লেখালেখির পূর্ব শর্ত হল পড়া। খালি হাজার হাজার শব্দের আবোল তাবোল কিছু একটা লিখে কোন ভারিক্কি নাম যোগ করে বই বলে চালিয়ে দেয়া হয়, তাহলে সেটা আমার চোখে টাকার শ্রাদ্ধ আর বেগার খাটুনি ছাড়া আর কিছু নয়। সেটা আর যাই হোক সাহিত্য হতে পারে না।এটা হল স্রেফ পাঠকের সাথে প্রতারণা করে পয়সা কামানোর একটা হীন প্রচে্ষ্টা ।
আমি লেখালেখিকে সব সময় একটা সাধনা হিসাবে মনে করি। যা একটা চলমান প্রক্রিয়া। এটাকে নিরন্তর চর্চার মাধ্যমে আয়ত্ব করতে হয়। তাছাড়া বড় বড় আর নামী-দামী লেখকদের লিখিত বই পড়তে হয়। কিন্তু আমরা সচরাচর সেটা না করে, দুই চার লাইনের ১০-২০টা কবিতা লিখে, প্রশান্তির ঢেকুর তুলে লেখক সেজে বসি। আমি কাউকেও ছোট করছি না। সবার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলতে চাই যে, আমাদের নূতনদের মাঝেও বেশ প্রতিভাবান অনেক লেখক দেখেছি। তবে এখন আমাদের কাজ হবে তাদের জায়গা করে দেয়া। বাংলা একাডেমি তে আমি দেখেছি নতুন লেখকদের জন্য ট্রেনিং এর ব্যবস্থা আছে। নতুন লেখকদের ওখানে গিয়ে ট্রেনিং প্রোগ্রামে অংশ নেয়া উচিত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


