ভোজন রসিক বলতে আমি যেটা বুঝি, তা হলো যিনি যে কোন খাবারকে আনন্দের সাথে গ্রহন করতে জানেন, তিনিই ভোজন রসিক।
গ্রামের বাড়ীতে আমার এক চাচা ছিলেন, তিনি মাশাআল্লাহ বেশ খেতে পারতেন। খুব সহজ সরল টিপিক্যাল গ্রামের মানুষ বলতে আমরা যা বুঝি ঠিক সে রকম।
আমার এক বড়লোক মামাকে দেখেছি সাত সকালে রান্না করা গরম ভাতে পানি মিশিয়ে খেতে। গরমকালে লেবু, পিয়াজ, কাচা মরিচ, আগুনে পোড়া লইট্টা শুটকি দিয়ে বা আলু ভরতা দিয়ে আমাদের বাসায় মাঝে মাঝে খাওয়া হতো।
আমার মামণিকে দেখতাম, মাঝে মাঝে রাতের বেচে যাওয়া ভাত দিয়ে সকালে আমাদের মজাদার খিচুরি বানিয়ে দিতেন।
আমার গিন্নি রাতের বেচে যাওয়া ভাত সকালে ডিম আর পেয়াজ দিয়ে ভেজে ছেলে-মেয়েদের টিফিন হিসাবে দিতেন। ছেলে-মেয়েরা সেগুলো খুব মজা করে খেত। এক সময় আমার গিন্নির বানানো ভাত ভাজার রেসিপি নিয়ে বেশ হই চই পড়ে গি্যেছিল।
দেখতাম বেশ কয়েকজন ভদ্র মহিলারা দল বেধে আমাদের বাসায় হাজির। কারন উনাদের বাচ্চারা তাদের মাকে বলতো, যে মা তুমি আমাকে হামেদের মা মনির মত করে ভাত রান্না করে দিতে পারো না? ওর মায়ের বানানো ভাত ভাজা খেতে যা মজা, সেরকম করে তুমি আমাকে বানিয়ে দিতে পার না?
ভাত নিয়ে আমার আরো বেশ কিছু মজার ঘটনা আছে, সে গল্প না হয় আরেক দিন হবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


