার খবর পেয়ে দুই লাইনের মাঝে সার বেঁধে দাঁড়িয়ে যান তারা। তখন ক্ষিপ্র গতিতে ছুটে আসছে সিলেট ছেড়ে আসা ঢাকাগামী সুরমা এক্সপ্রেস। হঠাৎ দেখতে পেলেন- সেলফোনে কথা বলতে বলতে লেভেল ক্রসিং অতিক্রম করছেন এক মা। সঙ্গে শিশুসন্তান। এ সময় শিশুটির মাকে এক পথচারী রেললাইন থেকে হেচকা টানে নামাতে পারলেও শিশুটি থেকে যায়। মুহুর্তের সিদ্বান্তেই দৌড়ে গিয়ে শিশুটিকে ধাক্কা দিয়ে চলন্ত ট্রেনের সামনে থেকে রক্ষা করলেন বাদল মিয়া। কিন্তু রক্ষা পেলেন না নিজে। জীবন দিয়ে একটি শিশুর প্রাণ বাঁচালেন তিনি। স্যলুট বাদল মিয়া। পরের জন্যে যে অসংকোচে নিজের জীবন বাজি রাখতে পারে, সেই তো প্রকৃত বীর। জাতীর এই বীর সন্তানের প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্বা।

বাদল মিয়া আট সন্তানের জনক। ২৯ বছর ধরে রেলওয়েতে কর্মরত ছিলেন তিনি। তার আয় দিয়েই পুরো পরিবারের জীবিকা নির্বাহ হতো। বাদল মিয়ার আকস্মিক মৃত্যুতে অনিশ্চিত অবস্থার মুখে পড়ে গেছে তার পরিবার। এখন আমাদের প্রশ্ন - নিজের জীবন দিয়ে মানবতার উজ্জল সাক্ষর রেখে গেলেন যে মানুষ টি, তার সন্তানদের কে দেখবে? আগামিকাল তারা কি খাবে, কি করে চলবে এতগুলো মুখের এই সংসার? এখন পর্যন্ত কেউ জানেনা।
অসংখ খবরের মাঝে এটাও হয়ত শুধু একটি খবর হয়ে থাকবে। হারিয়ে যাবে কালের গর্ভে। বাদল মিয়ার পরিবার ধুকে ধুকে মরবে না খেতে পেয়ে।
নিজের মনে প্রশ্ন জাগে- আমাদের কি কিছুই করার নেই???? আর কিছু করতে না পারি, বাদল মিয়ার বীরত্বের কথা ছড়িয়ে দিতে পারি হাজার মানুষের কাছে।
অনলাইন একটিভিষ্ট, সাংবাদিক বন্ধুরা, লক্ষ লক্ষ ইন্টারনেট ব্যবহার কারিরা চাইলেই পারেন খবরটি ছড়িয়ে দিয়ে যথাযথ কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করতে।
তাহলে বেঁচে যাবে একটি পরিবার। তাহলেই সত্য হবে -
মানুষ মানুষের জন্যে।
জীবন জীবনের জন্যে।

ব্লগার বন্ধুরা, আপনারা কি বলেন?

তথ্য সূত্র: দৈনিক বণিক বার্তা।

সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৩:০৬
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কি আছে কারবার

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩


ঐ যে হেঁটে যাচ্ছিলাম- দেখলাম
ভণ্ডামি আর প্রলোভন কাণ্ড;
ক্ষমতায় যেনো সব, ভুলে যাচ্ছি অতীত-
জনগণ যে ক্ষেতের সফল ভিত
অবজ্ঞায় অভিনয়ে পাকাপোক্ত লঙ্কা;
চিনলাম কি আর খেলেই ঝাল ঝাল
তবু ভাই চলো যাই, হেঁটে- হেঁটেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিংহাসনের লড়াই: নেকড়ের জয়ধ্বনি ও ছায়ার বিনাশ

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪৮



“Game of Thrones: Winter is coming” - এর ছায়া অবলম্বনে।

বাংলার আকাশে এখন নতুন সূর্যের আভা, কিন্তু বাতাসের হিমেল পরশ এখনো যায়নি। 'পদ্মপুর' দুর্গের রাজকীয় কক্ষের একপাশে বিশাল মানচিত্রের দিকে তাকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৭১ পরবর্তি বাংলাদেশ ( পর্ব ০৮)

লিখেছেন মেহেদী আনোয়ার, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩


মুক্তিযুদ্ধে ‘ত্রিশ লাখ শহিদ হয়েছে'— এই দাবি বিশ্ববাসী প্রথম জানতে পারে ৩ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে সোভিয়েত রাশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা ‘প্রাভদা'তে প্রকাশিত এক সংবাদ নিবন্ধে। দু'দিন পর চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ শবে বরাত!!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:২০



ইসলামি বিশ্বাস মতে,
এই রাতে আল্লাহ তার বান্দাদেরকে বিশেষ ভাবে ক্ষমা করেন। ফারসি 'শবে বরাত' শব্দের অর্থ ভাগ্য রজনী। দুই হাত তুলে প্রার্থনা করলে আল্লাহ হয়তো সমস্ত অপরাধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেলে আসা শৈশবের দিনগুলি!

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:২১


চট্টগ্রামে আমার ছোটবেলা কেটেছে নানুর বাড়িতে। চট্টগ্রাম হলো সুফি আর অলি-আউলিয়াদের পবিত্র ভূমি। বেরলভী মাওলানাদের জনপ্রিয়তা বেশি এখানে। ওয়াহাবি কিংবা সালাফিদের কালচার যখন আমি চট্টগ্রামে ছিলাম তেমন চোখে পড়েনি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×