খণ্ড কাব্য ২
হাহাকার তোলে বাতাসের বুকে কাপন
পানি নেই, শুষ্ক লগনে পাখিরাও হারিয়েছে
পোকারা করেছে ছায়ারে আপন
_
মেঘের সাথে আড়ি পেতেছে পাহাড় চুড়ো
ছটাক ছটাক বেদনার মরুতে রুক্ষ হাসি
ভুল করে শান্ত হয়ে যায় উচ্ছসিত সমুদ্র
চাদনী কন্যাও অসুখ রাতে হয় বিনাশী।
=============================================
অতঃপর এক বিকেলে এসেছিলো কোকিল
গেয়েছিলো গান, দিয়েছিলো স্বপ্ন স্বপ্নিল
আবার সেই পথে ফিরে এলো মূর্ছনা
দিয়েছিলো সুর, হয়েছিলো বঞ্চনা
_
আর তারপর থেকে শালিক পাখি একাই থাকে
ভাবে আর ভাবে, কতো কি যে ভাবে
দোয়েলের শিসে হারিয়ে যাবে সে
এই শীত যাক যেভাবেই হোক পরের গ্রীষ্মে।
=============================================
হয়েছে সময় খোলস বদলাবার, ডাকছে ব্যাঙ
এঁটো কাঁদা ঘেটে হয়েছি অভিশপ্ত, ধুতে হবে ঠ্যাং
রাত বিরেতে শেয়ালের ডাকে ভয়ে কাপে মুরগীর ছা
অন্ধকার সয়ে সয়ে তীব্র আলোতেও দেখি সব আবছা
_
পৃথিবীর সরু পথে একে একে আসে জঞ্জাল রূপ
সবুজ শ্যামলিয়ার যেদিকেই তাকাই ধ্বংসস্তূপ
কেঁদে কেটে অস্থির অভিমানী সময়েরা বিভ্রান্ত
নিশ্চল বুড়োদের দল চুপ করে রয়, আজি বড্ড ক্লান্ত।
=============================================
মাছরাঙাদের ভিড়ে খুজে ফিরি এক ডাহুক
ফড়িং সাথী ঘাসের ডগায় জমেছে অন্ধকার
ভালোবেসে পাথর দিয়েছে ফুলের আকার
চারিদিকে বিপুলা আবোছায়াতে প্রেমের অন্য রূপ
_
ঐ ছায়াপথ জুড়ে দ্যাখ শুধু চোখ আর চোখ আমারি
তবু তো দিলি ফিরায়ে, অভিশাপ চাঁদ খসে পড়ুক
বিদগ্ধ চুলোর আভাতে পুড়ে পুড়ে হোক অপরূপ
আমি চলে যাই, তবু ঘিরে থাকি কোন এক অপ্সরী।
=============================================
নিরজনও জোস্ন্যা কাব্য লিখেছিলেম তোমাকে ঘিরে
তুমি জোস্ন্যা ভীষণ ভালোবেসে কুড়িয়ে নিলে রসটুকু
আমি আটি ঘিরে রচে যাই একাকী একটি ছায়া
ভুবনপতি দিয়েছিলো সবই তোমায় দেয়নিকো মায়া
_
আমি একে একে এঁকে চলি ভাঙ্গা আয়নার গান
কাচে কাটে ধারে কাটে হাত, পদ্ম ফুল বেচে রয় অম্লান
পাপড়িরা ঝরে যায় হয় না তো দেখা তবু
প্রত্যেক সন্ধ্যায় পাখিরা ফিরে আসে আপন নীড়ে।
=============================================
ঐ রোদ্র পথে আসে না শুকতারা
ক্ষণিকের বন্ধ্যা সময় নিয়ে যায় শুধু
প্রান্তরে প্রান্তরে মাথা কুটে কারা?
জানে পাথরের বুকে ফোটে না ফুল তবু?
_
নিয়তির রেখায় প্রকৃতির ছলা
জেনে শুনে তবু হয় না যে বলা
কোন এক ভোরে ভেবে চলে মরু
এক বুকে ফুটিবে ঘন ঘোর তরু।
=============================================
দাড়কাকের চোখে ভাসে সমুদ্রের উচ্ছাস
ফেনায়িত আকাশের নীল, নিত্যকার অভ্যাস
নেচে চলে ময়ূর পেখম মেলে, আড়ালে নর্তকী
সে মনের ভাবনা কেউ জানে? জানে সেও কি?
_
তবু কেউ ঝলসে যায় জোনাকীর আলোয়
কেউ নদী হয়ে বহে অশ্রু ফোটায়
আর আমি একা একা ভাবতে থাকি
আমার সমগ্র জুরে ধারন করেছি তোমার প্রতিচ্ছবি।
=============================================
বিঃদ্রঃ মডারেটর কে বলছি এই পোস্ট একটু আগেই একবার দিসি কিন্তু ওইটা শো করে না ক্যান? আর গেলই বা কই?
এই খণ্ড কবিতা গুলোই আমার আজকে বিভিন্ন পোস্টে করা মন্তব্য ছিলো। অবশ্য ফেবুতে, তাই ব্লগেও শেয়ার দিলাম।
সাদা নীল জার্সি

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাইরে এসো
এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্পর্শে_ _ _ _ _
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন
বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।