*** বাসায় পত্রিকা পড়া হয় না, অফিসেও কাজের চাপে পত্রিকা দেখার ফুরসত নেই। যাক বাবা! ফেসবুকই ভরসা। ফেসবুকের কল্যাণেই অনেক খবরের ভিরে জানতে পারলাম আজ নারী দিবসের কথা। প্রতিবছর 08ই মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করে বিশ্ববাসী।
*** নারী সমাজের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমার আপনার মা একজন নারী, প্রেয়সী, প্রিয়তমা স্ত্রী একজন নারী, মেয়ে সন্তান সেও একজন নারী। ব্যক্তিগতভাবে আমার ছোটবেলা কেটেছে 20 জন বোনের (যৌথ পরিবার) সান্নিধ্যে। সুতরাং একজন সুস্থ্য মানুষের পক্ষে নারীদের অবজ্ঞা, অবমাননা কোনটাই করা সম্ভব নয়। নারী সর্বদা শ্রদ্ধার পাত্র, সম্মান ও আভিজাত্যের প্রতীক। এজন্য কোন দিবসের প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।
*** নারীর অধিকার, নারীর সম্মান রক্ষায় তথাকথিত নারীবাদীরা পাশ্চাত্যের আমদানি করা কিছু বানী আওড়িয়ে বেড়ায়। নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর সমানাধিকার ইত্যাদি হাজারো মন ভোলানো সংলাপ নারীর যতটুুকু উপকারে এসেছে তার চেয়ে বেশিই ক্ষতির কারন হয়েছে বলে মনে করছি। নারী-পুরুষ একে অন্যের পরিপূরক, সহযাত্রী, পরস্পরের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু বর্তমানে ভোল পাল্টেছে। নারী হয়ে উঠছে পুরুষের প্রতিপক্ষ। যেখানে দুজনের মধ্যে থাকবে প্রেম, স্নেহ-মমতা, সেখানে আজ চলছে স্নায়ু যুদ্ধের মহড়া।
*** এবার আসা যাক, ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নারীর সম্মানের বিষয়ে। পৃথিবীর তাবৎ ধর্মের মধ্যে একমাত্র ইসলামই নারীকে দিয়েছে সুমহান মর্যাদা। কন্যা সন্তানদের সম্পত্তির উত্তারাধিকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে ইসলামে। “মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত্” হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর অমীয় বানী নারীকে দিয়েছে উচ্চ মর্যাদা।
##সুতরাং আসুন, পাশ্চাত্যের ফেরি করা মন ভুলানো শ্লোগানে নয়, বরং নারীর প্রাপ্য অধিকার ও সম্মান রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করি।
08-03-2016 খ্রিঃ/ পাবনা।

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০১৬ সকাল ১১:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




