
বৃষ্টি বাদল এখন নিত্যসঙ্গী-ই যেন। কাকনের ছন্দে পড়া চুপচাপ বৃষ্টির শব্দ জানালা গলিয়ে সবুজের সাথে দ্যোতনা দেখতে ভালই লাগে। এর রূপটা যখন কোমল থেকে ভয়ংকর হয়, তখনই দেহ যেন আত্মা ছাড়া হয়। তখন কবির পদ্য লেখা প্রবন্ধে আর সংবাদে রূপ নেয়। বিশ্বটাকে যিনি তাঁর মতো করেই চালাচ্ছেন তিনি দেখান তাঁর ক্ষমতা। বেকুব মনুষ্য খোঁজে ক্ষমতার সংজ্ঞা। যারা গভীরে ডুবে সন্তরণ করে আহরণ করেন রত্ন-মাণিক্য তারা ভাবুক হন। বিশ্লেষণ করেন জীবনচরিত মহাজনের। অনুসরণের পথ খোঁজার চেষ্টায় আর বর্ণনায় ঋদ্ধ করেন বুদ্ধিমত্তা। বাকিরা গণনিধিত্ব করেন। প্রতিনিধি হলে পূর্বে বলা কথাগুলোর সাথে সমার্থকতা খুঁজে পাওয়া যাবে তাই শব্দের দোষ দিয়ে তো আর লাভ নেই। ক্ষমতার সূত্রটা প্রয়োগ করার ভিন্ন পাঁয়তারা ক্ষমতাসীনদের চেয়ে কে-ই বা আর বেশি করতে পারে?
বোরহান, নামটাই যথেষ্ট। কোন পদবী দিয়ে সরকারের সবোর্চ্চ আসনের কাছাকাছি বোঝানো যাবে তা না হয় নাই বললাম। বিশাল গণ জমায়েত। ভাষণ প্রক্ষেপণ করছিলেন। কথা যেন নয়, একেক রাউন্ড গুলি ছুটছে। কণ্ঠের শক্তিতেই বোঝা যাচ্ছিল, কত ক্ষমতা থাকলে অমন করে বুকের ছাতি ফুলিয়ে গণ-কবির মতো জন-সাহিত্য করা যায়। এই কবির কথা কানে প্রবেশ না করলেও হা করে চোয়ালদ্বয়ের ওঠা-নামা লক্ষ্য করছিলেন সবাই। কত আত্মবিশ্বাসী! সত্যবাদিগণও মনে হয় ভাব-ভঙ্গিতে এতোটা প্রকাশ করতে পারেন না। ভাষণ চলতে চলতে হঠাৎ চিৎপটাং। চোয়ালদ্বয় হা হয়ে রইল। এমন স্থানে ব্রেক হলো। হা আর বন্ধ করা গেল না। শেষমেশ সেখানেই যবনিকাপাত।
যা ফুরোয়, তার ক্ষমতা কতটুকু? ততটুকুই, যতটুকু তার আয়ু। কিন্তু কেউ যদি অসীম হন, তবে? অথবা সসীম হয়েও অসীম, তখন? ভাবনার গভীরে ঢুকতে গেলে আম-জনতার পেটে ক্ষুধা লাগে। ঘুম পায়। ফালতু রঙগুলো এসে চোখের পাতার ভেতরটাতে বায়োস্কোপ দেখায়। রঙ্গীন অথচ সাদাকালো।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা আগস্ট, ২০১৫ রাত ৯:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


