১। নুর নবীজীর শত্রু যারা - শান্তি পায়না কভূ তারা
নবীজীকে কষ্ট দেয়, কেমন মুসলমান তারা?
২। নবীজীকে যারা কষ্ট দেয়, তারা কেমন মুসলমান?
বেয়াদবী ছেড়ে দিয়ে, করতে শেখো নবীজীর সম্মান।।
৩। নইলে পরে আখেরে পস্তাবে, সকল আমল বৃথা যাবে,
দরূদ পড় বেশী করে, তবেই খোদার রহম পাবে।।
৪। খোদা নিজেই খেলেন যখন, মোর নবীজীর প্রাণের কসম,
উপায় কী আর অস্বীকারের? খোদার হাবীব সর্বোত্তম।।
৫।তাঁর উম্মত হয়েই বেঁচে গেলে, নইলে হতে শুকর-বানর,
খোদায়ী আযাব আসে নাকো, নবীজীর নামের এতই কদর!
৬।এক কাফের হিংসা করে, গালি দিল নুর নবীজীরে,
জানালেন খোদা ওহী দিয়ে, জন্ম তার ব্যভিচারে।।
৭। আবুল হাকাম ছিল আরবের, শিক্ষিত ও জ্ঞানী লোক এক,
নবীর সাথে দুশমনির শাস্তি পেল, জাহিল নামে খুইয়ে বিবেক।।
৮।নবীজীরে কটু কথা বলে, শাস্তি পাবেনা? তা হবেনা,
বনের বাঘে গন্ধ শুঁকে, ঠিক চিনে নেয় শত্রুটিকে।।
৯। নবীজীরে যারা করে হিংসা, কেমনে করে নাজাতের আশা?
ভয় নাই কি তাদের দিলে? তওবাতে কী আর মুক্তি মিলে?
১০।নূর নবীজী গায়েব জানেন না, মুর্খ লোকের প্রস্তাবনা,
গায়েবের খবর না জানালে, নবুয়তের পদ থাকে না।।
১১।সবার বড় গায়েব আল্লাহ্, নবীর কাছে গায়েব না,
থাকলো কী আর গায়েব কিছু? নির্বোধের দল বুঝলনা।।
১২।হিরাক্লিয়াস গর্বভরে ছিড়লো নবীজীর পত্রখানা,
রাজ্যটিও তার তেমনি করে ছিড়ে হল ছত্রখানা।।
১৩। হাবসী রাজা নাজ্জাশী যেমন, নবীজীর পত্র রাখে যত্ন করে,
রাজ্যটি তাঁর স্থায়ী হল, নূর নবীজীর আশীষ পেয়ে।।
১৪।নাজ্জাশীর মৃত্যুর খবর, পৌছল যখন নবীজীর কানে,
গায়েবী জানাজা পড়ান নিজেই, সূদুর ঐ মদীনা থেকে।।
১৫। আবু লাহাব জাহান্নামী, এতে কোন সন্দেহ নাই,
প্রতি সোমবারে সে জান্নাতের নিয়ামত সুধা পায়।।
১৬।নবীজীর জন্মে খুশী হয়ে, মুক্তি দিল সুয়াইবারে,
তাইতো তার আঙ্গুল দিয়ে বেহেশতী সূধা ঝরে।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




