



রাত ১২ টা। নিউ মার্কেট থানা পুলিশের কাছে খবর আসে ঢাকা কলেজে ছাত্রলীগ প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ছাত্রাবাসের বিভিন্ন কক্ষে জমা করা হয়েছে বিপুল দেশী বিদেশী অস্ত্র। পুলিশ নড়েচড়ে বসে। কারন মাত্র সাপ্তাহ খানেক আগে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ২৮ এপ্রিল শনিবার গভীর রাতে ঢাকা কলেজের ছাত্রাবাসে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আল মাহমুদ সরকার তারেক ও মাহামুদুর রহমান টিটো গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। এতে আকাশ ও জনি নামে ২ ছাত্রলীগ কর্মী গুলিবিদ্ধ ও উভয় পক্ষে ১০ থেকে ১৫ জন ছাত্রলীগ ক্যাডার গুরুতর আহত হয়। তাই কালবিলম্ব না করে নিউ মার্কেট থানা পুলিশ রাত সাড়ে ১২ টায় ঢাকা কলেজে যায় ছাত্রলীগের অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে। অভিযানে গিয়ে পুলিশ রীতিমত হতভম্ব হয়ে যায়। হলের রুমে রুমে বিশাল বিশাল রামদা, অত্যাধুনিক চাইনিজ চাপাতি, ধারালো দা-বটি, লোহার পাইপ-রড দেখে আসলে যে কেউ হতভম্ব হতে বাধ্য। যাহোক ২ ঘণ্টার অভিজান শেষে ১৫ থেকে ২০টি চাপাতি, ২৮টি বড় দা এবং ১০০ থেকে ১২০টি লোহার পাইপ এবং প্রচুর দা-বটি উদ্ধার করা হয়। রফিক ও মোফাজ্জল নামে দুজনকে আটক করা হয়। তবে কোন মামলা এখনো হয়নি।

হায়! যে অস্ত্র থাকে কসাইঘরে তা আজ আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রাবাসে। আমাদের ছাত্ররাজনীতি আজ কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে!
সুত্র- View this link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



