জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেএি
সারিকাকে আটকে দিলেন নীরব
যেতে দেননি আমেরিকা।
গত মাসের শেষ সপ্তাহে দু’জনার একসঙ্গে আমেরিকা সফরের কথা থাকলেও
শেষ পর্যন্ত ভিসা জটিলতার কারণে আটকে যান নীরব।
সারিকা ভিসা পেয়ে বাক্স-পেট্রা গুছিয়ে প্রস্তুত হলেও নীরবের চোখ রাঙানিতে আর যাওয়া হলো না আমেরিকার ঝলমলে ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড কিংবা ফোবানা সম্মেলনে।
এ নিয়ে স্বভাবতই ভীষণ মন খারাপের দিন পার করছেন সদা হাস্যোজ্জ্বল সারিকা।
অন্যদিকে বিষয়টি মিডিয়ায় চাউর হয়ে যাওয়ার পর নীরবও পড়েছেন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে।
যদিও তিনি এ প্রসঙ্গে আত্মপক্ষ সমর্থনে ঘনিষ্ঠজনদের কাছে বলছেন উল্টো কথা।
তার ভাষ্য এমন, আমি ওকে মানা করবো কেন? ও নিজেই বলেছে তোমার ভিসা হয়নি মানে ধরে নাও আমারও ভিসা হয়নি। তার মানে আমরা আমেরিকা যাচ্ছি না। আমি ওকে আটকাবো কেন? এটা কোন কথা! মজার বিষয় হচ্ছে এই নীরবই তার অনেক ঘনিষ্ঠজনদের কাছে একই সময়ে বলেছেন, আমিতো ভিসা পেলাম না। সে ক্ষেত্রে সারিকা একা একা আমেরিকা যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। ওর যাওয়া হবে না। ওকে যেতে দিবো না। এদিকে নীরবের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে সারিকা আমেরিকা উড়াল দেয়ার জন্য চলতি মাসের এক তারিখ পর্যন্ত নীরবকে ঠাণ্ডা মাথায় বহুবার বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু নীরবের একটাই কথা- তুমি আমাকে ছাড়া আমেরিকা যেতে পারো না। আরও জানা যায়, নীরবের এমন গোঁড়ামিকে খুবই অপমানজনক বলে মনে করছেন সারিকা। কারণ এর আগেও প্রেম চলাকালীন সারিকা বিজ্ঞাপনের কাজে নীরবকে ছাড়াই উড়ে বেড়িয়েছেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এবং বিদেশে থেকেছেন দিনের পর দিন। আবার এটাও সত্যি সারিকা যে প্রান্তেই ছিলেন না কেন নীরবের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ ছিল সার্বক্ষণিক। যদিও ঢাকার মধ্যে বিভিন্ন নাটক এবং বিজ্ঞাপন নির্মাতার অভিযোগ রয়েছে সারিকার শুটিং ইউনিটে গিয়ে নীরবের অহেতুক ঘোরাঘুরি নিয়ে। যেটা ইউনিটের স্বাভাবিক কাজে ব্যাঘাত ঘটে বলে মনে করেন নির্মাতারা। যে কাজটি নীরব ইদানীং নিয়মিতই করছেন। যার ফলে নির্মাতার পাশাপাশি অনেক সময় সারিকা নিজেও খানিকটা বিব্রত হন বলে জানা যায়। তবে আমেরিকাকে কেন্দ্র করে নীরব এতটা বেঁকে বসলেন কেন? নাকি এখন আর খুব একটা বিশ্বাস করতে পারছেন না ছটফটে সারিকাকে! নাকি আমেরিকার ভিসা না পাওয়ার অপমান হজম করতেই সারিকার এই পথ রোধ? আবার এটাও হতে পারে বিয়ের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করার আগেই হবু অর্ধাঙ্গিনীকে বাজিয়ে নিচ্ছেন চতুর নীরব? কারণ গুঞ্জন রয়েছে চলতি বছরের ১১ই নভেম্বর তারিখে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন দু’জনে। অনেকে আবার এটাও বলছেন, নীরবের টার্গেট ছিল সারিকাকে সঙ্গে নিয়ে চলচ্চিত্রের বর্তমান ঢিলেঢালা অবস্থানটি পোক্ত করার। কারণ সারিকার প্রতি চলচ্চিত্র নির্মাতাদের আগ্রহ এখন আকাশ ছোঁয়া। সে হিসেবে গেল এক বছরে সারিকাকে চলচ্চিত্রের জন্য পোষ মানাতে ব্যর্থ হয়েছেন নীরব। ফলে নীরবের কাছ থেকে আশ্বাস পাওয়া অনেক চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিচালকও এখন নীরবের ওপর যারপরনাই বিরক্ত। আর এসব মিলিয়ে সারিকার আমেরিকা সফর আটকানোর মধ্য দিয়ে হয়তো নীরব অনেক কিছুরই সমাধান খুঁজছেন খুব নীরবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

